| |

নেতাকর্মী তৈরীর কারখানা কিংবদন্তী নেতা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল

আপডেটঃ 3:51 pm | February 28, 2021

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ স্নেহ মায়া মমতা আর ভালবাসা দিয়ে যিনি মানুষকে রাজনীতি তথা আওয়ামীলীগের রাজনীতির পথে ডাকেন। আলোচনা, বক্তৃতা আর গল্পে যিনি জাতির জনকের বর্নাঢ্যময় কর্মজীবনের কথা শোনান। জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তায়নের পদক্ষেপ নিতে উদ্বোদ্ধ করেন। তিনি ময়মনসিংহের সাবেক কিংবদন্তী ছাত্রলীগ নেতা বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭২ বছরের পথচলায় চরম দু:সময়ে যখন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে বেশিরভাগ ছাত্রলীগ নেতাই তৎকালীন জাতীয় ছাত্রলীগে নাম লিখিয়ে ছিলেন, সেই সময় স্রোতের বিপরীতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে ময়মনসিংহে ছাত্রলীগের কান্ডারী হিসেবে দলের হাল ধরে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। কর্মদক্ষতা নিষ্টা ও সততার কারনে তাঁকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত করা হয়। তিনি ছিলেন আনন্দ মোহন কলেজের ভিপি। এককালের তুখোর ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল পরবর্তীতে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত হয়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক পরিক্রমার বন্ধুর পথ পেরিয়ে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন। এমনকি তার পেশাগত কর্মস্থল আইনাঙ্গনেও তিনি সর্বাধিক জনপ্রিয়। ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের পর আওয়ামী লীগের ক্রান্ত্রিলগ্নে ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য নেতা গড়ার কারিগর ত্যাগী নেতা বলে খ্যাত নির্মোহ জীবন যাপনে অভ্যস্ত কর্মীবান্ধব নেতা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই নন, তিনি একটি পলিটিকাল ইনস্টিটিউশনও বটে। তাঁর হাতে গড়া কর্মীরা মহান জাতীয় সংসদে এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে সরকারের সাথে সফল ভাবে কাজ করছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উত্তরাধিকার জননেত্রী শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের রাজনৈতিক সৌভাগ্য ঘটে ছিলে তাঁদের কর্মী/ভাবশিষ্য/সহকর্মী হিসেবে কাজ করার যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর/ জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। জাতীয় ভাবে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যাদের নাম তাঁর লেখনী অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন। তন্মধ্যে সর্বজনশ্রদ্ধেয় জননেতা প্রয়াত রফিক উদ্দিন ভূইয়া ও জননেতা এম শামসুল হক অন্যতম এবং শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত সহচর প্রয়াত জননেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। জাতির পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ৭৫ পরবর্তী সময় থেকে অদ্যবধি ছাত্রলীগ নেতা থেকে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে ময়মনসিংহের যে নামটি প্রথমেই মনে করেন। যে নামটি চিনে ও জানে সে নামটি হলো মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। যার পুরস্কার হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে উপহার দিয়েছেন মিনি পার্লামেন্টখ্যাত ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ। একজন মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল পদ্মপাতার ন্যায়। জলে থাকেন কিন্তু ভিজেনা। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও ক্ষমতার অপব্যবহার করেনা। দীর্ঘদিন ভাড়া বাসায় থেকে সম্প্রতি উঠেছেন নিজবাসায়। এখনো বাসার নির্মান কাজ সমাপ্ত হয়নি। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে নির্মান করছেন বাসার কাজ। চলেন রিক্সায়/অপরের হোন্ডায়-গাড়ীতে/ভাড়া করা গাড়িতে। নিজের আইন পেশার উপার্জিত অর্থ ও স্ত্রীর অধ্যাপনার বেতন দিয়ে সংসার চালিয়ে ও একমাত্র মেয়ের পড়াশোনার খরচ জুগিয়ে বাকী অর্থ আওয়ামী লীগ তথা রাজনৈতিক অঙ্গন/সামাজিক/মানবিক সেবায়/সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যয় করেন। তাঁর সাথে দেখা করতে কোন মিডিয়া লাগেনা, প্রয়োজন হয় না। নেই কোন এপয়েনমেন্টের। যে কেউ নির্দ্বিধায় তাকে ফোন করতে পারে। দেখা করতে পারে বাসায় ও কোর্ট চেম্বারে। বাসায় গেলে আপ্যায়িতও হয়। রাজনৈতিক/ সামাজিক/সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষের কাছে তার দিন-রাত সমান। সব সময় সবার সাথে কাজে লেগে থাকতে ভাল বাসেন তিনি। বঙ্গবন্ধু অন্ত:প্রাণ রাজপথের মুজিব সৈনিক তাঁর অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাগত আদর্শের বীজ নিজ পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনের মাঝেও সমভাবে বপন করেছেন, যা বর্তমানে তথাকথিত ব্যালেন্সের রাজনীতিতে একেবারেই বিরল।
অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নিজেকে এখনো আওয়ামী লীগের কর্মী পরিচয় দিতেই পছন্দ করেন। তিঁনি গান পছন্দ করেন। নিজে আবৃত্তি করেন। প্রচুর পড়া-শোনা করেন। চিরায়িত বাংলার প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ঘটা করে উদযাপন করেন। শিশুদের নিয়ে সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার আয়োজন করেন। দলীয়-জাতীয় সকল দিবস নিজে উদ্যোগী হয়ে পালন করেন। বঙ্গবন্ধু ও প্রিয় নেত্রীর জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনার আলোকপাত করতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হন। এমনকি এখনো দলীয় একজন কর্মীর মতো নিজে বজ্রকন্ঠে শ্লোগান ধরেন। জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। রাজপথ ছাড়ি নাই, শেখ হাসিনা ভয় নাই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পণ করার পর সাবেক একঝাঁক বঞ্চিত ছাত্রলীগ নেতাকে তিনি কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করতে মূল ভূমিকা রেখেছেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখতে কমিটিতে অধিকহারে নারীর অন্তর্ভূক্তি ঘটিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে রাজনৈতিক পথ সুগম করেছেন। বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালীন সংকটে মাদার অব হিউম্যানিটি জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই দলীয় নেতা-কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে ময়মনসিংহের ১১টি সংসদীয় আসনে ব্যাপক ভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার ও অন্যান্য মানবিক সহযোগিতা চালু রেখেছিলেন। ফ্রন্টলাইনের করোনাযোদ্ধাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা দিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি অবিরাম হাততালি অনুষ্ঠানও তিনি করেছেন। করোনাকালীন জাতির মহাদুর্যোগপূর্ণ সময়ে পবিত্র রমজান মাসজুড়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি নিজে, তার স্ত্রী,একমাত্র কন্যাসন্তান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীবৃন্দকে সাথে নিয়ে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন। তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক দিলরুবা সারমীন নিজ চাকুরির বেতন-বোনাসের টাকা সাময়িক অভাবগ্রস্ত দলীয় কর্মী ও করোনাক্রান্তদের সাহায্যার্থে ব্যয় করেছেন। পবিত্র ঈদে অসহায়-হতদরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের রক্তদান কর্মসূচী করেছেন। এমনকি সামাজিক সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে মধ্যবিত্ত,নিম্ন-মধ্যবিত্ত ও দলীয় অভাবগ্রস্থ নেতা-কর্মীদের অতি সঙ্গোপনে আর্থিক সাহায্যও প্রদান করেছেন। অতীত থেকে সাম্প্রতিক সময়েও পবিত্র ঈদ-উল -আযহার দিনে নিজ বাসস্থানের সামনে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এবছর সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদ উল আযহার দিনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের পর ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ের অসাংবিধানিক ও অবৈধ সরকারগুলোর আমল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ বাদে যত সরকারই ক্ষমতা এসেছে তাদের সকলের আমলেই জেল, জুলুম, মিথ্যা মামলা, হামলা, শত অন্যায়-অত্যাচার সহ্য করে ময়মনসিংহ অঞ্চলে রাজনৈতিক ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী অল্প কয়েকজন নেতার মাঝে অন্যতম অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। জীবনের ৭টি স্বর্নালী বছর জেলখানায় কাটিয়েছেন। জীবনের চারটি ঈদ কাটিয়েছেন জেলখানায়। উল্লেখযোগ্য একটা সময় তার নিজের শিশুকন্যা ও স্ত্রী চরম আশঙ্কায় মানবেতর জীবন কাটিয়েছেন। নিজ দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময়েও স্ত্রীর জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকা সত্বেও একটা সরকারী চাকুরী লাভে সচেষ্ট হননি। জেল-জুলুম, মামলা-হামলা, অন্যায়-অত্যাচার সহ সকল প্রকার নির্যাতন সহ্য করে ময়মনসিংহ অঞ্চলে মুজিব আদর্শের আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী তৈরী করে দলকে শক্তিশালীকরণে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন পরমসহিষ্ণুতার জ্বলন্ত প্রতিচ্ছবি অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নিজের যোগ্যতা, দক্ষতা, মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণেই আজকের এই অবস্থানে পৌছাতে সক্ষম হয়েছে বলে তার সমালোচকরাও অকপটে স্বীকার করবেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক কর্মী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন জনপ্রিয় সংগঠক হিসেবে আওয়ামী লীগ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের ভালোবেসে যে নেতা চার দশকের অধিককালের রাজনৈতিক জীবনে ৯ বারে ৭ বছরের অধিককাল বিনা বিচারে জেলখানায় কাটিয়েছেন। মিথ্যা খুনের হুলিয়া মাথায় নিয়ে প্রিয় নেত্রীর নির্দেশে দীর্ঘদিন পার্শ্ববর্তী দেশে আত্মগোপনে ছিলেন। আওয়ামীলীগের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। ব্যক্তিজীবনে নিরহঙ্কার সদালাপী সমমনা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সেই নিবেদিতপ্রাণ কিংবদন্তী জননেতা এড. মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের বিরুদ্ধে কিছু ষড়যন্ত্রকারী ঘৃন্য ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। তিনি সব জানেন। সব কিছু সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড.মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, “আমার আগুনঝরা দিনগুলোর কথা আজ মনে পড়ছে। মাসের পর মাস বছরের পর বছর কারাগারের দিনগুলো চোখে ভাসছে। বিদেশে পলাতক থাকার জীবনে পকেটে ১ টাকা থাকার কাহিনীটি মনে পরছে। আর এই সবগুলোর সাথেই একটি মানুষ আমাকে দাঁড় করিয়ে রেখে ছিলেন। তিনি আমাদের মায়াবতী মমতাময়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। মুসলমানের সন্তান হিসেবে উপরে আমার রব, নিচে মাটি। বুকে হাত দিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কসম খেয়ে আমি বলতে পারি, আমি দুর্নীতি করি না। ছাত্র রাজনীতির চূড়ান্ত পর্যায়ে বাকশাল, জাতীয় পার্টি, বিএনপি, জামাত, শিবির এবং কুখ্যাত ফ্রিডম পার্টির মোকাবিলায় অনেক সাহসী কর্মকান্ড করেছি। সেই দিনগুলোর কথা মনে পরছে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী, শেখ হাসিনার কর্মী। আমার জানা মতে আমার দ্বারা শেখ হাসিনার রাজনীতি সামান্যতম বিতর্কিত হবে এটা সম্ভব নয়। জেলা আওয়ামীলীগ এর কমিটি হওয়ার পর আমি অনেক কিছুর বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানমালা আয়োজনে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি এক্ষেত্রে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখাই সারা বাংলাদেশে সেরা। আমার সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা মহোদয় একজন জ্ঞানী, গুণী, বিচক্ষণ, প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবীদ এবং প্রবীন আইনজীবী। আমি তাঁর জুনিয়র আইনজীবী। আজ আমার মনে পড়ছে, আমার নেতা মরহুম শামসুল হক এমপি সাহেবের কথা। তিনি আমাকে বলতেন, সামনে যাবে এগিয়ে চলবে, ভয় পাবে না। কে সাথে রইলো, আর কে রইলো না, হিসাব করবে না, তোমার চলাটাই প্রধান। আমি বাকি পথ চলায় আরও সতর্ক হবো, দূর্নীতি থেকে দূরে ছিলাম, দূরে আছি, দূরে থাকবো, সাথে থাকবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর আমার মহান নেতা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই গড়ে উঠবে। একদিন মানবিক বাংলাদেশে অন্যায়-অসত্য দূরীভূত হবে। সত্য-ন্যায় ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধুু।

ব্রেকিং নিউজঃ