| |

ময়মনসিংহের ৩৩ হাজার পরিবার রেশন কার্ড পাবে

আপডেটঃ 4:38 pm | April 26, 2020

Ad

 

 

স্টাফ রির্পোটার ॥ ময়মনসিংহ জেলায় ৩৩ হাজার পরিবার রেশন কার্ড পাবে। এসব পরিবার প্রতি মাসে ১০ টাকা কেজিতে ২০ কেজি করে চাল পাবে। খুব শীঘ্রই এই কার্যক্রম শুরু হবে। কার্ডধারীদের তালিকা ইতিমধ্যে শেষ করা হয়েছে। এদিকে বিপুল সংখ্যাক লোকজন আলোচিত এ রেশন কার্ডের আশায় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। আলোচিত রেশন কার্ড নিয়েও অনেকের মাঝে ভুল ধারণা আছে। অনেকে ভাবছেন চাল ছাড়াও তেল, ডাল সহ অন্যান্য পণ্য রেশন কার্ডের মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে পাওয়া যাবে। তবে জানা গেছে বর্তমানে শুধু চালই কেনা যাবে। অন্য কোনো পণ্য নয়। এদিকে অনেক জনপ্রতিনিধি স্ব-স্ব এলাকার আলোচিত এ রেশন কার্ড নিয়েও বিপাকে আছেন। চাহিদার তুলনায় অনেকে অর্ধেক কার্ডও পাননি। কার্ড বিতরণ শুরু করার পর এসব জনপ্রতিনিধি নতুন করে আবার নিজ নিজ এলাকায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে পারেন বলে আশংকা করছেন। সূত্র জানায়, সরকার ওএমএস কার্যক্রম শুরুর পর সামাজিক দুরত্ব নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারনে এ কার্যক্রম থেকে দূরে সরে আসে। মূলত ঐ কার্যক্রমটিই আরেকটু পরিকল্পিতভাবে আলোচিত রেশন কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবার গুলোর কাছে পৌঁছানো হবে। এজন্য সারা দেশেই তালিকার কাজ শেষের পথে। ময়মনসিংহ জেলাতেও দরিদ্র পরিবার গুলোর তালিকা তৈরি শেষ। সিটি কর্পোরেশন এলাকাতে কাউন্সিলরা তালিকা তৈরি করেছেন। এরপর সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে তা জেলা প্রশাসন বরাবর পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে গ্রামাঞ্চলে মেম্বার এবং চেয়ারম্যানরা তালিকা তৈরি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর তালিকা পাঠিয়েছেন। পৌরসভা গুলোর তালিকাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। তালিকা তৈরি শেষে ২-১ দিনের মাঝেই চাল বিক্রি শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে। জেলা প্রশাসক মো: মিজানুর রহমান বলেন তালিকা তৈরি শেষ। ২/১ দিনের মাঝেই তারা এ কার্যক্রম শুরু করবেন। তিনি জানান এ কার্ডের মাধ্যমে আপাতত শুধু চালই পাবে কার্ডধারীরা। ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘জেলাতে মোট কার্ডধারীদের সংখ্যা ৩৩ হাজার ২০০ জন। এরা মাসে ১০ টাকা কেজিতে ২০ কেজি চাল কিনতে পারবে। তিনি বলেন স্থানীয় ভাবে ডিলারদের মাধ্যমে এ চাল বিক্রি শুরু ২-১ দিনের মাঝেই। আলোচিত রেশন কার্ড সর্ম্পকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার সৈয়দ শফিকুল ইসলাম মিন্টু বলেন তিনি তার ওয়ার্ডে ৪৩০টি কার্ড বরাদ্ব পেয়েছেন। এত কম সংখ্যাক কার্ড নিয়ে তিনি বিপাকে আছেন। অন্তত ৩ হাজার কার্ড হলে তিনি এলাকার সকল দরিদ্র পরিবারকে সরকারী সহায়তার আওতায় আনতে পারতেন। তবে একাধিক ব্যক্তি বলেন আলোচিত এ রেশন কার্ড স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কতটুকু নিরপেক্ষতা এবং সততার সাথে তৈরি করেছেন তা তালিকা প্রকাশের পরই বোঝা যাবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে এ তালিকা প্রকাশ্যে টানানো হলে এলাকাবাসী জানতে পারবে, প্রকৃত দরিদ্র পরিবার গুলোর সহায়তার আওতায় এসেছে কি না। এছাড়া চাল বিক্রির সময় চালের পরিমাপের দিকেও খেয়াল রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদেও প্রতি আহবান জানান একাধিক সচেতন ব্যক্তি।

ব্রেকিং নিউজঃ