| |

পূর্বধলা উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের কি কোন দায় নেই

আপডেটঃ 10:09 am | July 16, 2020

Ad

অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা কাননবালা দেবী ও বাসনা দেবীর বসতভিটা এবং এক একর কৃষি জমি সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করে নিল আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ খান, প্রতিবাদে সেই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়ালেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ….
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ খানের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়ি ও জমি দখল নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ব্যাপারে দ্রুত প্রতিকার চেয়ে গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসক বরাবর গণস্বাক্ষরসহ অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার ১০ নম্বর নারান্দিয়া ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের। সরকারি দলের প্রভাব খাটিয়ে শাহবাজপুর গ্রামের মৃত কাশিনাথ পন্ডিতের দুই কন্যা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা কাননবালা দেবী ও বাসনা দেবীর বসতভিটা এবং এক একর কৃষি জমি সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করে নেয় আব্দুল মজিদ খান। এর আগে একই এলাকার সুভাষ চন্দ্রের স্ত্রী চিন্তা রানীর সোয়া তিন শতক জমি ও মৃত নরেন্দ্র মাস্টারের ১৮ শতক বসতবাড়ি ও দখল করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মৃত নরেন্দ্র মাস্টারের পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে এখন বাধ্য হয়ে নেত্রকোনা জেলা শহরে ভাড়া বাসায় দিন যাপন করতে হচ্ছে। এর আগে গত শুক্রবার ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষিকা কানন বালা দেবী তার পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার করে দিতে গ্রামবাসীর শরণাপন্ন হলে, হাজার হাজার মানুষ তাদের প্রিয় শিক্ষিকার পাশে এসে দাঁড়ান। সমস্বরে তারা আব্দুল মজিদকে ভূমিদস্যু হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং অবিলম্বে তার বিচার করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।
শুধু কাননবালা দেবী, চিন্তা মনি কিংবা নরেন্দ্র মাষ্টারের জমি নয়, ওই এলাকার বহু সংখ্যালঘু পরিবারের জমি সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করে নিয়েছে এই আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মজিদ খান। দ্রুত এই ভূমিদস্যু সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি এবং দ্রুততম সময়ে স্কুল শিক্ষিকা কাননবালা দেবী সহ এইপর্যন্ত যাদের জমি অবৈধভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করা হয়েছে, দ্রুততম সময়ে তাদের জমি দখলমুক্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিও জানাচ্ছি।

ব্রেকিং নিউজঃ