| |

রফিক উদ্দিন ভূঞার ২০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে আনিসুর রহমান খান ময়মনসিংহে দ্বিতীয় রফিক উদ্দিন ভূঞা আর জন্ম নিবে না

আপডেটঃ 2:28 am | March 24, 2016

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পি : বৃহত্তর ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের শেষ পর্যন্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মুক্তিযোদ্ধের আঞ্চলিক অধিনায়ক মরহুম জননেতা রফিক উদ্দিন ভূঞার ২০তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহে রফিক উদ্দিন ভূঞা স্বৃতি সংসদ এর উদ্যোগে বুধবার বিকেল ৫ টায় রফিক উদ্দিন এর কবর জিয়ারত ও পুস্পাস্তবক অর্পন এর মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাভরে স্বরন করা হয়।
বুধবার সন্ধ্যায় শহরের রাইফেলস ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় রফিক উদ্দিন ভূঞা স্বৃতি সংসদ এর সভাপতি এডভোকেট আনিসুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও এডভোকেট ফরিদ আহম্মেদ এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক থোকা, সহ-সভাপতি এডভোকেট ওয়াজেদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ, সহ-সভাপতি প্রদীপ ভৌমিক, এডভোকেট কবির উদ্দিন ভূঞা, জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আবু সাইদ দিন ইসলাম ফখরুল, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, সদস্য ইউসুফ খান পাঠান, কোতোয়ালী থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক মন্ডল, জেলা জাসদ সভাপতি এডভোকেট গিয়াস উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ রফিকুজজামান।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহ শওকত উসমান লিটন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন আহবায়ক শেখ মাসুম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

DSC_0014(1)
রফিক উদ্দিন ভূঞা স্বৃতি সংসদ এর সভাপতি এডভোকেট আনিসুর রহমান খান বলেন, রফিক উদ্দিন ভূঞা ছিলেন একজন নির্লোভ ব্যাক্তি লোভ লালসা তাকে কোনদিন গ্রাস করতে পারেনাই। তিনি আজীবন আওয়ামীলীগের জন্য কাজ করেগেছেন। এজন্য বঙ্গবন্ধু তাকে ভীষন ভালোবাসতেন।
আমরা অনেকেই অনেক কিছু ভুলে যাই কিন্তু রফিক উদ্দিন ভূঞাকে ভুলা সম্ভব নয়। তিনি চিরদিন আমাদের মাঝে বেচে থাকবেন। আজ আওয়ামীলীগ অফিসে রফিক উদ্দিন ভূঞার মৃত্যু বাষির্কীতে কোন কর্মসুচী গ্রহন করেনাই এর চাইতে লজ্জা আর কিছু হতে পারেনা। তিনি বলেন, ময়মনসিংহে দ্বীতীয় রফিক উদ্দিন ভূঞা আর জন্ম নিবে না।
জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক থোকা বলেন, প্রয়াত নেতাদের যারা শ্রদ্বা করতে জানেনা তারা অকৃতঙ্গ। আজকে জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে রফিক উদ্দিন ভূঞার কেন ছবি নেই এর চাইতে লজ্জার আর কি হতে পারে। তার এই মৃত্যু বাষিকীতে আমরা তাকে জানাই শ্রদ্ধা।
সহ-সভাপতি এডভোকেট ওয়াজেদুল ইসলাম বলেন, আমি উনার সাথে অনেক কর্মসুচীতে অংশ গ্রহন করেছি রফিক উদ্দিন ভূঞার মত এমন সাহসী নেতা আর কোন দিন দেখিনাই।
সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, আওয়ামীলীগ অকৃতঞের দল তানা হলে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগ রফিক উদ্দিন ভূঞার স্বরনে কোন প্রকার কর্মসুচী গ্রহন করলনা কেন। তিনি আক্ষেপ ও অভিমান করে বলেন আমাদের বঙ্গবন্ধুর প্রয়োজনিয়তা আছে বলেই তার জন্ম ও মৃত্যু বাষিকী পালন করি। এ প্রসংগে বলতে চাই বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী না হতেন তা হলে হয়ত আমরা বঙ্গবন্ধুকেও স্বরন করতাম না।
সহ-সভাপতি প্রদীপ ভৌমিক বলেন, আজকে আওয়ামীলীগ যদি রফিক উদ্দিন ভূঞার মত নেতাকে তার জন্ম ও মৃত্যু বাষিকীতে স্বরন না করে তাহলে আগামী দিনের প্রজন্মও বর্তমান নেতৃবন্দকে স্বরন করবে না। এ কথাটা সবার মনে রাখতে হবে। বর্তমান আওয়ামীলীগের কোন কোন নেতা অসুস্থ হলে মিলাদ পড়ানো হয় কিন্তু ময়মনসিংহ আওয়ামীলীগের অগ্রপথিক বীর মুক্তিযুদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মুক্তিযোদ্ধের আঞ্চলিক অধিনায়ক মরহুম জননেতা ভাষা সৈনিক রফিক উদ্দিন ভূঞার মৃত্যু ও জন্ম বাষির্কীতে কোন কর্মসুচী গ্রহন করা হয়না এর চাইতে লজ্জার আর কিছু নেই।
তিনি নাজিম উদ্দিন আহম্মেদকে উদ্যেশ্য করে বলেন আপনারা জীবিত থাকতে রফিক উদ্দিন ভূঞার মত ত্যাগী নেতাদেরকে জন্ম ও মৃত্যু বাষিকীতে তাকে স্বরন করা হয়না এটা ভাবতেও পারিনা।

ব্রেকিং নিউজঃ