| |

নারী ফুটবল তারকা তাসলিমার বাবাকে মারধরের অভিযোগ

আপডেটঃ 2:14 pm | September 08, 2016

Ad

মো: মেরাজ উদ্দিন বাপ্পী,:
এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সদস্য ময়মনসিংহের কলসিন্দুরের মেয়ে তাসলিমার বাবা সবুজ মিয়াকে (৪০) মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার রাতে ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার কলসিন্দুর বাজারের মহিলা মার্কেটে কলসিন্দুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চার শিক্ষক জুবেদ তালুকদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।
তাসলিমার বাবা সবুজ মিয়া জানান, বুধবার বিকালে কলসিন্দুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চার শিক্ষক জুবেদ তালুকদার অনূর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল দলের নয় খেলোয়াড় ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে এক আলোচনা সভা করেন। সভায় ৪৫তম গ্রীষ্মকালীন ফুটবল প্রতিযোগিতায় কলসিন্দুর উচ্চ বিদ্যালয়ের হয়ে জাতীয় দলের ৯ নারী ফুটবলারদের খেলতে বলেন। তবে  ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠেয় সংবর্ধনা ও সাফ ফুটবলের চ্যাম্পিয়নশিপ খেলার ব্যস্ততা থাকার কারণে  তারা খেলার বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করে। এ ঘটনায়  জুবেদ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং খেলোয়াড় ও অভিভাবকদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এসময় উপস্থিত অভিবাবকদের সঙ্গে জুবেদ তালুকদারের কথা কাটাকাটি হয়।  পরে রাত ৯ টায় কলসিন্দুর বাজার মহিলা মার্কেটে জুবেদ তালুকদার ও তার সহযোগীরা তাকে মারধর এবং হত্যার হুমকি দেয়।
তাসলিমার বাবাকে মারধরের ঘটনায় খেলোয়াড় ও অভিভাবক সবার মাঝে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে বুধবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে ধোবাউড়াগামী একটি লোকাল বাসে বাংলাদেশের নারী ফুটবলে ইতিহাস সৃষ্টিকারী সোনালী মেয়েদের বাড়ি ফিরতে হয়। যাত্রা পথে বিভিন্ন স্থানে কটূক্তি আর অশ্লীল বাক্যও শুনতে হয় তাদের। লোকাল বাসের ঘটনা নিয়ে যখন সারাদেশে তোলপাড় হচ্ছে তখনই তাসলিমার বাবাকে মারধরের ঘটনা ঘটলো।
এ প্রসঙ্গে ময়মনসিংহ রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আক্কাছ উদ্দিন ভুঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, ধোবাউড়া থানার ওসিকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলম জানান, এসআই মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। তবে অভিযুক্তদের কাউকেই সেখানে পাওয়া যায়নি
জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওমর হায়াত খান নঈম এঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে তিনি বলেন, কোনো খেলোয়াড়কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে খেলতে বলপ্রয়োগ, মানসিক চাপ সৃষ্টি ও তার অভিভাবককে মারধর করায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার হওয়া উচিত।

ব্রেকিং নিউজঃ