| |

৭ খুন : তারেকের বিষয়ে আদেশ মঙ্গলবার

আপডেটঃ 1:40 am | March 14, 2016

Ad

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনায় দায়ের করা দুই মামলা বাতিল চেয়ে মামলার  অন্যতম আসামি র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক তারেক সাঈদ মোহাম্মদের করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আগামী মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) আদেশের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ৭ মার্চ একই বিষয়ে করা একটি আবেদনের শুনানি করতে বিব্রত বোধ করেন বিচারপতি এমদাদুল হক ও বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ। নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে গেলে তিনি নতুন বেঞ্চ গঠন করে দেন। নবগঠিত সে বেঞ্চই শুনানির পর আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

শুনানিতে তারেক সাঈদের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া উল্লেখ করেন, সাত খুনের ঘটনায় সেলিনা ইসলাম (নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী) ও বিজয় কুমার পাল (নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের জামাতা) দুটি পৃথক মামলা করেন। পরবর্তীতে এ দুটি মামলার অভিযোগপত্র প্রদান করা হয়। নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার চার্জ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া উল্লেখ করেন, দুটি মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র), আলামত, সাক্ষী ও ঘটনাস্থল সব একই। তাই আইন অনুযায়ী একই ঘটনায় দুটি মামলা চলতে পারে না। এ কারণেই বিজয় কুমার পাল এর দায়ের করা মামলাটি বাতিল চাওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ একেএম মনিরুজ্জামান কবির উল্লেখ করেন, মামলাটি একই আদালতে চার্জ গঠন হয়েছে। এখন সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে আছে। তাই এই দুটি মামলা চলতে পারে।

পরে আদালত আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়ার কাছে জানতে চান, দুটি মামলা একত্রিত করে অভিযোগপত্র দেয়া সম্ভব কি-না? এতে আসামিপক্ষের আইনজীবী সম্মতিসূচক জবাব দেন। এরপর আদালত এই মামলার আদেশের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া থেকে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।

এরপর নজরুল ও তার চার সহযোগীকে হত্যার ঘটনায় বিউটি একটি এবং চন্দন সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহিমকে হত্যার ঘটনায় বিজয় কুমার অপর একটি মামলা দায়ের করেন।

দায়েরকৃত মামলার তদন্ত শেষে গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

ব্রেকিং নিউজঃ