| |

অডেল সম্পদের মালিক এক যুবরাজের কাহিনী

আপডেটঃ 10:05 pm | March 03, 2016

Ad

প্রদীপ ভৌমিক ॥ অডেল সম্পদের মালিক এক যুবরাজের কাহিনী । যিনি প্রিন্স অব বাংলাদেশ বলে খ্যাত।  মুসা বিন সমসের সম্বন্ধে লন্ডনের বিখ্যাত সানডে টেলিগ্রাফ পত্রিকায় এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল “ম্যান উইথ দ্যা গোল্ডেন গানস্”। প্রতিবেদনটি বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে পশ্চিমা জগতে দারুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। বিশ্বের প্রথম সারির এ অশ্র ব্যবসায়ীকে পৃথিবীর সর্বত্র বিশেষ করে প্রাশ্চাত্য সমাজে বাংলাদেশের সব চেয়ে ধনী ব্যাক্তিরূপে অখ্যায়িত করা হয়েছে। উনার জীবনযাত্র সম্বন্ধে জানাযায়, তিনি যে কলমটি দিয়ে স্বাক্ষর করেন সেটি এক কোটি ডলার দামের “মল্ট ব্যাংক কলম”। ফান্সের এক নির্মাতা কোম্পানী ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে এই কলমটি তৈরী করেছেন। যার মাঝে ৭হাজার ৫শতটি হিরক খন্ড ব্যবহার করা হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখ যোগ্য ব্যাপার হলো কোম্পানী এধরনের একটি মাত্র কলম তৈরী করেছে যা মুসা বিন শমসের ব্যবহার করেন। কলমটি রক্ষিত থাকে সুইজ ব্যাংকের ভল্টে। কলমটি যখন স্বাক্ষর করার জন্য ব্যবহারিত হয় তখন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নিদ্রিষ্ট স্থানে । আবার অনুরূপ ভাবে সুইজ ব্যাংকের ভল্টে ফেরত আনা হয়।
৫০লাখ ডলার দামের রোলেক্স ব্যান্ডের বিশেষ ঘড়ি উনি ব্যবহার করেন। যা ২৭ মাসের বেশি সময় ধরে তৈরী করেছে নির্মান কোম্পানী। বিশেষ ধরনের এই ঘড়িটি চুক্তি মোতাবেক একটি মাত্র তৈরী করা হয়েছে যা মুসা বিন শমসের এর জন্য। তিনি যে সমস্থ আংটি ব্যবহার করেন তার মধ্য ১৬ ক্যারেটের রুবী দিয়ে তৈরী ১টি আংটি আছে যার দাম ১০লাখ ডলার। চুনি দিয়ে যে আংটিটি তৈরী তার দাম ৫০ হাজার ডলার। তিনি কখনও ১টি স্যুট ২বার ব্যবহার করেন না। স্যুট গুলি স্বর্নের সুতা দিয়ে তৈরী। ৩লাখ ডলার মুল্যের জুতা যা হিরক খচিত। তার সংগ্রহে এ ধরনের অনেক জোড়া জুতা রয়েছে যা তিনি ব্যবহার করেন। তিনি প্রতিদিন গোলাপ পানি দিয়ে গোসল করেন। ফান্সের ইভিযান ব্যান্ডের পানি পান করেন। গুলশানে অবস্থিত উনার বাসার সাজসজ্জা অবাগ করে দেবার মত। লিভিং রুম থেকে ডাইনিং রুম গুলি দ্যুতিময় অসংখ ঝালড় দিয়ে তৈরী। মেঝে কৃষ্টাল পাথরদিয়ে তৈরী করা। ফ্লোরে স্বর্ন রূুপা দিয়ে নকশা করা ঝকঝকে কার্পেট। খাবার তৈরী করার জন্য রয়েছে বিভিন্ন দেশের ডজন খানেক প্রশিক্ষিত উচ্চডিগ্রীধারী সেফ ।
৪জন নারী দেহরক্ষী সহ ৪০জন দেহরক্ষী রয়েছে তার। বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানীর জন্য ইউরোপিয়ান দেশে তিনি নিজ প্রচেষ্টায় কাজ করে গেছেন এবং সফল হয়েছেন। বাংলাদেশের ডিপ্লোমা নার্সিং কাউন্সিলের সনদ আর্ন্তজাতিক ভাবে তার লবিং এর ফলে লাভ করে। তিনি বাংলাদেশ সরকারকে নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করে পদ্মা সেতু নির্মানের প্রস্তাব দিয়ে ছিল।
১৯৪৫ সালে ১৫ অক্টোবর ফরিদপুরে জন্ম গ্রহন করেন মুসা বিন শমসের। অশ্র ব্যবসা, তেল বানিজ্যের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েছেন তিনি।
আগামীতে আমাদের নিজ শহর ময়মনসিংহ ও বাংলাদেশের অন্যান্য ধনী ও নগদ অর্থ সম্পদ উপার্জনকারীদের সমন্ধে আমাদের অনুসন্ধিস্যু প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ