| |

ইতিহাসে প্রতিদিন আজ ০৬ সেপ্টেম্বর’২০১৬ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর মৃত্যু বার্ষিকী

আপডেটঃ 2:02 am | September 06, 2016

Ad

১৯৭২ সালের এই দিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এ দেশের সঙ্গীতাঙ্গনের নক্ষত্র সর্বপাদ্য বিশারদ, বিভিন্ন রাগ-রাগিনীর ¯্রষ্টা ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ । তার জন্ম আনুমানিক ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শিবপুরে। সঙ্গীতে হাতেখড়ি নেন ফকির আফতাবউদ্দিন খাঁর কাছে। কিশোর বয়সেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যাত্রাদলের সঙ্গে গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়ান। এক পর্যায়ে চলে যান কলকাতায় । সেখানে গোপালকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের শিষ্যত্বে থাকেন পাকা ৭ বছর। এর পর স্বামী বিওকান্দর ভাই স্টার থিয়েটারের সংগীত পরিচালক হাবু দত্তের কাছে বাঁসি,পিকলু,সেতার, ম্যান্ডেলিন, ব্যাঞ্জো ইত্যাদি দেশি-বিদেশি গ্রন্থে দক্ষতা অর্জন করেন। আরও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞের কাছে বিভিন্ন যন্ত্রের ওপর দক্ষতা নিয়ে একজন সর্ববাদ্য বিশারদ হয়ে ওঠেন। পরে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার রাজা জগৎ কিশোরের দরবারে সঙ্গীতজ্ঞ হিসেবে নিযুক্তি লাভ করেন। সেখান থেকে সরোদ শিখবার জন্যে রামপুরে চলে যান তানসেন বংশীয় বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ওস্তাদ ওয়াজি খার কাছে। ওয়াজি খার কাছে সেনী ঘরানার অত্যন্ত দুরূহ এবং সূক্ষ্ম সঙ্গীত কলাকৌশল শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯১৮ তে আলাউদ্দিন খাঁ চলে যান মধ্যপ্রাচ্যে মাইহার রাজ্যের নবাবের শিক্ষাগুরু হিসেবে । সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেছিলেন এবং সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
উপমহাদেশে রাগসঙ্গীতকে পাশ্চাত্যে পরিচিত করার অগ্রপথিক তিনি। ব্রিটিশ সরকার তাকে খাঁ সাহেব উপাধি দেয়। ১৯৫২ তে পান ভারতের সঙ্গীত একাডেমি পুরস্কার । ৫৪ তে নির্বাচিত হন একাডেমির ফেলো। ৫৮ তে পদ্মভূষণ ৬১ তে বিশ্বভারতীর দেশিকোত্তম ও ’৭১-এ পদ্মবিভূষণ উপাধি পান। ঢাকা ও দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে দিয়েছে ডক্টর অব ল’ ডিগ্রি । শান্তি নিকেতনে আমন্ত্রিত অধ্যাপক হিসেবে কিছুদিন অধ্যাপনা করেছেন।
(ডাঃ ইব্রাহিমের মৃত্যু)
জাতীয় অধ্যাপক ডা: ইব্রাহিমের মৃত্যুদিবস আজ। বাংলাদেশে ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন ও উন্নতি সাধনকারী এই মহান ব্যক্তিত্ব ১৯৮৯ সালের এই দিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঢাকায় ডায়াবেটিস হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় তার শ্রম, সাধনা ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ তার মৃত্যুর পর এ হাসপাতালটির নামকরণ করা হয়েছে ইব্রাহিম মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক সেন্টার (বারডেম হাসপাতাল)। খ্যাতিমান এই চিকিৎসাবিদের জন্ম ১৯১১ সালে মুর্শিদাবাদে। এমবিবিএস পাস করেন কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে । কলকাতা মেডিকেল কলেজে চাকরিও করেছেন অনেক দিন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর চলে আসেন ঢাকায়। কিছুদিন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ছিলেন। ১৯৪৮-এ উচ্চ শিক্ষার জন্যে চলে যান ইংল্যান্ডে। দেশে ফিরে বিভিন্ন মেডিকেল ইনস্টিটিউট উচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা মেডিকেল, সলিমুল্লাহ মেডিকেল, করাচির জিন্নাহ পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিকেল সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশ ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। মন্ত্রী মর্যাদায় রাষ্ট্রপতির (স্বাস্থ্য) এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাও ছিলেন । চিকিৎসা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অবদান রাখায় পাকিস্তান সরকার তাকে সিতারাই-পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করেছে।
১৯৬৫ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর পাক-ভারত সীমান্তে মাসব্যাপী উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পর ভারতীয় সেনা বাহিনী পাকিস্তানের ভূখ-ে ব্যাপক হামলা শুরু করে। কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের মধ্যে এর আগেও মারাত্মক যুদ্ধ হয়েছিল। তবে এবারের যুদ্ধ প্রায় তিন সপ্তাহ স্থায়ী হয় এবং পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় দুদেশের মধ্যে যুদ্ধ বিরতী কার্যকরী হয়। ১৯৬৬ সালের ১০ই জানুয়ারী রুশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যস্থতায় পাক-ভারত নেতৃবৃন্দ উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে এক সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ঐ চুক্তিতে কাশ্মীর সংকট নিরসন এবং উভয় দেশের মধ্যকার টানা পড়েন অবসানের কথা থাকলেও উভয় দেশই এখন পর্যন্ত কাশ্মীর সংকট নিরসনের ব্যাপারে কোন সমঝোতায় পৌছতে পারেনি।
১৯৬৮ সালের এই দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ সোয়াজিল্যান্ড বৃটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। দক্ষিণ আফ্রিকায় ইউরোপীয় দেশগুলোর উপনিবেশ স্থাপনের প্রতিযোগিতা বিস্তারের এক পর্যায়ে সোয়াজিল্যান্ড ইউরোপের অধীন হয়ে পড়ে। বহুকাল এ দেশটি ইংল্যান্ড ও ট্রান্সভালের যৌথ কতৃত্বে পরিচালিত হয়। কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা স্বার্বভৌম দেশ হিসাবে আত্ম প্রকাশ করলে সোয়জিল্যান্ড বৃটিশ অধীনে পরিচালিত হতে থাকে। অবশেষে ১৯৬৮ সালে এ দেশটি স্বাধীনতা অর্জন করতে সক্ষম হয়। তাবে দেশটির রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অক্ষুন্ন থাকে। সোয়াজিল্যান্ডের আয়তন ১৭ হাজার ৩৬৪ বর্গ কিলোমিটার। আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত এ দেশটির পার্শ্ববর্তী দেশগুলো হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মোজাম্বিক।
ফার্সী ১৩৬৭ সালের এই দিনে ইরানের প্রখ্যাত আলেম আয়াতুল্লাহ মির্জা মোহাম্মদ বাকের আশতিয়ানী পরলোক গমন করেন। ফার্সী ১২৮৪ সালে তিনি তেহরানে জন্ম গ্রহণ করেন এবং সেখানে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের পর উচ্চ শিক্ষার জন্য ইরাকের নাজাফ শহরে যান। সেখানে তিনি বিজ্ঞ আলেম ও সেযুগের নামকরা পন্ডিতদের তত্ত্বাবধানে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণার কাজ শেষ করেন। নাজাফে তিনি ইজতিহাদ বা ধর্মতত্বের সর্বোচ্চ পর্যায় অতিক্রম করার পর তেহরানে ফিরে এসে শিক্ষকতা শুরু করেন। এই বিশিষ্ট ফকিহ ও সুপন্ডিত ইসলাম ও ধর্ম তত্ত্বের উপর বহু মূল্যবান গ্রন্থও রচনা করেছেন।
ফার্ষী ১১৯৪ সালের এই দিনে ইরানের স্বনামধন্য ও বিজ্ঞ আলেম হাজ¦ী মোল্লা আলী আলীইয়ারী তাবরীযি ইরানের তাবরীয শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ফিকাহ, হাদিস ও সাহিত্যে অত্যন্ত পরদর্শী ছিলেন এবং আইন, গণিত শাস্ত্র ও জ্যোতির্বিদ্যায় সুদক্ষ শিক্ষক হিসাব সুপরিচিত ছিলেন। তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য ইরাকের নাজাফ শহরে যান এবং সেখানকার ধর্মীয় মাদ্রাসায় বিশিষ্ট দক্ষ আলেমদের সান্নিধ্যে ফিকাহ ও উসুলে ফিকাহ শাস্ত্রে সুপন্ডিত হয়ে ওঠেন। ইরানের ফিরে আসার পর তিনি শিক্ষা প্রশিক্ষণের দিকে নজর দেন এবং ধর্মতত্বের বহু সুযোগ্য ছাত্র তৈরী করেন। তার সান্নিধ্যে শিক্ষা অর্জনকারী ছাত্ররা পরবর্তীতে স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। ধর্মীয় বিষয় ছাড়াও তিনি গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার ক্লাস নিতেন। ফিকাহ শাস্ত্রসহ ধর্মীয় নানা বিষয়ে লেখা তার মূল্যবান বহু গ্রন্থ আজও বিদ্যমান।
তুরস্কের সুলতান প্রথম সুলায়মানের মৃত্যু (১৫৬৬)
মোগল স¤্রাট আকবরের আকস্মিক অসুস্থতা। সিংহাসন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ (১৬৫৭)
হুগলীতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা স্থাপন (১৭৭৮)
ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু (১৮৮০)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম ম্যাককিনলে দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে আহত হয়ে ৮ দিন পর মৃত্যু (১৯০১)
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হিপোলিতু ইরিগুয়েন সামরিক অভ্যুখানে ক্ষমতাচ্যুত (১৯৩০)
জার্মানির বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার যুদ্ধ ঘোষণা (১৯৩৯)
ম্যানিলায় ৮টি দেশের প্রতিনিধিদের সিয়াটো চুক্তি স্বাক্ষর (১৯৫৪)
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী হেনড্রিক ডারওয়ের্ড কেপটাউনে পার্লামেন্ট অধিবেশনের সময় উচ্ছৃঙ্খল যুবকের ছুরিকাঘাতে খুন (১৯৬৬)
ব্রিটেনের কাছ থেকে সোয়াজিল্যান্ডের স্বাধীনতা লাভ (১৯৬৮)
৯০’র গণআন্দোলনে শহীদ জেহাদের জন্ম (১৯৬৯)
তুরস্কে ভূমিকম্পে ২৩ শতাধিক লোক নিহত (১৯৭৫)
গীতিকার, সুরকার সলিল চৌধুরীর মৃত্যু (১৯৯৫)
ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর প্রিন্সেস ডায়না সমাহিত (১৯৯৭)

ব্রেকিং নিউজঃ