| |

ময়মনসিংহের এক অটিষ্টিক শিশু হিমেল পিতার শ্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে

আপডেটঃ 6:51 pm | April 23, 2016

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজে যেখানে অটিষ্টিট শিশুদের সার্বিক পরিচর্যা করা সহ সর্বাত্বক প্রয়াস নিয়েছেন সেই মুহুর্তে ময়মনসিংহের ১৫ বছরের এক অটিষ্টিক শিশু হিমেল পিতার বদলী নামক করালগ্রাসের থাবায় পরে পিতার শ্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চাকুরী জনিত কারনে সয্যাপিড়ীত অসহায় হিমেলের পিতাকে আকস্মিক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের কর্মস্থল থেকে সাড়ে ৩শত মাইল দুরে চট্রগ্রাম ডিভিশনে বদলী করা হয়েছে। শিশুকালে ফুটফুটে বাচ্চা থাকলেও ৮ বছর বয়স থেকেই হিমেল এর এসএসবি নামক রোগের কারনে অস্বাভাবিক স্বভাব ধরা পরে। এক পর্যায়ে তার অবস্থার অবনতি দেখা দিলে ডাক্তার তাকে অটিষ্টিক রোগের চিকিৎসা করতে থাকে। হিমেলের পিতা মো: মেহারুল ইসলাম ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকুরী করেন। চাকুরীর সময় অতিবাহিত হওয়ার পর বাকী সময় কাটান অটিষ্টিক শিশু হিমেলকে নিয়ে। শিশু হিমেল সকল অসহায়ত্বের মাঝে থেকেও পিতা মাতার ¯েœহ, আদর ও ভালবাসা পেয়ে সে সকল দু:খ ভুলে থাকতো। কথা বলতে না পারলেও পিতাকে পাশে পেয়ে হিমেল সব সময় থাকতো হাসি খুশি। তার ফুরফুরে মেজাজ দেখে পিতা মাতার মনের কষ্টও লাগব হতো। হটাৎ পিতার বদলী হওয়ার কারনে হিমেল পিতার ¯েœহ মায়া মমতা থেকে বঞ্চিত হয়ে বর্তমানে প্রতিনিয়তই কাতর হয়ে পরছে। কথা বলতে না পারলেও আকারে ইজ্ঞিতে সে পিতার অভাব সবাইকে বুঝায়। এমনই অবস্থায় হিমেলের পাশে থাকা এক বোন ভাই এর চিন্তায় অস্থির। এদিকে হিমেলের বোনটির এইসএসসি পরিক্ষা চলমান। একদিকে পিতার অন্যত্র বদলী অন্যত্র ভাই এর অন্যমনস্কতা তার লেখাপড়া ও পরিক্ষায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। অটিষ্টিক শিশু পরিবার মানবিক কারনে পিতাকে অসহায় শিশুর পাশে ফিরিয়ে দেয়ার পদক্ষেপ সৃষ্টি করতে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সদয় অনুরোধ জানিয়েছেন। অটিষ্টিক পরিবারে খোজ নিয়ে জানাগেছে, শিশুটির মাতার পর পর তিন বার অপারেশন হওয়ার কারনে সাধারনত অটিষ্টিক শিশুকে পরিচর্যা করার সকল দায়িত্ব পালন করতেন হিমেলের পিতা মেহারুল ইসলাম। এছাড়া অটিষ্টিক শিশুদের লালন পালন করা সবার পক্ষে সম্বব নয়। অটিষ্টিক শিশুদের সকল আবদার, অত্যাচার সহ্য করে তাদের পরিচর্যা করতে হয়। এটি সবার পক্ষে সম্বব হয় না। আবার লোক দিয়ে তাদের পরিচর্যা করতে গেলে মাসে তাদের জন্য মোটা অংকের পারিশ্রমিক বা সম্মানী গুনতে হয়, এটি হিমেলের পিতা হাসপাতালের সাধারন একজন কর্মচারীর পক্ষে বহন করা সম্বর নয়। তাছাড়া এসব শিশুরা প্রতিনিয়তই অসুস্থ হয়ে যায়। তাদের ভাষা পিতা মাতা বা পরিচর্যাকারী ছাড়া সবাই বুঝেনা। সব মিলিয়ে এমন একজন অসহায় শিশুর সেবার করার জন্য হলেও হিমেলের পিতাকে তার পুর্বেও কর্মস্থল  ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফিরিয়ে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমাজসেবা মুলক কাজের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সংশ্লিষ্ট মহল আগ্রহ প্রকাশ করবেন বলে অনেকেই প্রত্যাশা করেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী মো: মেহারুল ইসলাম ২ মেয়ের পরিক্ষা ও অটিষ্টিক শিশুর প্রতি মানবিক কারন দেখিয়ে পুর্বেও কর্মস্থলে চাকুরী করার সুযোগ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বরনাপন্ন হয়েছেন।

ব্রেকিং নিউজঃ