| |

ময়মনসিংহে ক্রয় উদ্বোধনে নিন্মমানের চাল সরবরাহ, বরাদ্ধ বাতিলের নির্দেশ

আপডেটঃ ৮:০৪ অপরাহ্ণ | মে ২১, ২০২০

Ad

ময়মনসিংহে: স্বচ্ছ ও দুর্ণীতি মুক্ত জনপ্রশাসন কে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে কাজ করছেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন। আর এরই মাঝে কিছু অসাধু ব্যক্তিদের কারণে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চলতি বছরে অভ্যান্তরিন খাদ্য শষ্য সংগ্রহ অভিযানে নিন্মমানের চাল সরবরাহের ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে জেলা প্রশাসনের ভেতরে বাইরে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরে অভ্যান্তরিন খাদ্য শষ্য সংগ্রহ অভিযানে নিন্মমানের চাল সরবরাহ করেছেন হাজী এরশাদ আলী। গত ১৮ মে সোমবার সদর উপজেলার সিএসডিতে এই ক্রয় অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের চোখে ধরা পড়ে এ অনিয়ম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় সরবরাহকৃত চালের আদ্রতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন খোদ জেলা প্রশাসক। কারণ এ চালের আদ্রতা সাড়ে ১৪ থেকে সাড়ে ১৫ পার্সেন্ট। সেই সাথে চাল সরবরাহের বস্তা গুলিও নিন্মমানের। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জেলা প্রশাসক অভিযুক্ত মিলগুলোর বরাদ্ধ বাতিল করে কালো তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে। খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হামানুর রহমান সরকার। তবে তিনি দাবি করেন, চালের মান খারাপ নয়। আদ্রতা একটু কম। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সূত্র জানায়, চলতি বছরে সদর এলাকায় প্রায় ১৩ শত মিট্রিক টন চাল সরকারী ভাবে ক্রয়ের বরাদ্ধ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন চাল একাই সরবরাহ করছেন হাজী এগ্রো রাইস মিল ও হাজী অটোর মালিক হাজী মোঃ এরশাদ আলী। সূত্রমতে, হাজী এরশাদ খাদ্য বিভাগে একজন চিহ্নিত দূর্নীতিবাজ। এর আগে তাঁর নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট নামে-বেনামে মিল দেখিয়ে খাদ্য বিভাগের হাজার হাজার টন ধান-চাল লুটপাট করা সহ নানান অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগে সদর এলাকার ২২টি মিল কালো তালিকাভুক্ত করে সরকার। কিন্তু কিছুদিন পর রহস্যজনক ভাবে জেলা প্রশাসকের কাছে মুছলেকা দিয়ে ফের বরাদ্ধ ভাগিয়ে নেন কালো তালিকাভুক্তরা। এ বিষয়ে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, নিন্মমানের চাল সরবরাহের বিষয়টি তদন্থ করে ব্যবস্থা নিতে জেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ