| |

রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের দাম কমানোর আহবান চেম্বার সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল হক শামীমের

আপডেটঃ 8:24 pm | April 27, 2020

Ad

 

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ পবিত্র মাহে রমজান মাসে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানিয়ে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর সভাপতি আলহাজ্ব আমিনুল হক শামীম বলেছেন, রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের দাম কোন অবস্থাতেই বাড়ানো যাবেনা। তিনি বলেন, এটা রোজার মাস। ব্যবসায়ীরা এই রোজার মাসে লাভ করবো না। ব্যবসায়ীরা এই পবিত্র মাসে জনগনের মাঝে ন্যায্য মূল্যে চাল, ডাল, পেয়াজ, আদা, লবন, সহ অনান্য জরুরী ভোগ্যপন্যে লাভ না করে মানুষকে সহায়তা করতে চাই। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের মানুষকে ন্যায্য মূল্যে সরবরাহ করে উদহারন সৃষ্টি করতে চাই। বাজার নিয়ন্ত্রন ও জেলার বাইরে থেকে মাল আনার জন্য ব্যবসায়ীদের যাতে ভোগান্তি না হয়, সেজন্য চেম্বারের সভাপতি হিসেবে ব্যবসায়ীদের ওয়ান ওয়ে ভাড়ায় আমি ট্রাক দিবো। ২৭ এপ্রিল সকালে ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রিজ এর সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিআইপি আমিনুল হক শামীম নগরের পাইকারী বাজার পরিদশর্ন কালে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন। আমিনুল হক শামীম চালের আড়ত, পেয়াজ, আদা, রসুনের আড়ত এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করেন। পাইকারী বাজার থেকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজিতে কেন ১০টাকা বেশী নেয়া হচ্ছে এবং যারা নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলে তিনি ভোক্তা অধিকার এর সহকারী পরিচালক নিশিতা মেহেরকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেন। তবে চালের আড়ত পরিদর্শনকালে ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে মোটা চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে এসে গেছে। ২৮ ও ২৯ চাল ৫০ কেজির বস্তা এখন ১৯৫০ টাকা। আগে যা ছিল ২১০০/২২০০ টাকা। চালের আড়তদাররা আরো জানান, সামনে চালের দাম আরো কমবে। নতুন চাল বাজারে আসতে শুরু করেছে। পেয়াজ বাজারে পাইকারী দাম প্রতি কেজি ৪০টাকা দরে, চায়না রসুন ১৮০ টাকা দরে, দেশী রসুন ১০০টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। আদার আমদানী আজকে হয়নি। কারণ ঢাকার পাইকারী ব্যবসায়ীরা পাইকারী দাম ছিল ১৮০ টাকা। যার জন্য আদা আনা হয়নি। ঢাকায় পাইকারী আদার দাম ১২০/১২৫ টাকা। আদা আসবে। তখন ১৫০ টাকা দরে পাইকারী বিক্রি হবে। ডালের দাম একটু বেশী থাকায় আমিনুল হক শামীম জানান, আপনারা ওয়ান ওয়ে ভাড়া দিয়ে ডাল আনুন। আমি ট্রাকের ব্যবস্থা করবো। যেন ডালের দাম সহনীয় হয়। বর্তমানে ক্যাঙ্গারো অর্থাৎ চিকন দানার ডাল ১৩০ টাকা কেজি, বড়দানার ডাল ৮৫/৯০টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচা তরিতরকারীর দাম কিছুটা বেড়েছে। পরিদর্শনকালে চেম্বারের সভাপতির সাথে ছিলেন প্রেসকাবের সাধারন সম্পাদক অমিত রায়, ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক নিশিতা মেহের, জেলা বাজার কর্মকর্তা জিল্লুল বারী, মেছুয়া বাজার পাইকারী ও খুচরা চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো: হাফিজুর রহমান টিপু, যুগ্ম সম্পাদক সুকুমার সাহা প্রমুখ।

ব্রেকিং নিউজঃ