| |

“-বাংলাদেশকে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে-“

আপডেটঃ ৩:৩৭ পূর্বাহ্ণ | মে ১১, ২০২০

Ad

প্রদীপ ভৌমিক

১৯৮০ সাল থেকে চীন করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষনা শুরু করেছে।অনেকের ধারনা বিশ্বে আধিপত্য বিস্তারের জন্য চীন এই ভাইরাসটিকে ব্যাবহারের পরিকল্পনা করছিল।ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত যেকোন কারনেই হউক ভাইরাসটি ব্যাপকভাবে আছরে পরে পৃথিবীতে।সৃষ্টি করে মহাবির্যয়ের।
আমেরিকা যখন নিউক্লিয়াস নিয়ে কাজ করছে চিন তখন ভাইরাস নিয়ে।উদ্দ্যেশ্য একটাই আধিপত্য বিস্তার।আর ভারত, ইসরাইল সহ অপরাপর আধিপত্য বাদী দেশগুলি তিলে তিলে গড়ে তুলেছে নিঃছিদ্র প্রতিরক্ষা ব্যাবস্হা।জাপানে ডিফেন্স ফোর্স গঠন করা আন্তর্জাতিক ভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তুু জাপান তার প্রতিরক্ষা খরচটিকে শিক্ষাখাতে ব্যায় করে শিল্প সাহিত্যের পাশাপাশি তার বাচ্চাদের শেখায় রনকৌশন। এলিট ফোর্স নেই তার পরও জাপানের ১০০% নাগরিক সামরিক কৌশল সমন্ধে জ্ঞান রাখে। শিল্প ও প্রযুক্তি খাতকে প্রভূত উন্নয়ন করে অর্থনৈতিক খাতকে শক্তভিত্তির উপর দাড় করিয়েছে জাপান। আর বাংলাদেশে মোরাল এডুুকেশনকে তুলে দিয়ে শিক্ষা ব্যাবস্হাকে ধংস করে দেওয়া হল।টেলিযোগাযোগ ব্যাবস্হা ছেলে মেয়েদের টিভি,ফেইসবুকে ঢুকিয়ে দিয়ে খেলার মাঠ থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।ভেজাল ও রাসায়ানিক মিশ্রিত খাবার আমাদের সন্তানদের শারিরীক ভাবে দূর্বল করে ফেলেছে টাকার লোভে ডাক্তাররা মায়েদের পেট কেটে সিজারের নামে প্রিম্যাচিউর বেবী বের করে আনছে।মেধা ও বুদ্ধিতে তারা হচ্ছে দূর্বল।ছাত্রদের ছাত্ররাজনীতিতে সন্পৃত করে অনৈতিক পথে চলতে সাহায্য করছে।একটি দেশের ভবিষৎ ধংস করার যা যা দরকার তার সবকিছু এ্যপ্লাই করা হচ্ছে। নেই বলিষ্ঠ পরাষ্টনীতি,নেই বিজ্ঞান গবেষনায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের হাতে বি সি এসের গাইড ধরিয়ে দিয়ে অনুগত আমলা তৈরী করা হচ্ছে। ডাক্তার, কৃষিবিদরা হচ্ছে পুলিশ, বিচারক কিংবা প্রশাসনিক আমলা। রাজনৈতিক দলগুলি মনের মাধুরী মিশিয়ে ইতিহাস বিকৃত করে চলেছে। শিক্ষা,স্বাস্হ্য,পরারাষ্ট্রনীতি,বিজ্ঞান,ইতিহাস,রাজনৈতিক দুরদর্শীতা, অর্থনৈতিক,পরিবেশ,সাংস্কৃতি যেকোন সূচকে আমরা পিছনে পরে আছি অন্যান দেশের চাইতে। ফ্লাইওভার,দুই একটি সেতু কিংবা মেট্রোরেল জাতীয় উন্নয়নের সূচক নয়।অর্থনৈতিক ভিত্তি হল উন্নয়নের চাবি কাঠি।বাংলাদের অধীকাংশ ছেলে মেয়েদের চাকরীর জন্য তৈরী করা হয় কোন কিছু সৃষ্টির জন্য নয়।বাংলাদেশ হল অন্যান উন্নয়নশীল দেশের বাজার। ২০ কোটি মানুষের এই বাজারটি হল ৩য় শ্রেনীর পন্যের। আমরা হলাম পোশাক তৈরীর শ্রমিক।একটি ভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য আমরা অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। ভ্যাকসিন যদি অন্যদেশ আমাদের না দেয় তাহলে পুরোজাতী ধংস হয়ে যেতে পারে কিন্তুু আমাদের ডাক্তার বৈজ্ঞানিকরা তাদের নিজস্ব গন্ডির বাইরে কর্মে নিয়োজিত। চায়না যখন ১০ বৎসরের মধ্য পৃথিবী শাসনের সপ্ন দেখে,আমেরিকা গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ঘুড়ে বেরাচ্ছে মহাশূন্যের নিয়ন্ত্রনের জন্য,ভারত একের পর এক নিউক্লিয়াসের পরিক্ষা করছে। আর তখন আমরা ব্যাস্ত স্বাধীনতার ঘোষনা কে দিয়েছিল এ গবেষনায়। মিথ্যাকে সত্য বলে প্রতিষ্টার এ প্রচেষ্টায়। দুনিয়া যখন স্পেস ট্রেভেলে ব্যাস্ত আমরা তখন মেট্রোরেল নিয়ে গর্বীত। আমাদের দ্রুত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে আসতে হবে তা নাহলে পৃথিবীতে পিছনের সারিতে আছি পিছনের সারিতেই থাকব।

 

ব্রেকিং নিউজঃ