| |

বাংলাদেশ সরকার প্রাচীন মন্দির ও অন্যান্য জীর্ন মন্দির গুলোকে পুর্ন নির্মানের জন্য ২ শত কোটি টাকা থোক বরাদ্ধ দিয়েছে

আপডেটঃ 4:08 pm | September 25, 2016

Ad

সুমন ঘোষ ॥ গত ২৩শে সেপ্টম্বর ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ পুঁজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে শারদীয় দূর্গোৎসব ২০১৬ উপলক্ষে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় পুঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত সেন দীপু। সভা পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক তাপস পাল। এ সময় ৬৪টি জেলা থেকে পুঁজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার, হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক রানা দাশ গুপ্ত, সাবেক রাষ্ট্রদুত ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, পুঁজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি কাজল দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ এমপি, পুলিশের যুগ্ন কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, শ্যামলী পরিবহনের স্বত্বাধীকারী রমেশ ঘোষ, যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও পুজাঁ উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক কল্যান ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি সুব্রত পাল, ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক পদ্মাবতী দেবী প্রমুখ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রাচীন মন্দির ও অন্যান্য জীর্ন মন্দির গুলোকে পুর্ন নির্মানের জন্য ২ শত কোটি টাকা থোক বরাদ্ধ দিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সব ধর্মের প্রতি সমান আচরন করায় বিশ্বাস করেন বিধায় তিনি সংখ্যালঘু সম্পদায়ের মন্দির গুলো পুর্ননির্মানের জন্য এই টাকা বরাদ্ধ দিয়েছেন। তিনি সবধর্মের লোকের সমান অধিকারে বিশ্বাস করেন। তাই আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।

dada-pic-2
পুঁজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক তাপস পাল বলেন, পবিত্র ঈদের মত রাজপথ, গনভবন, প্রধানমন্ত্রীর ভবন ও অন্যন্য প্রশানিক ভবন গুলোতে আলোকসজ্জা করতে হবে। তিনি দুর্গাপুঁজায় সরকারী ছুটি ৩দিন করার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানান। তিনি আরো বলেণ, হিন্দু কল্যান ট্রাষ্টকে হিন্দু ধর্ম ফাউন্ডেশনে পরিনত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু দুর্গাপুঁজার সময় নয় সারা বর্ষব্যাপী পুঁজা মন্ডপ গুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করে কেন্দ্র বরাবরে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। প্রয়োজনে পুঁজা মন্ডপ গুলোর সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলা হবে। যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও পুজাঁ উদযাপন পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক কল্যান ট্রাষ্টের ট্রাষ্টি সুব্রত পাল বলেন, সরকার মন্দির পুর্ন গঠনের জন্য ২শত কোটি টাকার থোক বরাদ্ধ দিয়েছেন যা দিয়ে মন্দির গুলোকে পুর্ন গঠন ও পুর্ননির্মান করা হবে। জেলা ও মহানগর পুঁজা উদযাপন পরিষদ এ ব্যাপারে মন্দির গুলোর নাম ট্রাষ্টি মেম্বরদের মাধ্যমে প্রেরন করবেন। জেলা ও মহানগর পুঁজা উদযাপন পরিষদের সুপারিশকে বিবেচনায় নেয়া হবে। ময়মনসিংহ মহানগর পুঁজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক প্রদীপ ভৌমিক বলেন, রঘুনাথ জিউর আখড়ার প্রায় দেড় শত একর সম্পত্তি বেহাত হয়ে আছে। ভুমি উদ্ধারের ব্যাপারে তিনি কেন্দ্রীয় পুজাঁ উদযাপন কমিটির সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহের অনেক প্রাচীনতম মন্দির রয়েছে। এ গুলো ভগ্নপ্রায়। এ গুলোকে রক্ষা করতে হবে। তার জন্য দরকার ট্রাষ্টি বোর্ডের সহযোগিতা। তিনি পুঁজা উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটিকে তাকে আহবায়ক করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। এসময় ময়মনসিংহ জেলা পুঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট রাখাল চন্দ্র রায় বলেন, অর্পিত সম্পত্তি আইনটি একটি শুভঙ্করের ফাঁকি। একে সংশোধন করতে হবে। তা না হলে সংখ্যালঘু হিন্দুদের কোন উপকার হবে না। এবার ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগরে দুর্গাপুঁজার সংখা বেড়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমান হয় যে দেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে। ময়মনসিংহ থেকে উক্ত বর্ধিত সভায় এডভোকেট সুমন ঘোষ ও সুমন ভৌমিক অংশ গ্রহন করে ছিলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ