| |

মুক্তাগাছার পূর্ব নাম ছিল বিনোদবাড়ি

আপডেটঃ 5:57 pm | July 25, 2020

Ad

মুক্তাগাছার পূর্ব নাম ছিল বিনোদবাড়ি। ময়মনসিংহ জেলা থেকে দশ মাইল পশ্চিমে এর অবস্থান।
জমিদারীর সীমানা দেওয়ানগঞ্জ হতে শুরু করে কিশোরগঞ্জের ভৈরব এবং মেঘালয়ের সীমান্ত হতে ভালুকার ভাওয়াল পরগণা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ খাঁ আমলে তার রাজস্ব বিভাগের সবচেয়ে বিশ্বস্ত কর্মকর্তা ছিলেন শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য চৌধুরী। ১৭২৭ সালে শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য চৌধুরী নবাবের কাছ থেকে তৎকালীন আলাপসিং/আলাপশাহী পরগণার জমিদারী ইজারা নেন। আলাপশাহী পরগণার রাজধানী হচ্ছে বর্তমান মুক্তাগাছা শহর।

আলাপশাহী পরগণার (বিনোদবাড়ইই/মুক্তাগাছা) প্রথম জমিদার শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য চৌধুরী তার জমিদারী এলাকায় বসবাস করতে পারেন নি। তিনি ১৭৩৪ সালে বগুড়ার ঝাকড়ে মারা যান। ১৭৩৪ সালে শ্রীকৃষ্ণ আচার্য্য চৌধুরীর মৃত্যুর পর তার চার সন্তান রামরাম, হরেরাম, শিবরাম ও বিষ্ণুরাম আচার্য্য চৌধুরী চলে আসেন এই আলাপশাহী পরগণায়।
তারা ব্রহ্মপুত্র নদে শাখা নদী আয়মানের তীরে তাদের চার ভাইয়ের জন্য চারটি পৃথক বসত বাড়ি তৈরী করেন। মুক্তাগাছার জমিদারী হলো ১৬ হিস্যার জমিদারী। যেমন- বড়হিস্যা, মধ্যমহিস্যা, ছোটহিস্যা, আটানী বাজার, দরি চার আনী বাজার উল্লেখযোগ্য।


যা চারভাই মিলে ভাগাভাগি করে নেন। ১৭৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আঠানী জমিদার বাড়ি খ্যাত বর্তমান মুক্তাগাছা রাজবাড়ি। আর তার পাশ্ববর্তী কলেজ ভবন টি হলো জমিদার হরেরামের বাড়ি।
মুক্তাগাছা সাবরেজিস্ট্রী অফিস হলো জমিদার রামরামের বাড়ি, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন হলো জমিদার শিবরামের বাড়ি আর জমিদার বিষ্ণুরামের বাড়ির কোন অস্তিত্ব না থাকলেও তার নামে আছে রাজবাড়ির সম্মুখে অবস্থিত বিষ্ণুসাগর নামক বিশালাকার দীঘি। এই জমিদারীর এস্টেটের জমিদাররা কোন সময় রাজা, মহারাজা, রায়বাহাদুর উপাধি পেয়েছিলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ