| |

ধর্মমন্ত্রীর সাথে একই মঞ্চে ‘যুদ্ধাপরাধী’

আপডেটঃ 6:38 pm | March 07, 2016

Ad

স্টাফ রিপোর্টার : ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের সঙ্গে এক মঞ্চে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন যুদ্ধাপরাদের এজাহারভুক্ত আসামি আদিল সরকার। গত শনিবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে দরিরাম পুর শুকতারা বিদ্যানিকেতনের বার্ষিক প্রতিযোগিতা পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর পাশে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন আদিল। ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র অনিসুজ্জামান সহ আওয়ামীলীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন মঞ্চে। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বহিী কর্মকর্তাসহ অন্যান কর্মকর্তা। মুক্তিযুদ্ধের সময় আদিল সরকার রাজাকার কমান্ডার যার নাম বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষকদের ভিবিন্ন লেখা ও মুক্তিযুদ্ধা সংসদ কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় লিপিবদ্ধ আছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আদিল সরকার ত্রিশাল থানা থেকে যখন বাঙ্গলী পুলিশরা পালিয়ে গিয়েছিল তখন সে স্বঘোষিত দারগা হিসাবে ত্রিশাল থানার দায়িত্ব পালন করেছে। তারপর দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে সে ত্রিশাল থেকে পালিয়ে আত্বগোপনে থাকে। তাকে বৈলর হোদ্দার ভিটার রাজাকার কমান্ডর বলহত। তার খালাতো ভাই সাবেক জাতীয় পার্টির এমপি আনিসুর রহমান মানিক ও সে মানবতা বিরোধী অপরাদের আসামি।
ধর্মমন্ত্রীর এ অনুষ্ঠানে মঞ্চে অথিতি হিসাবে আদিল সরকারকে বসে থাকতে দেখে মুক্তিযুদ্ধা ও স্বাধীনতা স্বপক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং জনতার মাঝে তীব্র প্রতিকৃয়া লক্ষ করাযায়।
এব্যাপারে ত্রিশঅল মুক্তিযুদ্ধা সংসদের কমান্ডার নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ বলেন বর্তমান সরকার যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন তখন যে অনুষ্ঠানে একজন বীরমুক্তিযুদ্ধা প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ধর্মমন্ত্রী সেখানে আদিল সরকারের মত একজন যুদ্ধাপরাধীর রাজাকার কমান্ডারের মঞ্চে উপস্থিতি আমাদেরকে অবাক করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্ধা জানাই।
ত্রিশালের মেয়র আনিসুজ্জামান বলেন আদিল সরকার মঞ্চে আছেন তিনি তা জানতেননা। আদিল সরকার কোন বক্তব্য রাখেনি শুদু মাত্র অথিতিদের সাথে বসেছিলেন। তিনি আরও বলেন, আদিল সরকার আওয়ামীলীগে যোগদিচ্ছে কিনা তা জানন না।
ত্রিশঅল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক একসময়ের ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মোতালেব এর কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজাকার লালনের অভিযোগ আছে।
উপজেলা নির্বহিী কর্মকর্তা মো: রাশেদুল ইসলাম জানান, তিনি নতুন এসেছেন তাই তিনি আদিল সরকারকে চিনেন না।
ত্রিশালের থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান একই ভাবে প্রসঙ্গটি এড়িয়ে গেছেন।
দরিরাম পুর শুকতারা বিদ্যানিকেতনের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইব্রাহিম খলিল বলেন, আদিল সরকার এর নাম দাওয়াত পত্রে ছিলনা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের সাথে কথা বলে জানা যায় আদিল সরকারকে মঞ্চে এসে আসন গ্রহন করার জন্য আমন্ত্রন করা হয়েছিল।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য থাকেযে কেউ কেউ মনে করছেন আদিল সরকারকে আওয়ামীলীগে যোগদান করিয়ে বৈলর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চেয়ারম্যান হিসাবে মনোনয়ন প্রদানের জন্য আওয়ামীলীগের একটি মহল বিশেষ ভাবে চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে।

সুত্র :- সমকাল।

ব্রেকিং নিউজঃ