| |

ফুলবাড়িয়ায় ১৪৪ ধারা কলেজে লাশ আনতে দেয়নি পুলিশ, নান্দাইলে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন

আপডেটঃ 12:55 am | November 29, 2016

Ad

স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া কলেজ সরকারিকরণের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে শিক্ষকসহ দুইজন নিহত হওয়ায় সোমবার উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
সোমবার সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত শিক্ষকের মরদেহ কলেজে আনতে পুলিশ বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে আন্দোলনকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন। পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী-শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে রোববার পুলিশের সংঘর্ষ হয়। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা করে ও রাবার বুলেট ছোড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এতে কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। কলেজের ভেতর আহত শিক্ষকেরা অনেক সময় ধরে আটকে ছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পরে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ মারা যান। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ধাওয়ায় নিহত হন সফর আলী নামে আরও একজন।
পুলিশের দাবি, শিক্ষক আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন। আর অপর ব্যক্তি ঘটনাস্থলের কিছু দূরে মারা গেছেন।
ফুলবাড়িয়া কলেজ জাতীয়করণ দাবি আদায় কমিটির আহ্বায়ক এস এম আবুল হাশেম সোমবার বলেন, রোববার রাতে নিহত শিক্ষকের লাশ পুলিশ পাহারায় ময়মনসিংহ শহরের সানকিপাড়া এলাকায় তার বাড়িতে রাখা হয়। সকালে ফুলবাড়িয়া কলেজে তারা শিক্ষকের লাশ আনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ নিষেধ করে। পুলিশ পাহারায় শিক্ষকের মরদেহ তার নিজ বাড়ি নান্দাইল উপজেলার কাদেরপুর গ্রামে নেয়া হয়। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে নিহত শিক্ষকের বাড়ির পাশে বাগে জান্নাত ফাফিজিয়া মাদ্রাসায় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে লাশ দাফন করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিফাত খান বলেন, মরদেহ কলেজে আনতে পুলিশ নিষেধ করেনি। তবে ১৪৪ ধারা জারির বিষয়টি তিনি জানান।
১৪৪ ধারা জারির কারণে ফুলবাড়িয়া উপজেলা সদর থেকে ঢাকার সঙ্গে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। আশপাশের এলাকায় যান চলাচলও সীমিত। এতে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।

ব্রেকিং নিউজঃ