| |

ত্রিশাল পৌরসভায় ভোট যুদ্ধে মেয়র আনিস বড় ফ্যাক্টর

আপডেটঃ 9:21 pm | February 10, 2021

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ ত্রিশাল পৌরসভায় উন্নয়নের ধারা অভ্যাহ রেখেই আপাময় জনসাধারনের ভালবাসায় সকলের মনের কুটিরে জায়গা করে নিয়েছে মেয়র এ বি এম আনিসুজ্জামান আনিস। ত্রিশাল পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও মেয়র আনিছ-ই ভোট যুদ্ধে বড় ফ্যাক্টর।
পৌরসভার নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই তৎপর হয়ে উঠেছে ত্রিশাল পৌরসভার নির্বাচনে প্রার্থী ও সমর্থকরা। পৌরসভার মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই জনসংযোগ করেছেন জোরেশোরে। ত্রিশাল পৌর নির্বাচনে সাধারণ ভোটারের মাঝে একটাই আলোচনা বর্তমান মেয়র আনিছই ফ্যাক্টর। ১৯৯৮ সালে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে প্রতিষ্ঠিত তৃতীয় শ্রেণীর পৌরসভা থেকে ২০১২ সালে ত্রিশাল পৌরসভাকে ১ম শ্রেণীতে উন্নীত করেন দুবার নির্বাচিত বর্তমান মেয়র আনিছ। পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর টানা দুইবার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে যোগ দেয়া নেতা আব্দুর রশীদ চেয়ারম্যান। তার মৃত্যুর পর মেয়র নির্বাচিত হন উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ। এর মধ্যে একবার দলীয় সমর্থন নিয়ে নির্বাচন করলেও পরের বার সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন তিনি।
ত্রিশাল পৌরসভা সৃষ্টিলগ্ন থেকে আঞ্চলিকতায় ত্রিশাল ও রামপুর এ দুভাগে বিভক্ত। শুরু থেকেই দলীয় চিন্তার চেয়ে আঞ্চলিকতায় প্রাধান্য দিয়ে থাকেন ভোটাররা। বর্তমান ত্রিশাল পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে ১৪টি ভোটকেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৭ হাজার। এর মধ্যে ত্রিশাল এলাকায় ৮টি কেন্দ্রে মোট ভোটার প্রায় ১৬ হাজার আর রামপুর অংশে ৬টি কেন্দ্রে মোট ভোটার প্রায় ১২ হাজার। চার হাজার আঞ্চলিক ভোটে এগিয়ে ত্রিশাল অংশের প্রার্থীরা। এবার আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সকলেই রামপুর অংশে হওয়ায় আভ্যন্তরীন কোন্দল আর বর্তমান মেয়রের ভোট ব্যাংকের কাছে জয়ী হবার সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন দু’পাড়ের ভোটাররা। পৌরসভা শুরু হওয়ার পর থেকে কোনবারই মেয়র পদে বিজয়ী হতে পারেনি রামপুর অংশের প্রার্থীরা। ত্রিশাল অংশে হেভিওয়েট একাধিক প্রার্থী থাকলেও রামপুর অংশ থেকে ভোট নিয়েই বিজয়ী হন ত্রিশাল অংশের প্রার্থীরা। তাছাড়া বর্তমান মেয়র আনিস ব্যাপক উন্নয়ন কাজ আর রামপুর অংশকে উন্নয়নে প্রধান্য দেওয়ায় এই অংশের ভোটাররা তাকে নীরবে সমর্থন দিয়ে যান। হাল ছাড়েননি বর্তমান মেয়র এবিএম আনিছুজ্জামান। বর্তমান মেয়র এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ বলেন, গত দশ বছরের ত্রিশাল পৌরসভায় রেকর্ড সংখ্যক দেড় শত কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করেছি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার সময় ত্রিশাল পৌর শহরের কোন রাস্তায় হাঁটু সমান কাদা ছাড়া কোনো রাস্তা ছিল না। বর্তমানে পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডের এমন কোনো অলিগলি খোজে পাওয়া যাবে না যেখানে আরসিসি রাস্তা নেই। গতবার দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে জনগণ আর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের চাপেই সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ছিলাম। নির্বাচনী পথসভায় মেয়র আনিসুজ্জামান আনিস বলেন, জনগনের দেয়া পৌর টেক্সের একটাকাও আমি নেইনা। পৌরসভার উন্নয়নে কাজ করি। বিশ^ ব্যাংক এর প্রজেক্ট থেকে একটি গাড়ী এনেছি। গাড়ীর তেল খরচ ও ড্রাইভারের বেতন আমি নিজে দেই। নির্বাচনী ভাষনে অনেকেই অনেক কথা বলছে। হুমকি দমকি দিচ্ছে। নির্বাচনের আগে আমি রামপুরের অনেক মসজিদ মাদরাসায় গিয়েছি। অনেক মা বোনের সাথে দেখা করেছি। আমি তাদের মতামত নিয়েছি। তারা আমাকে জানিয়েছে আপনি নির্বাচন না করলে আমরা কেন্দ্রে যাবনা। আমি অনেক মসজিদে জনগনের মতামত নিয়েছি। আমি বলেছি যিনি নৌকা নিয়ে আসবেন আমি তার নির্বাচন করে দিব। মানুষ মসজিদে দাড়িয়ে গেছে তারা বলেছে আমরা আপনাকেও চিনি তাদের কেও চিনি। আমি ২৬ তারিখ পর্যন্ত মানুষের মতামত নিয়েছি। মঞ্চের কথা বিশ^াস করবেন না। অনেকেই বলছে কেটে নিয়ে যাবে। মারধর করবে কোন অবস্থাতেই এটি হবেনা। জনগন আমাকে বলেছে কোন অবস্থাতেই ভয় পাবেন না। রামপুরের মানুষ বলেছে গতবার পুলিশের বাড়ি খেয়েছি। তিনি বলেন, প্রতিদিন মাদরাসায় কোরআন খতম হচ্ছে। মসজিদে আমার জন্য দোয়া হচ্ছে। মানুষের চেয়ে বড় কোন ভালবাসা নেই। ত্রিশালের ২২ কিলোমিটার রাস্তায় মানুষ আজ একাকার হয়ে আছে। ত্রিশালে নৌকা হেরে গেলে আওয়ামীলীগ ক্ষমতা থেকে চলে যাবেনা। শেখ হাসিনা ক্ষমতা থেকে চলে যাবেনা। আমাকে কোন কোন নেতা বলেছেন নির্বচন থেকে সড়ে দাড়ালে আমাকে আওয়ামীলীগের সভাপতি পদ দেয়া হবে। আমি নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন চাইনি। আমার পদের দিকে কোন লোভ নেই। আমি মানুষের ভালবাসা নিয়ে থাকতে চাই। তারা যতই প্রলোবন দেখাক। ভয়ভিতি দেখাক। এটাকে কোন কিছু মনে করবেন না। কোন অবস্থাতেই এসব হবেনা। তিনি বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রয়ারী নির্বাচন হবে। ইনশাল্লাহ জগ জয়যুক্ত হবে। যারা ভয়ভিতি দেখাচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নির্বাচনের পরেও আপনারা ত্রিশালে থাকবেন। আমরাও ত্রিশালে থাকবো। হুমকি দমকি, ভয়ভিতি দেখাবেন না। ১৪ তারিখের পরে ত্রিশালের মানুষ কি করবে চিন্তাও করতে পারবেন না। নির্বাচনে বিগত সময়ের চেয়ে কঠিন নির্বাচন হবে। ইনশাল্লাহ জনগনের বিজয় সুনিশ্চিত।
ত্রিশাল বাজার থেকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে জাদুঘর পর্যন্ত আর সি সি রাস্তার কাজের পাশাপাশি লাইটের ব্যবস্তার কাজ সম্পুর্ন। ত্রিশালের উন্নয়নে যার লড়াইটা শুরু হয়ে ছিলো বিগত ২০১০ সাল থেকে। সেই থেকে প্রতিটি কাজকেই চ্যালেঞ্জের সাথে মোকাবেলা করেছেন তিনি। দীর্ঘ ৮ বছরের জনপ্রতিনিধিত্ব জীবনে নানা প্রতিকূলতা, বাধা বিপত্তি আসলেও কখনো পিছপা হননি আনিছ। ত্রিশাল পৌরসভার নির্বাচনে উন্নয়নে নিজেকে আবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। তিনি মানুষের ভালোবাসাকে পুঁজি করে জনগণের সেবা করে যাচ্ছেন। মানুষের চাওয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ত্রিশাল পৌরসভার উন্নয়নে প্রস্তুত রেখেছেন নিজেকে। সর্বোপরি সামাজিক গুনে গুনাম্বিত মানুষটি মনুষ্যত্বের আলোকবাতি হয়ে আলোকিত করেছেন ত্রিশাল পৌরসভা। ত্রিশালের রাস্তাঘাটের দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে মেয়র আনিছের হাত ধরেই। ইতোমধ্যে আনিছ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও জনসচেতনতামূলক কাজ করে জনগণের আস্থা ও সমর্থন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌরসভার প্রতিটি এলাকা মেয়র আনিছের অক্লান্ত শ্রম-আর মেধায় উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড নওধার নদীর পাড় এলাকার মোস্তাক হাসান সড়ক হতে মোহাম্মদ আলী মেম্বার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক পাকাকরণ কাজ করেন তিনি। মেয়র আনিস বলেন, দেশের দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে উন্নয়নের মহানেত্রী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা রাতদিন পরিশ্রম করছেন। যার সুফল জনগণ পাচ্ছে, এরই ধারাবাহিকতায় ত্রিশাল পৌরসভায় বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ এগিয়ে চলছে। মেয়র আনিস বলেন, আমার নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের ডিজিটাল দেশের অন্তর্গত ত্রিশাল পৌরসভা গড়তে কাজ করছি। পৌরসভার বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন মুলক কাজ এগিয়ে চলছে। এই উন্নয়ন কাজের সুফল জনগণ পাবে। একাজ গুলো সমাপ্ত করার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করছি। আশা করছি আগামী বছরই পৌর এলাকার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে ত্রিশাল পৌরসভাকে একটি আধুনিক মডেল পৌরসভা হিসাবে ঘোষণা দিতে পারবো। সেই লক্ষে তিনি সকলের সার্বিক সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন।
ত্রিশাল পৌরসভার নন্দিত দু’বারের নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে নিভৃতে জনগনকে পাশে রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। এ নেতা ১৯৮১সালে স্কুল কমিটির ছাত্রলীগের নেতৃত্ব নিয়েই পথচলা। উপজেলা ছাত্রলীগ উপজেলা যুবলীগের নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্যদিয়ে তৃর্ণমূল পর্যন্ত আওয়ালীগের বিশাল একটি ঘাটি তৈরী করেন। চিন্তা চেতনা ছিল সারা উপজেলা জুড়েই আওয়ামী লীগের অঞ্চল সৃষ্টি করা। তার এই পরিশ্রম হয়ত স্বার্থক হয়েছে। তার নিজ হাতে তৈরী করা বহু কর্মী আজ নেতা ও নীতি নির্ধারণকারী। বর্তমান মেয়র ও সাবেক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ। অনেকই আজ তাঁর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত কিন্তু বাস্তবতা যাচাই করলে তাদের অতীত তাকালে দেখা যায় মেয়র আনিছের অনেক কর্মী আজ ত্রিশাল আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মেয়র আনিছ হাতের পরশে যারা ধন্য হয়েছেন তারা সময়ের প্রয়োজনে, ক্ষমতার প্রয়োজনে দলের নেতৃত্বের প্রয়োজনে মেয়র আনিছকে এড়িয়ে চলছেন তবে মন থেকে তারা মেয়রকে হয়ত শ্রদ্ধা করেন এবং আগামী যে কোন সময় তার পরশ নিতে গোপন সন্ধি করে আবারো একসাথে চলার সিদ্ধান্তে আসাটাই স্বাভাবিক। মেয়র আনিছ একমাত্র বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বিশ্বাসী, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বিশ্বাসী, মানুষকে ভালোবাসার বিশ্বাসী জনপ্রিয়তার বিশ্বাসী। অনেক নেতা রয়েছেন অনেক বড় পদে রয়েছেন তবে জনপ্রিয়তার সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই সেটা মেয়র আনিছের রয়েছে। মেয়র আনিছ ২০১১সালে প্রথম নির্বাচনে দলের সমর্থনে মেয়র হয়েছিল। এরপর দ্বিতীয়বার দল থেকে মনোনয়ন না পেলে জনগন বাধ্য করেন তাকে মেয়র পদে নির্বাচন করাতে এবং মেয়র বানান আজ যারা নৌকার সমর্থন নিয়ে মাঠে কাজ করছেন তাদের মাঝে সিংহভাগ নেতা কর্মী ঐ নির্বাচনে মেয়রের পক্ষে কাজ করেছিল যা সর্বজন স্বাক্ষী। দ্বিতীয়বারের মেয়র আনিছ নির্বাচিত হয়ে আওয়ামীলীগের বাহিরে একটি কাজও করেননি সব আওয়ামীলীগের কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন এমনকি ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের প্রতিটি কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ ও কর্মসূচীগুলো সফল হতে সব ধরনের সহযোগতা করেছেন। নৌকার বিজয়ের পর এম পি নিজে ফুলের মালা দিচ্ছেন মেয়রের গলায়। তেমনি মেয়র আনিছের প্রতি জেলা আওয়ামীলীগ সন্তুষ্ট হয়ে ২০১৮সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সম্মেলনে কাউন্সিলর করেছিল। এই মেয়র আনিছ জয় বাংলার লোক। যদিও গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মেয়র ছিলেন তবে আওয়ামীগের মুখ উজ্জল রাখতে রাতদিন পরিশ্রম করে ত্রিশাল পৌরসভায় যে কাজের সফলতা দেখিয়েছেন তা জননেত্রী শেখ হাসিনার এগিয়ে নেওয়া বাংলাদেশ উন্নয়নের একটি অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা যায় যা সহজেই উচ্চপদের জনপ্রতিনিধিরা করতে পারবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। মেয়র আনিছ দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হয়ে যেমন পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা বানিয়েছেন তেমনি দলীয় নেতা কর্মীদের সুখে-দুখে সব সময় পাশে রয়েছেন।অনেকেই পদে গেলে তার অনেক কিছু পরির্বতন করে ফেলেন। চিনে না চেনার ভাব শুরু করে দেন কিন্তু মেয়র আনিছ যতবার দলীয় দায়িত্ব আর জনপ্রতিনিধি হয়েছেন ততবার পরিচিত লোকের পরেও আরো নতুন কারো সাথে পরিচয় হলে ভাই বন্ধু হিসেবে কাছে রেখেছেন। তার এই গুণ জনপ্রিয়তা বার বার শীর্ষে নিয়ে যায়। ত্রিশালে ৪ তলা মসজিদের নির্মাণ কাজ উদ্ভোধন। তাই মেয়রকে জনগন জনপ্রতিনিধি থেকে দূরে রাখতে চান না। জোর করে নিয়ে যান নির্বাচনের মাঠে এবং জয়ের মালা গলায় দিয়ে জনগন ঘরে যান। মেয়রের এই নীতি আদর্শ অনেক সময় চক্রান্তের মুখোমুখি হতে হয়। তবুও জনগনের পাশে থেকে নিজেকে সামলিয়ে নেন। সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে জেলা শ্রেষ্ট মেয়র হিসেবে তাকে পুরস্কার প্রদান করেন জেলা প্রশাসক। জনতা যার কাছে নিরাপদ মনে করেন তাকে সমর্থন করেন। আগামী ৩০শে জানুয়ারী ত্রিশাল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র আনিছকে জনগন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছেন। এখানে জনতার সমর্থনের যে এক বিশাল ঢেউ ত্রিশালের ইতিহাসে এই প্রথম কোন জনপ্রতিনিধির জন্য নারী পুরুষ সকলেই এক সাথে স্লোগান তুলেছে মেয়র আনিছকে আবারো চাই। এই যে জন সমর্থন অর্জন এটা সব মানুষের জীবনে ঘটে না। জনগনের ভালোবাসায় সিক্ত মেয়র আনিছ তেমনি জনগন মেয়র আনিছকেই নিরাপদ মনে করে তাঁর ছায়ায় থাকতে চান। পদের চেয়ে জনগনের ভালোবাসাই বড় এটাই বিশ্বাস করে মেয়র আনিছ জনগনের নেতা হয়ে থাকতে চান।

ব্রেকিং নিউজঃ