| |

“দায়িত্ব বেড়ে গেছে জনপ্রতিনিধি দের”

আপডেটঃ ৮:৫৩ পূর্বাহ্ণ | জুন ০৭, ২০২০

Ad

প্রদীপ ভৌমিক :
ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠের চারিদিকে দেয়াল নির্মান নিয়ে সৃষ্ট প্রতিবাদের ঝড় আপাতত কিছুটা প্রশমিত হয়েছে বলে মনে হয় ময়মনসিংহ গনপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলি রদরুল আলম খানের ষ্ট্যান্ড রিলিজ ও টেন্ডার বাতিলের ঘোষনার মধ্য দিয়ে।অনেকে প্রশ্ন তুলছেন সার্কিট হাউজ মাঠের দেয়াল নির্মানের সাথে নির্বাহী প্রকৌশলির সর্ন্পক কোথায়।কেনইবা তাকে ষ্ট্যান্ড রিলিজ করা হল। এব্যাপারটি পরিস্কার হওয়া দরকার।আমার মনে হয় তার রিলিজটি হয়েছে নিয়ম বর্হিভূত ভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া সপন্ন না করে ভিত্তি প্রস্হর স্হাপন,যেহেতু প্রল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব ময়মনসিংহ গনপূর্ত বিভাগের উপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে না জানিয়ে এক জন আমলা দিয়ে ভিত্তিপ্রস্ত স্হাপন করা।এক্ষেত্রে মন্ত্রীর সাথে যোগযোগ করে আমন্ত্রন জানানো দরকার ছিল।মন্ত্রী অপারকতা প্রকাশ করলে অন্য জনপ্রতিনিধীদের দিয়ে একাজটি করা যেত। যারা কাজটির সাথে জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে তাদের চিহৃিত করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্হা নেওয়া উচিৎ। বর্তমান পরিস্হিতিতে ময়মনসিংহের মন্ত্রীদ্বয়, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, জনপ্রতিনিধিবৃন্দের দেয়ালবিহীন সার্কিট হাউজ মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করন,জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ও তার পরিবারে শহিদদের স্মরনে মূরাল নির্মান, খেলার মাঠকে আধুনিক করনের কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্য সপন্ন করতে হবে। তানাহলে সমালোচকরা ব্যার্থতার জন্য আন্দোলনকারি ও দেয়াল ছাড়া সার্কিট হাউজ মাঠের দাবির প্রতি সমর্থনকারি জনপ্রতিনিধি, সূধীজন,ক্রীড়ামোদি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ময়মনসিংহের প্রতিবাদ কারিদের দায়ী করবে।একটি কথা মনে রাখতে হবে দেয়াল নির্মানের সমর্থকরাও কিন্তুু বসে থাকবে না।তাই আমার মনে হয় ময়মনসিংহের জনপ্রতিনিধিদের দ্রুততম সময়ের মধ্য সার্কিট হাউজ মাঠটির কাজ টেন্ডার করে সপন্ন করতে সচেষ্ট হতে হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ