| |

শিশুর ব্রংকিওলাইটিসে সাবধানতা

আপডেটঃ 7:42 pm | February 29, 2016

Ad

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীত ও বসন্তের প্রথমদিকে সাধারণত শিশুর ব্রংকিওলাইটিস বা শ্বাসকষ্টের রোগ দেখা দেয়। তবে এখন সব ঋতুতেই শ্বাসকষ্টের অসুখে শিশু আক্রান্ত হচ্ছে। শিশুর জন্মের পর থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত যে কোনো সময়ে এই রোগ হতে পারে। তবে ২ থেকে ৬ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে ব্রংকিওলাইটিসের প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে। তাই দরকার প্রয়োজনীয় সাবধানতা।

রেসপাইরেটোরি সিনসাইটিয়াল ভাইরাস (আরএসভি) এর প্রধান কারণ। তবে প্যারাইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, এডিনো ভাইরাস, মেটানিউমো ভাইরাস ও মাইকো প্লাজমা দিয়েও এ অসুখ হতে পারে। শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের এক গবেষণায় দেখা যায়, শ্বাসকষ্টের অসুখের ৮০ ভাগ এর বেশি শিশু আরএসভি দ্বারা আক্রান্ত।

দুই থেকে তিন দিনের সর্দি, কাশি, জ্বর এবং শিশুদের হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে শিশুর জ্বর তেমন বেশি হয় না। কোনো কোনো শিশু শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি প্রচুর কান্নাকাটি করে। খাবারে অনীহা দেখায়। অনেক ক্ষেত্রে বমিও হয়। বুকে বাঁশির মতো শব্দ হয়। শিশুর লিভার ও কিছু ক্ষেত্রে প্লিহা হাতে অনুভব করা যায়। চিকিৎসায় অনেক সময় ব্রংকিওলাইটিসকে হার্ট ফেইলিওর বলে ধারণা করতে পারেন। যদি শিশু ১ বছরের নিচের হয় এসব সমস্যায় প্রথমে ব্রংকিওলাইটিস মনে করতে হবে।

ঝুঁকি কমানো

বেশিরভাগ শিশুকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা যায়। শিশুকে খোলামেলা পরিবেশে রাখা, ঘনঘন বুকের দুধ খাওয়ানো, নাক বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ স্যালাইন ব্যবহার করা যেতে পারে। অল্প সংখ্যক শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা করার প্রয়োজন হতে পারে।

সুস্থ শিশুকে ব্রংকিওলাইটিসে আক্রান্ত শিশু থেকে সরিয়ে রাখতে হবে। এখন পর্যন্ত এ রোগের কোনো প্রতিষেধক বা টিকা আবিষ্কার না হলেও যেসব শিশু প্রথম ৬ মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খায় তাদের এ অসুখের ঝুঁকি কম থাকে।

ব্রেকিং নিউজঃ