| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতী হাসপাতালে লোকবল ও ঔষধ সংকটের কারণে চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যাহত

আপডেটঃ 8:42 pm | March 09, 2017

Ad

মো. জয়নাল আবদিন, ঝিনাইগাতী : শেরপুরের ঝিনাইগাতী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল ও প্রয়োজনীয় ঔষধ সংকটের কারণে অত্র উপজেলাবাসী চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ঝিনাইগাতী হাসপাতালে প্রায় ৪লক্ষ লোকের মাত্র কয়েকটি ঔষধ দিয়ে দ্বায়সারা গুচের চিকিৎসা সেবা চলছে। হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের আউট ডোরের ডিসপেন্সারীতে এন্টিবায়োটিক হিসাবে টেট্টাসাইক্লিন, কটট্রিম, হিস্ট্রাসিন, আয়রণ, প্যারাসিটামল ও এন্টাসিড দিয়ে সকলের জন্যই চিকিৎসা সেবা চলছে। ঋতু পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে নানা ধরণের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে বেশীর ভাগ রোগ আক্রান্ত হচ্ছে বয়-বৃদ্ধ ও শিশুরা। ইতিমধ্যে কালিনগর গ্রামে ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ২৫/৩০ জনের মতো। ডায়রিয়া আক্রান্তরোগীরা ঝিনাইগাতী সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। তবে ডায়রিয়া রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমান ঔষধ না থাকায় বাহির থেকে ক্রয় করতে হচ্ছে। এতে দরিদ্র রোগীদের জন্য অনেকটাই কষ্টসাধ্য। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ঔষধ না থাকায় অনেক রোগী বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছে। উল্লেখ্য, হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা/কর্মচারী না থাকায় চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অত্র উপজেলাবাসী। প্রকাশ থাকে যে, অত্র ঝিনাইগাতী উপজেলার সিংহভাগ লোক দরিদ্র ও নি¤œ আয়ের লোক। তাই চিকিৎসা সেবার জন্য নির্ভর করে একমাত্র সরকারী এই হাসপাতালটির উপর। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অত্র উপজেলা হাসপাতালের লোকবল সংকটের বিষয়টি জেনেও লোকবল নিয়োগ না দেওয়ার কারণে চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অত্র উপজেলাবাসী। সীমিত সংখ্যক ডাক্তার নার্স ও ওয়ার্ড বয় দিয়েই প্রায় ৪লক্ষ লোকের চিকিৎসা সেবা চলছে। অত্র উপজেলার সিংহভাগ লোকের চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে ডা. এ.এস.এম মফিদুল ইসলামকে হিমশিম খেতে হয়। তাই অত্র উপজেলার চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল ও প্রয়োজনীয় ঔষধের দাবী জানিয়েছে অত্র সীমান্ত অঞ্চলবাসী।

ব্রেকিং নিউজঃ