| |

মজিবুর রহমান ফকিরের মৃত্যু আ’লীগের ক্ষতি

আপডেটঃ 2:08 am | May 03, 2016

Ad

সংসদ গ্যালারি থেকে: সদ্য প্রয়াত ময়মনসিংহ-৩ (গৌরিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) মজিবুর রহমান ফকিরের মৃত্যু আওয়ামী লীগের জন্য বেশ বড় ক্ষতি বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই অঞ্চলে যতোবার মনোনয়ন দেওয়া হতো তাকে হারানোর কোনো শক্তি আর কারো ছিল না বলেও মত দেন প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার (০২ মে) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রয়াত সংসদ সদস্য মজিবুর রহমানের মৃত্যুতে আনিত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি (মজিবুর রহমান) শুধু একজন ডাক্তারই ছিলেন না, একজন সফল সমাজসেবক ছিলেন। তার মতো একজন নেতাকে হারিয়ে আওয়ামী লীগের বিরাট ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্যাপ্টেন মজিবুর রহমান অসুস্থ হওয়ার পর ঢাকায় আনার কথা ছিল, কিন্তু তিনি কিছুতেই রাজি হননি। যে হাসপাতাল তিনি নিজ হাতে গড়েছেন, সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি, পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানাই। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, ডাক্তার ছিলেন, মানবদরদী ছিলেন, তার নার্সিং হাউজে কোনো দরিদ্র লোক আসলে বিনামূল্যে চিকিৎসা করে দিতেন। এ জন্যই গৌরিপুর থেকে তিন তিনবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। একেবারে মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে একাত্মা হয়ে কাজ করতেন; যা একজন রাজনীতিবিদের জীবনে বড় অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের মেয়াদে আমি তাকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তিনি দারুণ দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। কেউ তার বিরুদ্ধে কোনো দিন একটি কথাও বলেতে পারেননি। মজিবুর রহমান ফকির গতকাল (রোববার) সারাদিন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনেই ছিলেন। এরকম একজন বিচক্ষণ রাজনীতিবিদকে আমরা হারালাম আজ।

মজিবুর রহমান ফকিরের নামে সংসদে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহেদ মালিক স্বপন, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, আনোয়ারুল আজীম আনার, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম অংশগ্রহণ করেন। পরে শোক প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

ব্রেকিং নিউজঃ