| |

শহর আওয়ামীলীগের এখন কৃষ্ণ পক্ষ

আপডেটঃ 10:00 pm | March 21, 2016

Ad

স্টাফ রিপোর্টার : শহর আওয়ামীলীগের এখন কৃষ্ণ পক্ষ। ময়মনসিংহ শহর আওয়ামীলীগ একটি ঐক্যবদ্ধ সুসংগঠিত কাঠোমার উপর প্রতিষ্ঠিত সংগঠন ছিল। রাজনৈতিক কর্মকান্ড শৃঙ্খলা ও ত্যাগী কর্মীদের কর্মতৎপরতায় পুর্নিমার আলোর মত উজ্জল একটি সংগঠন। মুজিব আদর্শের বিশাল ঐক্যবদ্ধ কর্মী বাহিনির অধীকারী ছিল শহর আওয়ামীলীগ। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে গনতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রত্যেক সময়ে ময়মনসিংহ শহর আওয়ামীলীগের কর্মীদের ভুমিকা ছিল ইর্ষনীয়। কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্য যে অতীতের সেই ঐক্যবদ্ধ শহর আওয়ামীলীগ আজ দুই ভাগে বিভক্ত। শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি যদিও বার বার বলার চেষ্ঠা করেছেন সংগঠনটি ঐক্যবদ্ধ কিন্তু বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। প্রমান সরুপ বলা যায় বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের কর্মসুচীতে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক নিজ নিজ অনুসারিদের নিয়ে পৃথক পৃথক ভাবে কর্মসুচী পালন করছেন। এমনকি শহর আওয়ামীলীগের ওয়ার্ডের নেতা নির্বাচনের প্রশ্নেও আলাদা ভাবে ওয়ার্ড নেতাদের ভিন্ন ভিন্ন নাম ঘোষনা করছেন। এ অবস্থার মুল কারন অনুসন্ধানে জানাযায় আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে অগনতান্ত্রিক পন্থায় সৈচাচারী কায়দায় সংগঠনকে চালনা করা। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সম্মেলনের সময় উর্ধতন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ ও ওয়ার্ডের বিশিষ্ঠ নেতা ও সমর্থকরা নীতি নির্ধারনী বক্তব্য দেন। তার পর দ্বিতীয় পর্যায়ে শুরু হয় নেতা নির্বাচনের জন্য কাউন্সিল অধীবেশন। কাউন্সিল অধীবেশনে সভাপতি সাধারন সম্পাদকের পদের জন্য এক বা একাধিক ব্যাক্তি প্রার্থী থাকলে প্রথমে সমঝতার চেষ্ঠা করা হয়। সমঝতা না হলে গনতান্ত্রিক পদ্বতিতে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করা হয়। কিন্তু ময়মনসিংহ শহর আওয়ামীলীগের সভাপতির নেতৃত্বে একটি অংশ তা না করে ব্যাক্তি ইচ্ছা অনুযায়ি সভাপতি-সাধারন সম্পাদকের নাম ঘোষনা করেন। এব্যাপারে সাধারন সম্পাদকের সাথে কোন আলোচনা অথবা ঐক্যমতে না পৌছে ওয়ার্ডের নেতাদের নাম ঘোষনা করেন। উদাহরন সরুপ ৮নং, ১৬নং ওয়ার্ড সহ আরও অনেক ওয়ার্ডে তার প্রমান রয়েছে।
অপর পে শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সাদেক খান মিল্কি টজু ও শহর আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি খন্দকার মোবারক হেসেনরা গনতান্ত্রিক পদ্বতীতে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের পে অবস্থান নেয়। এডভোকেট সাদেক খান মিল্কি টজু মনে করেন সমঝতা না হলে গনতান্ত্রিক পদ্বতিতে নেতা নির্বাচন করা হলে দলের অধিকাংশ কর্মী সমর্থকরা তা মেনে নেয়।
দল থাকে ঐক্যবদ্ধ। শহর আওয়ামীলীগের বিভক্তির এটাই মুল কারন।
পর্যবেনে আরও যা পরিলতি হয় শহর আওয়ামীলীগের কিছু নেতার অসাংগঠনিক কার্যকলাপ তৃনমুল কর্মীদের ইচ্ছাকে পদদলীত করে কোন কোন েেত্র অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরা খমতা কুগিত করে রাখার অপচেষ্ঠা একক কতৃত্ব প্রতিষ্ঠার অপপ্রয়াস বিতর্কীত ব্যাক্তিদেরকে প্রশ্বয় দেওয়া শহর আওয়ামীলীগের বিভক্তির মুল কারন সমুহ।
আওয়ামীলীগের তৃনমুল পর্যায়ে সাধারন সদস্য থেকে শুরু করে ওয়ার্ড পর্যায়ে সম্মেলন গুলি শুরু হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত ময়মনসিংহ শহর আওয়ামীলীগের কর্মকান্ড ছিল অন্যান অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের চাইতে ইর্ষনীয়। কিন্তু যখন শহর আওয়ামীলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্মেলনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হল তখনি গঠল বিপত্তি। শহর আওয়ামীলীগের মতা কু্িযগত করার ইচ্ছে থেকে পছন্দের ব্যাক্তিদেরকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সভাপতি সাধারন সম্পাদক নির্বাচনের প্রচেষ্ঠা। শহর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা হয়ে গেল দ্বিধাবিভক্ত। শহর আওয়ামীলীগে নেমে আসল হতাশা। আর তখন থেকেই শুরু হল কৃষ্ণ প। এ অবস্থাথেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন ব্যাক্তিস্বার্থ নয় দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া। পর্যবেনে আরও জানা যায় অধিকাংশ নেতাকর্মী মনে করেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সর্বজন শ্রদ্বেয় ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব অধ্য মতিউর রহমান সবকিছুর উর্দ্বে উঠে যদি উনারএবং কর্মীদের প্রিয় সংগঠন আওয়ামীলীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরপে ভাবে গনতান্ত্রিক পন্থায় সবার প্রতি সমান আচরন করে সাংগঠনিক প্রক্রিয়া অনুসরন করে যোগ্য নেতাকর্মীদেরকে মুল্যায়ন করেন ও বিভিন্ন ওয়ার্ড সম্মেলনে সমঝতা না হলে গনতান্ত্রীক পদ্ধতির মাধ্যমে সমাধান করার যে নির্দেশ তিনি তার বক্তবে দিতেন তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ অবস্থা থেকে দলকে মুক্ত করতে পারেন।
নেতা কর্মীরা প্রত্যাশা করেন অতি দ্রুত আওয়ামীলীগকে এই সংকট থেকে মুক্ত করা অবশ্য প্রয়োজন। যারা বার বার দল ভাঙ্গার রাজনীতি করে অনৈক সৃষ্টি করে হীনইচ্ছা চরিতার্থ করে তাদের ফাঁদে পা নাদিয়ে শহর আওয়ামীলীগকে পুর্বের মত ঐক্যবদ্ধ একটি সুসংগঠিত শাখা হিসাবে গড়ে তোলা।

ব্রেকিং নিউজঃ