| |

করোনায় বর্তমানে করনীয়

আপডেটঃ ১১:১৯ অপরাহ্ণ | জুন ২৯, ২০২০

Ad

প্রদীপ ভৌমিক :
করোনা সমন্ধে কিছু লিখতে গেলে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র টিটুর ফেইসবুক ষ্টেটাসে লিখা একটি কথা আমার সর্বাগ্রে মনে পড়ে যায়।টিটু লিখেছিল আমাদের দেশের সংগঠিত অপরাপর বির্পযয়ের সাথে করোনা ভাইরাসের বির্পযয এক নয়। তাই ত্রান বিতরন থেকে শুরু করে করোনার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে। ত্রানবিতরন কারিদের ত্রান গ্রহীতাদের মাঝে সামাজিক দুরুত্ব বজায়, সহ অপরাপর স্বাস্হ্যবিধি বিধি মেনে ত্রান কার্য ও সচেতনা মূলক কর্মকান্ড চালানোর অনুরুধ করে ছিলেন। যদি তা না করা হয় তাহলে করোনার বিস্তারের পথ সুগম হবে তিনি জানিয়েছিলেন।বাস্তবে তাই হয়েছে।সেই সময় অতি উৎসাহী কিছু ব্যাক্তির স্বাস্ব্য বিধি না মেনে ত্রান ও সচেতনতা মূলক কর্মকান্ডের ফলে আজ ময়মনসিংহে করোনা মহামারির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
দেশের করোনা সক্রমন আজ থার্ড ষ্টেইজে পৌছেছে। বিশেষজ্ঞ দের সাথে ঐক্যমত পোষন করেে মেয়র টিটু ময়মনসিংহ বাসীকে কিছু নিয়ম মেনে চলার অনুরুধ জানিয়েছেন।করোনা ভাইরাস এখন কমিউনিটি সক্রমনের পর্যায়ে।এক্ষেত্রে কি করতে হবে। যে কোন বয়সের শারীরিক ভাবে দূর্বল,ডাইবেটিস্,রক্তচাপ,কিডনি,লিভার, ফুসফুসের সমস্যা যাদের আছে তাদের ঘরের বাইরে না যাওয়া। এর কারন হল এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম।
বিশেষ প্রয়োজনে সুস্হসবল মানুষের ঘর থেকে বের হলে এভারেজ ৩ মিটার দুরুত্ব বজায় রাখতে হবে চেনা, অজানা লোকের কাছ থেকে। ভীড় ও জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।বাজার করা কিংবা অন্য প্রয়োজনে কারো সাথে কথা বলতে হলে তার দুরত্ব যদি ৩ মিটার কিংবা ১,৫০ মিটারের কম দুরত্ব হয় তাহলে অবশ্যই স্বাস্ব্যসন্মত মাস্ক ব্যাবহার করতে হবে।
যদি হাসপাতালে কোন কাজ থাকে কিংবা বাড়ীতে সন্দেহ জনক কিংবা করোনা আক্রান্ত কেউ থাকে তাহলে N95, N99, p,95 শ্রেনীর মাস্ক ব্যাবহার করতে হবে।
বাসার বাইরে কিংবা রাস্তাঘাটে ৩ মিটারের মধ্য কোন লোকজন না থাকলে মাস্ক ব্যাবহার না করলেও চলবে।
বাইরে থেকে এসে যতক্ষন পর্যন্ত হাত সাবান দিয়ে১মিনিট ঘষে না ধূয়ে নাক,মূখ ও চোখ স্পর্ষ করা যাবে না।
ঘড়ের মাঝে করোনা আক্রাত কিংবা সন্দেহ ভাজন কেউ কা থাকলে মাস্ক না পরলেও চলবে।
গরম চা,গরম কফি,গরম পানি২/১ ঘন্টা পর পর পান করা ভাল।গলার মধ্য কিছু জমে আছে এমন মনে হলে লবন মিশ্রিত গরম পানি দিয়ে গারর্গিল করতে হবে।
আধাঘন্টা ভালভাবে ধূয়ে ভিটামিন সি জাতীয় ফল বেশী করে খেতে হবে।
বাইরে থেকে আনা কেক,বিস্কুট কিংবা অন্যান খাবারের প্যকেট ধৌত করে তারপর খাবার খেতে হবে।
ঘড়ের ভিতর ঝাড়ু না দিয়ে জীবানুনাষক দিয়ে মুছতে হবে।কোন অবস্হাতেই ধূলো উড়তে দেওয়া যাবেনা ঘড়ে।ঘর পরিস্কারের সময় অবশ্যই মাস্ক ব্যাবহার করতে হবে।
কাজের লোক,বাইরেরৃ কেউ ঘড়ে আসতে চাইলে না করুন।কোন পার্সেল, খবরের কাগজ জীবানুমূক্ত না করে ঘরে নিবেন না।
ঘরের বাইরে ব্যাবহৃত জুতা স্যান্ডেল ঘরের বাইরে রাখুন।
বাইরের যেকোন ব্যাক্তিকে করোনা রোগী ভাবুন ও তার কাছ থেকে নিজকে সুরক্ষায় রাখুন।
মনে রাখতে হবে আমরা করোনার এমন একটা স্তরে পৌছেছি যেখান থেকে বাঁচার এক মাত্র উপায় নিজের সুরক্ষা নিজে করা।(কিছু অংশ সংগ্রহীত)

ব্রেকিং নিউজঃ