| |

অধিক ধর্মভীরু কাজাকিস্তানের যুবকরা

আপডেটঃ 12:56 am | October 28, 2016

Ad

ধর্মপাতা: কাজাকিস্তান মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দেশটির মোট আয়তন ২৭ লক্ষ ১৭ হাজার ৩ শ’ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক দিয়ে দেশটি বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র।
দেশের উত্তর অংশে অবস্থিত আস্তানা শহর দেশটির রাজধানী। এ দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। কাজাকিস্তানের মুসলমানরা ধর্মকর্ম পালন করেন বেশ ঘটা করে। ধর্ম শুধু পরিচয়ের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয় বরং ধর্মের প্রভাব দারুণভাবে উপস্থিত।
এ বিষয়েই বলছিলেন মদিনা নুরগালিভা। তিনি কাজাকিস্তানের বিশিষ্ট সমাজবিদ হিসেবে বেশ সমাদৃত। দেশটির সমাজে ধর্মের প্রভাবের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সক্রিয় প্রায় ৯০ ভাগ যুবকই ধর্মভীরু। আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো- এই ৯০ ভাগের ৮৬ ভাগই মুসলমান।
মদিনা নুরগালিভা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যুবকদের মাঝে ধর্মের প্রভাবের বিষয়ের ওপর গবেষণার পর এমন মন্তব্য করেন। তার গবেষণা অনুযায়ী তুলনামূলকভাবে কাজাকিস্তানের যুবকরা ধর্মীয় প্রভাবে দারুণভাবে প্রভাবিত। এমন প্রভাব প্রতিবেশি দেশগুলোকে খুব একটা দেখা যায় না।
যুবকদের কেউ কেউ ধর্মের বিষয়ে সরকারের নীতিকে সুষম জ্ঞান করলেও, তাদের বিরাট একটি অংশ মনে করেন- ধর্মের বিষয়ে সরকারের নীতি বেশ দূর্বল।
ধর্ম বিষয়ে সরকারের শিথীল নীতির পাশাপাশি ধর্মীর বিভিন্ন উপদলের কোন্দলে কাজাকিস্তানের যুব সমাজ বেশ বিরক্ত। এজন্য দেশের সরকার ও ধর্ম বিষয়ক কার্যালয়ের মুফতিদের তারা সমালোচনাও করে থাকেন।
কাজাকিস্তানের ধর্ম অধিদপ্তরের হিসেব মতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার মসজিদ রয়েছে। রয়েছে শতাধিক মাদরাসা ও হাজারের বেশি ইসলামি সেন্টার। অথচ সোভিয়েত শাসনামলে দেশটিতে মাত্র ৬০টি মসজিদ ছিলো।
কাজাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য মসজিদের অন্যতম হলো- হজরত সুলতান মসজিদ। মসজিদটি রাজধানী আস্তানায় অবস্থিত। এটি কাজাকিস্তানের সবচেয়ে বড় এবং মধ্য এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মসজিদ। এই মসজিদে একসঙ্গে ৫০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

ব্রেকিং নিউজঃ