| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতী একচেঞ্জ অফিসটি এখন ময়লা আবর্জনা ফেলার স্থান

আপডেটঃ 3:33 am | January 26, 2017

Ad

মো. আবু রায়হান ॥ শেরপুরের ঝিনাইগাতীর বিটিসিএল একচেঞ্জের জায়গাটি এখন পঁচা, ময়লা, আবর্জনাসহ নর্দমার স্থান হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও নজরদারীর অভাবে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও একচেঞ্জ অফিসের জায়গাটি বেহাত হয়ে চলছে। জানা যায়, গত ৪যুগ পূর্বে উক্ত স্থানে সরকারী ভাবে বার্তা আদান প্রদানের জন্য একটি শক্তিশালী ওয়ার্লেস অফিস স্থাপন করেছিল।

ওই ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অত্র অঞ্চলের বার্তা আদান-প্রদানের জন্য একটি শক্তিশালী যোগাযোগ মাধ্যম ছিল। এই বিটিসিএল ওয়ার্লেসের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের সুযোগ ভোগ করে আসছে। পরবর্তীতে উক্ত ওয়ার্লেস অফিসের সাথে যুক্ত হয় টেলিফোন একচেঞ্জ। উক্ত একচেঞ্জের মাধ্যমে অত্রাঞ্চলে লেন ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। টেলিফোন একচেঞ্জ চালু থাকাকালিন সময়ে ওই অফিসের জায়গা নির্ধারণের জন্য খুঁটি ও কাঁটা তার দিয়ে বেষ্টনি দেওয়া ছিল।

কিন্তু এনালক সিস্টেম বন্ধ হওয়ার পর ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হওয়ার পর উক্ত অফিসের উপর কর্তৃপক্ষ নজরদারি ও লোকবল কমিয়ে দেয় একচেঞ্জ অফিসের। এরপর থেকে উক্ত অফিসের জায়গায় বাউন্ডারী ক্ষতিগ্রস্থ্য হওয়ার ফলে অফিসের সীমানা প্রায় নিশ্চি‎হ্ন হতে চলেছে। অফিসের নির্দিষ্ট বাউন্ডারী না থাকায় এখন অফিসের জমি নিয়েও জটিলতা দেখা দিয়েছে। একদিকে টেলিফোন একচেঞ্জের চতুর্দিকে বাউন্ডারী না থাকায় উক্ত অফিসের জায়গা বেহতা হয়ে চলেছে।

অপরদিকে অফিস সূত্রে জানা যায়, উক্ত ওয়ার্লেসের জমির সীমানায় ৫০ শতাংশ জমি বিটিসিএল এর মালিকানা ছিল। উক্ত জমি ভূল বসত পাশের বাড়ির জমি ওয়ার্লেস অফিসের নামে রেকর্ড ভূক্ত হয় এবং ওয়ার্লেসের বাউন্ডারী ভুক্ত ওয়ার্লেস অফিসের মালিকানা জমি সরকারী খাস-জমি হিসাবে বি,আর,এস-এ রেকর্ড দেখা যায়। এতে প্রতীয়মান হয় যে, রেকর্ড ভূক্ত জমি উল্টা-পাল্টা হওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে ইব্রাহিমের পুরো পরিবারবর্গ। এই মহা সংকট থেকে ইব্রাহিম জমি উদ্ধারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিয়ে ঘুরাঘুরি করছে।

এ সমস্যায় ইব্রাহিমের পরিবার বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। তাই উক্ত বিষয়টি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় জমির পরিমান ঠিক থাকলেও অবস্থানগত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনি জটিলতার দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সমস্থ সমস্যা সরেজমিনে সমাধান করে উক্ত অফিসের জায়গাটির দখল ও বাউন্ডারীর মাধ্যমে আবর্জনা মুক্ত করে সীমানা নির্ধারণ করে রাখা অত্যান্ত জরুরী দরকার। সেই সাথে দাবীকৃত ইব্রাহিমের দীর্ঘদিনের বসত বাড়ি জমির মালিকানার কাগজপত্র ও দখল সঠিক আছে কি না তা দেখে সরেজমিনে উক্ত সমস্যা সামাধানের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন এমন প্রত্যাশা অত্র এলাকাবাসীর।

ব্রেকিং নিউজঃ