| |

অজানা অতীত”

আপডেটঃ 11:55 pm | May 27, 2020

Ad

প্রদীপ ভৌমিক
ভাষা সৈনিক, বীরমুক্তিযুদ্ধা ময়মনসিং জেলা আঃলীগের প্রানপুরুষ মরহুম শামসুল হক এম,পিকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি। এ প্রজন্মের অনেকের কাছে ঘটনাটি অজানা। যাদের কাছে জানাছিল তাদের অনেকেই আজ প্রয়াত।আমার জানামতে জীবিত আছেন তৎকালিন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার ছাত্রলীগের সভাপতি বর্তমানে গৌরিপুর উপজেলার এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ। তিনি প্রত্যক্ষ সাক্ষী। ঘটনাটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে মেঘালয়ের ঢালু ভিআইপি ক্যান্পে। আমি সেই সময় নাজিমভাইদের সাথে সেই ক্যান্পে কিছুদিন ছিলাম। সৈয়দ আশরাফ সহ ময়মনসিংহের অনেক আঃলীগ, ছাত্রলীগ নেতা, এমএনএ সেই ক্যান্পে অবস্হান করতেন।আবদুস সুলতান যিনি পরবর্তীতে লন্ডনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুত ছিলেন।একদিন সুলতান সাহেব হতাশায় ভূগে যখন বলছিল “এখানে আর থাকবনা,পাকিস্হান আর্মীর কাছে আত্মসমর্পন করব” কথাটি শুনার সাথে সাথে শামসু ভাই উত্তেজিত হরে কোমর থেকে রিভালবার বের করে চিৎকার করে সুলতান সাহেবের দিকে তাক করে বলল পাকিস্হান বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পনের পূর্বেই দুনিয়া থেকে তোকে বিদায় করে দিব। ক্যান্পের সিনিয়র আঃলীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে সুলতান সাহেব রক্ষা পায়।শামসুভাই বুঝতে পেরেছিলেন সুলতান সাহেব আত্মসমর্পন করলে স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে পাকিস্হানীদের অপ্রচারের সূযোগ সৃষ্টি হত। তাই তিনি সে সূযোগ দিতে চাননি।এমনি দূরদর্শী ছিলেন শামসুল হক ভাই।এর অল্প কিছুদিন পরেই সুলতান সাহেবকে স্নাধীন বাংলার অস্হায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম কোলকাতায় নিয়ে যান। একজন দূরদর্শী,অকুতভয়,সাহসী বীরমুক্তি যোদ্ধাকে প্রয়ানদিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

ব্রেকিং নিউজঃ