| |

“জয়বাংলা বলতে বলতে সাংবাদিক”

আপডেটঃ ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ | মে ০৭, ২০২০

Ad

বীরমুক্তি যোদ্ধা, রফিক উদ্দিন ভুঁইয়া, শামসুল হক,অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এড ওয়াজেদুল ইসলাম নাজিম উদ্দিন আহমেদ,, এড জহিরুল হক খোকা ,দের নেতৃত্বে ময়মনসিংহের রাজপথে ৭৫ পরবর্তী সময়ে থেকে স্বৈরাচারবিরোধী, গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার,জামাত জোট সরকারের পতনের আন্দোলনে আমিনুল ইসলাম তারা,সাদেক খান মিল্কি টজু,এড,মোয়াজ্জেম হুসেন বাবুল এহতেশামূল আলম ,অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান গোলাম সরোয়ার দের সাথে লড়াই সংগ্রাম করেছি। তংকালিন ছাত্রলীগ,যুবলীগ,শ্রমিক লীগ,কৃষকলীগের ভাইদের সাথে নিয়ে শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে মুজিব হত্যার বিচার চাই,জয়বাংলা শ্লোগানে শ্লোগালে মূখরিত করেছি রাজপথ।তারপর রাজনীতির বিশেষ প্রয়োজনে সাংবাদিতা শুরু করলাম মেয়র ইকরামূল হক টিটু ও আমিনুল হক শামিমের উংসাহে,সহযোগিতায়, এই জন্য তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সাংবাদিকতায় এসে বুজলাম সত্য,ও বিবেকর উপর নির্ভর করে সাংবাদিকদের সাংবাদিকতা করতে হয়। কিন্তুু এটা করতে গিয়ে অনেক প্রিয়জন দুরে সরে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে গাধা,শয়তান বলে গালীও খেয়েছি।কেউ হুমকিও দিয়েছে। সত্য,কথা বলতে কি সাংবাদিকতা করতে এসে আমার রাজনৈতিক জীবন ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে।এ প্রসঙ্গে মোহিত উর রহমান শান্তর একটি কথা ভীষন ভাবে মনে পরছে সে বলেছিল “কাকা একজন আঃলীগের দুঃসময়ের কর্মী হিসাবে তোমাকে অতীতে শ্রদ্ধা করেছি এখনও করি,জীবনে কোনদিন অসন্মান করি নাই আগামীতেও করব না কিন্তু তোমার জন্য কিছু করতে পারি নাই তোমার সাংবাদিকতার জন্য”। একথাগুলি লিখলাম এইজন্য করোনা রাজনীতিকে বদলে দিবে বিবেকের তাড়নায় হয়ত সত্য,বাস্তবতার আলোকে লিখতে হবে কেউ কষ্ট পাবেন না। সর্বশেষ আমি যাদের সাথে সহকর্মী হিসাবে রাজনীতি করেছি তাদের সবার নাম লিখতে পারলাম বলে ক্ষমা প্রার্থী। যদি বেঁচে থাকি আবার দেখা হবে রাজনীতির রাজ পথে কিংবা লেখায়।

ব্রেকিং নিউজঃ