| |

মানিক ও রতন চেয়ারম্যনসহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের গ্রেফতারের দাবীতে মানববন্ধন

আপডেটঃ 6:59 pm | April 18, 2016

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পি:
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশাল উপজেলার আহাম্মদাবাদ ক্যাম্পের কুখ্যাত রাজাকার কমান্ডার জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আনিছুর রহমান মানিক ও কানিহারী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রতন সহ সকল রাজাকারের ফাঁিসর দাবীতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি ও সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম।
সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসকাবের সামনে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি ও সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের উদ্যোগে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম, হরমুজ আলী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফরহাদ আলী খান প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, রাজাকার কমান্ডার আনিছূর রহমান মানিক, সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রতন সহ বেশ কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে আদালতে তিনটি  মামলা যার নং ৯১৪/১৫ , ১০৬০/১৫ ও ৯৩/২০১৬ দায়ের করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। রাজাকার আনিছুর রহমান মানিক ও সাইদুর রহমান রতন প্রক্যাশ্যে ঘোরা ফেরা করে মামলার বাদীকে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে। অবিলম্বে চিহ্নিত এসব রাজাকারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া না হলে কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে বক্তারা জানান।
মানববন্দনে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব তার বক্তব্যে বলেন, ত্রিশাল থানার কুখ্যাত মুসলীমলীগ নেতা ও থানা শান্তি কমিটির সভাপতি আব্দুল খালেক সরকার ছিল তথাকথিত পূর্ব পাকিস্থানের গর্ভনর মুনায়েম খানের খুব গনিষ্ঠ। স্বাধিনতা যুদ্ধের সময় ত্রিশাল থানার একমাত্র রাজাকারের ঘাটি বা ক্যাম্প ছিল কানিহারির আহাম্মদাবাদ স্কুলে ।
উক্ত ক্যাম্পের প্রধান রাজাকার কমান্ডার ছিল শান্তি কমিটির সভাপতি খালেক সরকারের ছেলে আনিছুর রহমান মানিক ও তার ভাই সাইদুর রহমান রতন। কানিহারির রাজাকার ক্যাম্প থেকে সমগ্র ত্রিশাল থানায় নিয়ন্ত্রন করে হত্যা, লুটপাট ও নির্যাতন চালানো হতো। আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হামিদ (হামন) ইউনুছ আলী (ইনু) আমেদ আলী, নরেন্দ্র  বাবু , মুক্তিযুদ্ধা ইদ্রিস আলী ও কালির বাজারের মুক্তিযুদ্ধা রসুলসহ আরও অনেক মুক্তিকামী মানুষকে ধরে এনে রাজাকার কমান্ডার আনিছুর রহমান মানিক ও সাইদুর রহমান রতন সহ অন্যান্য রাজাকারদের সহযোগিতায় গুলি করে হত্যা করা হতো।

ব্রেকিং নিউজঃ