| |

ময়মনসিংহে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন

আপডেটঃ 12:36 am | May 21, 2020

Ad
ময়মনসিংহে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হয়েছে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিপত্র জারি করেছেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল। এতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল করার দাবি ছিল বিএমএ ও স্বাচিপ এর। এই দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও আন্তরিক সহযোগিতা করেছেন মাননীয় গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জনাব শরীফ আহমেদ এমপি, মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার, মাননীয় জেলা প্রশাসক, জেলা ও বিভাগীয় পুলিশ প্রশাসন সহ বিভিন্ন প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য প্রশাসন সহ নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক , পেশাজীবি, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বগণ ।
বিএমএ, ময়মনসিংহ জেলা শাখা ও স্বাচিপ এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এমএ আজিজ ভাইয়ের প্রতি যার সহযোগিতা না পেলে এই পরিপত্র জারি হতে হয়তো অনেক সময় লাগতো বা পরপত্রটি আদৌ জারি হতো কিনা কে জানে ! স্বাস্থ্য সচিব মহোদয় বরাবর মার্ক করা পত্র ডাইরেক্টর হসপিটালস মহোদয়ের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সারা বাংলার চিকিৎসক সমাজের প্রানপ্রিয় নেতা স্বাচিপ মহাসচিব আজিজ ভাই। গত পরশু এব্যাপারে আমার সাথে বিস্তারিত কথা হয় আজিজ ভাইয়ের। উনার একান্ত প্রচেষ্টায় অতি দ্রুততম সময়ে এই পরিপত্র জারি হয়েছে। এসব কথা আমাদের চিকিৎসকদের জানানো আমার কর্তব্য বলেই আমি মনে করি।
বিএমএ ও স্বাচিপ এর এই দাবির প্রতি জোড়ালো সমর্থন ও আন্তরিক ভূমিকা রাখার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জনাব শরীফ আহমেদ এমপি, বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় , বিভাগীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক মহোদয়, মেয়র মহোদয়, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), পুলিশ সুপার মহোদয়, সিভিল সার্জন মহোদয়, জেলার রাজনৈতিক, পেশাজীবি ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক ভাইদের প্রতি।
আরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের প্রিয় চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও শুভানুধ্যায়ী বন্ধুদের।
কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের দাবী পূরণ হয়েছে এবং আমরা আমাদের ময়মনসিংহের মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে পেরেছি বলেই আমার মনে হয়। শুধু এইটুকু বলতে পারি আমাদের ময়মনসিংহে করোনা আক্রান্ত কাউকে অক্সিজেনের অভাবে মরতে হবে না। আমাদের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও ময়মনসিংহের মানুষ এখন ভালো একটি চিকিৎসা পাবে।
ইমার্জেন্সির সামনে ডব্লিউএইচও এর গাইড লাইন অনুযায়ী ট্রায়াজ সিস্টেম এর মাধ্যমে রোগীদের স্বার্থে ৩টি জোন থাকবে। ট্রায়াজ থেকে ননকোভিড রোগী সোজা গ্রীণ জোনে, কোভিড রোগী রেড জোনে এবং সাসপেক্টেড রোগী ইয়েলো জোনে যাবে। ইয়েলো জোনের রোগীদের PCR টেস্ট হওয়ার পর কোভীড পজিটিভ হলে রেড জোনে যাবে এবং নেগেটিভ হলে গ্রীন জোনে যাবে। অর্থাৎ এই সিস্টেম হওয়ায় কোভিড ও নন কোডিড দুই ধরনের রোগীরাই ভালো সেবা পাবেন এবং আমাদের চিকিৎসকরাও নিশ্চিন্তে তাদের কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন। মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল স্যারের সাথে কথা বলে রেখেছি ইয়েলো জোনে থাকা রোগীদের জন্য দ্রুত স্পেশাল ভাবে টেস্ট করতে যাতে সাসপেক্টেড রোগীদের কষ্ট না হয়।
আল্লাহ রাব্বুল আমাদের সহায় হোন। আমিন।

 

ব্রেকিং নিউজঃ