| |

করোনা যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি মেয়র ইকরামূল হক টিটু

আপডেটঃ 10:32 am | May 12, 2020

Ad

প্রদীপ ভৌমিক

ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামূল হক টিটু ময়মনসিংহে করোনা বিরোধী যুদ্ধে প্রধান সেনাপতির ভূমিকা পালন করছেম। টিটু ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর তার কর্মী সমর্থকদের অভিনন্দনের জবাবে বলেছিলেন “”আপনারা ময়মনসিংহের উন্নয়ন ও আপনাদের কল্যানের জন্য আমার উপর আস্হা রেখে মেয়র নির্নাচিত করেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনবাসীর সুখ,দুঃখ বিপদে আপদে আপনাদের পাশে থাকার জন্য আঃলীগের পক্ষ থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। আমি কথা দিচ্ছি যতদিন বেঁচে থাকব জাতী ধর্ম নির্বিশেষে সবার পাশে আপন জন হয়ে থাকব” টিটু তার কথা রেখেছেন যার প্রমান করোনার বির্পযয় শুরু হওয়ার পর থেকে ময়মনসিংহবাসী প্রত্যক্ষ করছে। তিনি জীবন বাজীরেখে মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে ছুটে বেড়াচ্ছেন শহরের এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে নাগরিকদের খোজ খবর নেওয়ার জন্য।যখন কোন জনপ্রতিনিধী কিংবা রাজনৈতিক নেতারা মাঠে ময়দানে নেই করোনার বিরুদ্ধে মেয়র টিটু তখন জন সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় শহরের বিভিন্ন স্হানে হাত ধোয়ার কর্মসূচীটি সর্বপ্রথম চালু করেন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে সর্বস্তরের মানুষের কাছে লিফলেট বিতরন সহ সচেতনতামূলক কর্মকান্ড প্রত্যক্ষভাবে চালাতে থাকে। তাকে অনুসরন করে পরবর্তীতে জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে অন্যান সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনগুলি সচেতনতামূলক কাজ শুরু করে। লক ডাউন শুরু হলে অতি দরিদ্র,নিন্ম মধ্যবিত্ত,মধ্যবিত্ত,ও কর্মবিহীন হয়ে পরা শ্রমজীবি ও বস্তীবাসীর মাঝে খাদ্যসহায়তার কাজটি শুরু করেন নিজস্ব অর্থায়নে। পরবর্তীতে সরকারের ত্রান মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে ৬১৭ মে,টন চাল,২২৮০০০০ টাকা শিশু খাদ্যের জন্য৪০০,০০০ টাকা প্রদান করা হয়।মেয়র টিটু সরকারেট বরাদ্দকৃত ত্রান সামগ্রী ৩৩ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলারদের মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে তালিকা প্রস্তুত করে বন্টনের ব্যাবস্হা করেন। ১০,৫,২০ তারিখ পর্যন্ত সরকারের ত্রান ৭৭ হাজার পরিবারের কাছে পৌছে দেওয়া হয় টিটুট নির্দেশে।সরকার প্রদত্ত নগদ টাকা দিয়ে চালের সাথে আলু, লবন ও মুসুরী ডাল প্রদান করা হয় তাছাড়া মেয়র টিটু তার নিজস্ব অর্থায়নে ৪৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা করেন। দাতাদের কাছ থেকে সংগ্রহীত আরও ৫০০০ হাজার ব্যাগ খাদ্যসামগ্রী তিনি দুস্হদের মাঝে বিতরন করেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ থাকে যে গনপূর্ত ও গৃহায়ন প্রতি মন্ত্রী শরিফ আহমেদ,শহরবাসীকে দেড়হাজার ও চেন্বার অব কর্মাসের সভাপতি আমিনুল হক শামিম (সি আইপি) চার হাজার ব্যাগ খাদ্যসামগ্রী সিটি কর্পোরেশনে বিতরন করেন।৩৩টি ওয়ার্ডে ৬৮০০টি পরিবারের মধ্য প্রধান মন্ত্রী ঘোষিত বিশেষ ত্রান কর্মসূচি শুরু করা হচ্ছে। টিটুর প্রচেষ্টায় ৫৮হাজার পরিবার মানবিক সহায়তা এবং ১৮ হাজার পরিবার করোনা সংকটের জন্য বিশেষ ও এম এস কার্ড পাবেন সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকরা।সমাজের যেসমস্হ নাগরিকরা আত্মমর্যদার জন্য প্রকাশ্যে ত্রান গ্রহন করতে বিব্রত বোধ করতে পারেন তাদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক কিংবা আঃলীগ দলীয় নেতা কর্মীদ্বারা সাহায্য সামগ্রী মেয়র টিটু বাড়ীতে পৌছে দিচ্ছেন। এছাড়াও তিনি্ আঃলীগ,যুবলীগ,শ্রমিকলীগ,কৃষকলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছাত্রলীগ,তাঁতীলীগ,মৎজীবিলীগ,সাংস্কৃতিক কর্মী,পেশাজীবি সংগঠন,সাংবাদিক,ব্যাবসায়ীনেতা, নাগরিক আন্দোলনের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী উপহার দুস্হ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছেন।যাতে কেউ খাদ্যাভাবে কষ্ট না করে।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শহরকে পরিছন্ন রাখার জন্য সিটি কর্পোরেশনের ড্রেইন সমুহ পরিস্কার করে জীবানুনাশক প্রয়োগ,শহরের অলিতে গলিতে রাস্তা সমূহকে জীবানু মুক্ত করন সহ সিটি কর্পোরেশনকে অপরাধমুক্ত রাখার জন্য সর্বাত্তক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সারা বাংলা দেশে তিনি প্রথম ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য জনবহুল এলাকা থেকে কাচাঁবাজার সরিয়ে ফাঁকা জায়গায় স্হানান্তর করেছেন যা সর্বমহলে প্রসংসিত হয়েছে। চলমান মানুষকে জীবানুমুক্ত রাখার জন্য তিনি শহরের বিশেষ বিশেষ জায়গায় জীবানু মুক্ত প্যানেল স্হাপন করেছেন।
এক কথায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনবাসীকে করোনা ভাইরাসের কাছ থেকে সুস্হ রাখার জন্য যে মানুষটি জীবন বাজীরেখে কাজ কাজকরে যাচ্ছেন তিনি হলেন মেয়র ইকরামূল হক টিটু।তাকে ময়মনসিংহের নাগরিকরা চলমান করোনা যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি রুপে আখ্যায়িত করে।

 

ব্রেকিং নিউজঃ