| |

ঢাকা-জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ রুটে চালু হওয়া বুকিং ছাড়াই ছেড়ে গেলো পার্সেল স্পেশাল ট্রেন

আপডেটঃ 10:21 pm | May 02, 2020

Ad
মোঃ রিয়াজুর রহমান লাভলু ঃ
সারা দেশে ২৪ মার্চ থেকে রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকা অবস্থায় সরকারি সিদ্ধান্তে রেল কর্তৃপক্ষ শুক্রবার থেকে কৃষকের উৎপাদিত পণ্য, শাকসবজি, খাদ্য ও পচনশীল পণ্য পরিবহনের জন্য তিনটি পার্সেল স্পেশাল ট্রেন চালু করেন। তিনটি ট্রেনের মধ্যে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে চালু হওয়া পার্সেল স্পেশাল ট্রেনটি যথারীতি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এসেছে। কিন্তু প্রথম দিনে কৃষিপণ্য ও খাদ্যসামগ্রী বুকিং ছাড়াই ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে চালু হওয়া পার্সেল স্পেশাল ট্রেনটি শুক্রবার ঢাকা থেকে সকাল ৮টায় দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রেনটিতে পাঁচটি বগি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও রেলের অন্যান্য কর্মচারীদের জন্য একটি বগি যুক্ত রয়েছে। বেলা ১টা ৫৪ মিনিটে ট্রেনটি জামালপুর রেলস্টেশন থামে। এই স্টেশনে দুই ব্যক্তির ২৩ মার্চ বুকিং করা ২৪টি পার্সেল নামানো হয়। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পার্সেলগুলো নামায় স্টেশনের পার্সেল বুকিং সেকশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কুলি শ্রমিকরা।
পার্সেলগুলোয় একজনের কিছু ফার্নিচার সামগ্রী এবং অন্যজনের মশারি তৈরির কাপড় ও অন্যান্য সামগ্রীর একটি বড় পার্সেল ছিল। এ ছাড়া ট্রেনটিতে সরকার ঘোষিত কৃষিপণ্য, খাদ্য ও পচনশীল কোনো পণ্যের পার্সেল বুকিং হয়ে আসেনি। এ সময় জামালপুর স্টেশন মাস্টার শেখ উজ্জল মাহমুদ, জামালপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাপস চন্দ্র পণ্ডিত ও স্টেশনের প্রধান পার্সেল সহকারী মিনহাজুল আবেদীন উপস্থিত ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেওয়ানগঞ্জ বাজার রেলস্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার আব্দুল বাতেন বলেন, আজকে এখান থেকে কেউ কোনো পণ্য বুকিং করেননি। সরকার কৃষিপণ্য ও পচনশীল পণ্য পরিবহনের জন্য ট্রেনটি চালু করলেও কৃষক এবং কৃষিপণ্য, খাদ্য ও পচনশীল পণ্যের ব্যবসার সাথে জড়িতরা হয়ত জানেন না বিধায় ট্রেনটি আজকে খালি গেলো।
জামালপুর রেলস্টেশন মাস্টার শেখ উজ্জল মাহমুদ বলেন, পার্সেল স্পেশাল ট্রেন চালু করায় জামালপুর জেলার কৃষক ও কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীদের জন্য অনেক সুবিধা করে দিয়েছে সরকার। ট্রাকে পণ্য পরিবহনের চাইতে ট্রেনে পরিবহন খরচও অনেক কম লাগবে। আজকে প্রথম দিন বলেই হয়ত কোনো কৃষিপণ্য বুকিং হয়নি। স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের কৃষি বিভাগ এমনকি রেলকর্তৃপক্ষ ট্রেনে পণ্য পরিবহনের বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা চালালে হয়তো অনেকেই ট্রেনে কৃষি পণ্য বুকিং ও পরিবহনে উৎসাহী হবে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ