| |

“স্বয়ংক্রিয় জীবানুনাশক ট্যানেল ও কিছু কথা”

আপডেটঃ 12:01 pm | May 27, 2020

Ad

প্রদীপ ভৌমিক :

করোনা যখন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে বিস্তার লাভ শুরু করল ময়মনসিংহের নাগরিকদের করোনা ভাইরাসের জীবানু থেকে রক্ষার জন্য মেয়র টিটু উন্নত দেশ গুলিকে অনুসরন করে ময়মনসিংহ শহরে ১২টি স্বয়ংক্রীয় জীবানু নাশক ট্যানেল প্রস্তুুত করে ৮টি শহরের জনবহুল জায়গায় স্হাপনের জন্য প্রদান করেন।বাকি৪টি এখনও বিতরন করা হয় নাই।ইতি মধ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জীবানু নাশক ট্যানেলগুলিকে নিয়ে নানারুপ নেতিবাচক কথা উঠছে। কেউ কেউ লিখেছে অধীকাংশ ট্যানেল অল্প কয়েকদিন য়েতে না যেতেই তা বিকল হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে মেয়র টিটুকে জ্ঞিগেশ করা হলে তিনি বলেন কথাটি সঠিক নয়।জীবানু নাশক ট্যানেলগুলি ঠিক আছে কিন্তুু ব্যাবহার না করার জন্য তা বন্দ্ধ আছে।কেন ব্যাবহার করা হচ্ছে না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সিটি কর্পোরশন জীবানুনাশক ট্যানেলগুলি স্হাপিত এলাকার বিভিন্ন সংগঠন, সংস্হা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চাহিদা অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে বিনামূল্যে সরবরাহ করেছে। শর্তছিল ট্যানেলের জীবানু নাশক ঔষধ,জল ও ট্যানেল চালানোর জন্য পাওয়ার ও অপারেট সংশ্লিষ্ট ব্যাবহার কারিরা ব্যাবস্হা করবে।রক্ষনা বেক্ষনের দায়িত্বও তাদের। মেয়র টিটু উদাহারন দিয়ে বলেন মেছুয়া বাজার ও ছোট বাজারের প্রবেশ মুখের ট্যানেলগুলি পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিল বাজারের ব্যাবসায়ী সমিতি ও বনিক সমিতির একজন শীর্ষ কর্মকতা। কিন্তু তারা সে দায়িত্ব পালন করেনি।কথা দিয়ে কথা রক্ষা না করার কারনে জীবানু নাশক ট্যানেলদূটি বন্ধ হয়ে যায়।এমনকি বিভিন্ন পন্যবাহী যানের আঘাতে ট্য্যনেগুলি ক্ষতিগ্রস্হ হয়। পরবর্তীতে ট্যানেলদুটি সরিয়ে একটি বড় মসজিদের প্রবেশ পথে অন্যটি ঈদগাঁমাঠের প্রবেশ পথে স্হাপন করা হয়েছে।জেলা প্রসাশক কার্যালয়ের সামনে,পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে, সিটি কর্পোরেশনের অফিস, ফুলবারীয়া সহ বিভিন্ন স্হানে সিটি কর্পোরেশন জীবানু নাশক ট্যানেলগুলি পূর্বে উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে প্রদান করা হয়েছে।গনপূর্ত প্রতি মন্ত্রীর বাসভবনের রাস্হায় স্হাপিত ট্যানেলটি বন্ধের কারন এই প্রজেক্টির সাথে সংশ্লিষ্ট ওয়ারেশ বাবু জানান ব্যাপারটি এই প্রথম শুললাম।উক্ত ট্যানেলটিও সঠিক ভাবে পরিচালনা না করার কারনে বন্ধ কিনা তা দেখে বলতে হবে। কথা প্রসঙ্গে বাবু আরও বলে জীবানু নাশক ট্যানেলগুলি সব চাইতে কম মূল্যে সরবরাহ করেছে সরবরাহ কারি প্রতিষ্ঠান যার মূল্য ২৩৩০০(তেই হাজার তিনশত) টাকা মাত্র।ময়মনসিংহ সহ সারা বাংলা দেশে এত কম মূল্য আর কোথাও এটি স্হাপন করা সন্ভব হয় নাই।তাই এটি অর্থ অপচয়ি প্রজেক্ট নয় বরন্চ অর্থ সাশ্রয়ী জনকল্যান মূলক প্রজেক্ট হিসাবে বিবেচিত।

ব্রেকিং নিউজঃ