| |

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ঐরাবত (হাতি) এসেছে

আপডেটঃ 7:39 am | August 06, 2016

Ad

জামালপুরের সরিষাবাড়ী থেকে: জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ঐরাবত (হাতি) এসেছে। দূর-দুরান্ত থেকে বৃদ্ধ-শিশুরা নৌকা ভাড়া করে তা দেখতে আসছেন।

এই হাতি নিয়ে সিধুলী, আদারভিটা, কামারাবাদ তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ আতংকে থাকলেও রয়েছে কৌতুহল। এসব ইউনিয়নের শুয়াকৈর, বড়বাড়ীয়, বীর বড়বাড়ীয়া, সৈয়দপুর, ধারাভাষ্য গ্রামে হাতিটি বিভিন্ন সময়ে অবস্থান করে।

এদিকে হাতি ঘিরে এলাকার মাঝিদের ব্যবসা কিছুটা জমে উঠেছে। এছাড়া কামরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গড়ে উঠেছে দোকান পাট।

চলতি বন্যায় সিধুলী, আদারভিটা, কামারাবাদ তিন ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হাতির কারণে বিভিন্ন স্থান থেকে আত্মীয়-স্বজনের আগমনে এ তিন ইউনিয়নের বাসিন্দারা যেন বন্যার কষ্ট ভুলে যেতে বসেছেন।

শুয়াকৈর গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল জানান, আমার তিনডা বেটি হাতি দেহার জন্য বাড়িতে আইছে।

ফুলবাড়ীয় এলাকার ষাটোর্ধ্ব সুলতান মিয়া জানান, আমাগের গায়ে হাত্তি আইছে, কোনদিন ভাববির পাই নাই। বাজারো মেলা হাত্তি দেখছি, জঙ্গলের হাত্তি পত্তম দেখিছি।

কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা ফজলু জানান, হাত্তির কারণে মেলা সাগাই আইছে। বানে কষ্ট হইব করে ওরাই চাল, ডাল আনছে।

কামারাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুনছের খানা  জানান, হাতি আমাদের আনন্দ দিচ্ছে ঠিকই কিন্তু আতংক রয়েছে।

গত ২৩ জুলাই থেকে ভারতীয় বন্য হাতিটি সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নের ছুটে বেড়াচ্ছে। হাতি উদ্ধারের জন্য ইত্যিমধ্যে ভারতীয় ৩ সদস্যের একটি দলের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন বিভাগের পরিদর্শক অমিত মল্লিকের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যে একটি দল কাজ করছে।

গত দুইদিন ধরে হাতি উদ্ধারের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। শনিবার দলটি ফের হাতি উদ্ধারে চেষ্টা চালাবে।

ব্রেকিং নিউজঃ