| |

টিসিবির পর্যাপ্ত মালামাল সহ গাড়ী না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থিতিশীল করতে পারে

আপডেটঃ 2:35 pm | May 06, 2020

Ad
স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরের অস্থিতিশীল বাজার নিয়ন্ত্রনে রাখতে টিসিবির পন্য সরবরাহের গাড়ী ও পর্যাপ্ত মালামাল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে হবে। তবে বর্তমানে টিসিবি থেকে যে পরিমান মালামাল গাড়ীতে সরবরাহ করা হয়, তা চাহিদার তুলনায় কম বলে ভোক্তারা দাবী করেছে। তবে টিসিবির স্থানীয় প্রধান মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান,গাড়ীতে যে পরিমান মাল সরবরাহ করা হয় তার থেকে অনেক মালামাল ফেরৎ অাসে। কি পরিমান মালামাল ফেরৎ অাসে জানতে চাইলে তিনি বেলা দেড়টায় ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন,অামি রোজা রেখেছি। বেশী কথা বলতে পারবো না বলে মোবাইলের লাইন কেটে দেন।
মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, নগরের ৩৩ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রতিদিন ১০ টি গাড়ীতে মালামাল সরবরাহ করা হয়। একটি ইউনিয়নে ৩ টি গাড়ীতে মাল দেয়া হয়। ধোবাউরা বাদে ১২টি উপজেলায় মাল যায়। তবে প্রতিদিন সব ইউনিয়নে মাল যায় না। নগরের ১০টির সাথে একটি মাত্র উপজেলায় মাল পাঠানো হয়। বাই রোটেশন প্রতিদিন একটি করে উপজেলায় টিসিবির মাল পাঠানো হয়।
এদিকে নগরে প্রতিদিন মাল দেয়া হয় না বলে ভোক্তারা জানিয়েছেন। শুক্রবার ও শনিবার কোথাও মাল সরবরাহ করতে দেখা যায় না। যার কারনে একটি উপজেলায় মাসে দুবারের বেশী মাল পাঠানো হয় না।
টিসিবির কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম অারো জানান, অাগে যেখানে ১ হাজার কেজি মাল সরবরাহ করা হতো, সেখানে এখন ৩৬শ কেজি মাল সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে একটি গাড়ীতে চিনি ১ হাজার কেজি,ডাল ২শ কেজি,ছোলা ৮শ কেজি,তেল ১৫শ কেজি ও খেজুর ১শ কেজি মাল গাড়ীতে দেয়া হয়। এরমধ্যে ছোলা, খেজুর ওচিনি ফেরৎ অাসে।
এদিকে নগরের মানুষ দীর্ঘ লাইন দিয়ে টিসিবির পন্য ক্রয় করতে দেখা যায়। এখান থেকে অনেকে স্ত্রী পুত্র ও কন্যাদের দিয়ে সোয়াবিন তেল কিনে দোকানে ২০/২৫ টাকা লাভে বিক্রি করতে দেখা যায় বলে একজন অভিযোগ করেছেন। দীর্ঘ লাইনের কারনে অনেকে মাল কিনতে লজ্জাবোধ করেন। ভোক্তাদের একটি বৃহৎ অংশের দাবী নগরের ৩৩ টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন কমপক্ষে দুটি গাড়ী দিয়ে মাল সরবরাহ করলে রমজানের বাজারে ব্যাবসায়ীরা নানা অজুহাতে দ্রব্যমূল্য বাড়াতে পারতো না। যদি টিসিবি সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ টি গাড়ী ও সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে টিসিবির মাল সহ একটি গাড়ী ভোক্তাদের সরবরাহ নিশ্চিত করতো,তবে রমজানের বাজারে ক্রেতারা নির্ধারিত মূল্যে তাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করতে পারতো। ফলে অসাধু ব্যাবসায়ীরা বাজার অস্থিতিশীল করতে পারতো না। টিসিবির চিনি প্রতিকেজি ৫০ টাকা,তেল ৮০ টাকা লিটার,ছোলা ৬০ টাকা,ডাল ৫০ টাকা বিক্রি হয় বলে জানা গেছে। খেজুরের দাম জানা যায়নি।
টিসিবির কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলামের অাচার অাচরন ভাল না হওয়ায় সব তথ্য জানার অাগেই রোজার দোহাই দিয়ে লাইনটি কেটে দেন। অামাদের প্রত্যাশা থাকবে করোনার ক্রান্তিলগ্নে বাজার যখন অস্থিতিশীল করার পায়তারা হচ্ছে, তখন একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অাচার অাচরনে সৌজন্যবোধ থাকা নিতান্ত প্রয়োজন। নগরের ১০ টি গাড়ী কোথায় কোথায় টিসিবির মালামার বিক্রি করে তা তিনি জানেন না।

 

ব্রেকিং নিউজঃ