| |

সাংবাদিক সম্মেলনে অধ্য জিয়াউদ্দিন শাকির অনৈতিক সুবিধা না দেয়ায় কতিপয় শিক অপপ্রচারে নেমেছে

আপডেটঃ 8:36 pm | June 14, 2016

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী: ময়মনসিংহ মহাকালী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্য জিয়া উদ্দিন শাকির অভিযোগ করে বলেছেন, অনৈতিক সুবিধা না দেয়ার জের ধরে স্কুল ও কলেজের কতিপয় শিক অধ্যরে অপসারন দাবি করে শিার্থীদের রাস্তায় নামিয়ে কথিত আন্দোলনের নামে অপপ্রচারে নেমেছে। চিহ্নিত এসব শিকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তদন্তপূর্বক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসকাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে কলেজ অধ্য এই অভিযোগ করেন। এর আগে শিকরা অধ্যরে বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ময়মনসিংহ প্রেসকাবের সামনে মঙ্গলবার দুপুরে মানববন্ধন  ও সমাবেশ করে।
সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করে বলা হয়, আন্দোলনকারী শিকরা এর আগে কলেজ অধ্যরে বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক ও গভর্ণিং বডির কাছে লিখিত আবেদন জানায়। গভর্নিং বডির উচচ পর্যায়ের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিসহ দুদকের আলাদা তদন্তে অভিযোগের কোন সত্যতা মেলেনি। এমতাবস্থায় হতাশাগ্রস্থ শিক হারুণ অর রশিদ, আনোয়ার হোসেন, আয়েশা আক্তার, তৌফিকুন নূর সাদী ও ইসরাত জাহান খানের নেতৃত্বে কতিপয় শিক নানা মহলে বিভ্রান্ত্রি ছড়িয়ে আন্দোলনের কথা বলে অপপ্রচারে নেমেছে। এই েেত্র স্কুল ও কলেজের কোমলমতি শিার্থীদের মানববন্ধনসহ আন্দোলনে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। কলেজ অধ্য সাংবাদিকদের জানান, তাঁর দায়িত্ব গ্রহনের আগে কলেজের স্বীকৃতি ও এমপিও কোনটাই ছিল না। ছাত্রীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৫০ জন। বর্তমানে কলেজে ১২ শতাধিক ছাত্রী রয়েছে। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কলেজটি এখন উন্নতির শিখরে অবস্থান করছে। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল কলেজ অধ্যরে ব্যক্তিগতসহ কলেজের সুনাম ও ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২০০৮ সালে মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করে। মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অডিট টিম দীর্ঘ দিন অডিট করেও কোন অনিয়ম দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। পরবর্তীতে ২০১১ সালে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে অভ্যন্তরীণ বিশেষ অডিটেও কোন দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। অভিযোগকারীরাই ওই সময়ে এই অডিট টিমে ছিলেন। সর্বশেষ গত ২০১৫ সালে শিকদের সমন্বয়ে আরও একটি অডিট সম্পন্ন হয়েছে। সকল অডিট রিপোর্টে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক স্বচ্চছতা প্রতিফলিত হয়েছে। কোথাও কোন অনিয়ম ও দুর্ণীতির প্রমাণ না পেয়ে কলেজ অধ্যকে সকল অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তারপরও অভিযোগকারী শিকদের একটি মহল সহজ সরল ও নীরিহ শিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং কলেজ শিার্থীদের ব্যবহার করে আন্দোলনে যুক্ত করছে। ফলে কলেজে পাঠদান ব্যাহত করে চাকরি ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থেকে কতিপয় শিক দুদকের কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলেও সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। সাংবাদিক সস্মেলনে বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্য জিয়া উদ্দিন শাকির। এসময় নরুল আলম, মালেকা পারভীন, ইসরাত পারভীন, হোসনে আরা বেগম, আব্দুল হাই, সেলিনা বেগম, হেলাল উদ্দিন ও শাহীন বিলকিসসহ স্কুল ও কলেজ শাখার শিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ