| |

হরে নাম আর উলু ধ্বনিতে মুখরিত হবে গুপ্তবৃন্দাবন

আপডেটঃ 7:58 pm | March 24, 2017

Ad

আবুল কালাম ফুলবাড়ীয়া সংবাদদাতা ঃ রাধা কৃঞ্চের স্মুতি বিজড়িত গুপ্তবৃন্দাবন। কালের সাক্ষী সহস্র বয়সী কৃঞ্চতমাল বৃক্ষকে ঘিরে প্রতি বছরই হয় অনুষ্ঠানের আয়োজন। জমায়েত হয় দেশী বিদেশী রাধাকৃঞ্চ ভক্তকুল।

যুগ যুগ ধরে চলে আসা ৮ প্রহর ব্যাপী তারকব্রক্ষ মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানে শনিবার প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রানি সম্পাদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ।

ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ও টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নের গুপ্তবৃন্দাবন গ্রাম। এ গ্রামে রয়েছে সহস্র বয়সী একটি কৃঞ্চতমাল বৃক্ষ। কথিত আছে দ্বাপর যুগে শ্রী কৃঞ্চ অবতার হয়েছিলেন রাধাকে নিয়ে গুপ্তবৃন্দাবনের কৃঞ্চতমাল বৃক্ষ গোপনলীলায় মত্ত থাকতেন।

এ কারনেই এ স্থানের নাম গুপ্তবৃন্দাবন হয়েছে বলে হিন্দুদের বিভিন্ন গ্রন্থে লিপিবব্ধ রয়েছে।
রাধাকৃঞ্চের স্মৃতি বিজড়িত গুপ্তবৃন্দাবন গ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্মৃতি চিন্হ আজ আর নেই। কৃঞ্চতমাল বৃক্ষের একটু উত্তরে দীঘির মত দেখতে একটি স্থানে রয়েছে আন্বিক পাথর।

কবছর আগে সে পাথরটি সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। হিন্দুধর্মালম্বীরা জানান, স্থান শেষে পাথরে দাড়িয়ে রাধাকৃঞ্চ শরীর শুকাতেন। কৃঞ্চতমাল বৃক্ষের গোড়ায় গ্রিল না থাকায় ভক্তদের দেয়া মানতের আগরবাতি ও মোমবাতির আগুনে গাছটি ক্ষতি হওয়ায় সম্ভাবনা রয়েছে।

মন্দিরে রক্ষিত নিম কাঠের প্রাচীন শ্যাম, রায় ও মদন মোহন মূর্তিগুলো সংরক্ষন জরুরী হয়ে পড়েছে বলে জানান মন্দির সভাপতি মাখন চন্দ্র বর্মন। তিনি আরও জানান, মন্দিরে চর্তুদিকে কোন বাইন্ডারী দেয়াল নেই। বাউন্ডারী দেয়াল হলে নিরাপতায় থাকতো মন্দিরটি।
অপর দিকে সাগর দীঘি কবছর ধরে লীজ দেয়ায় তাতে হয় মৎস্য চাষ। দীঘির পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভরাট হয়ে গেছে দীঘি। ¯œান করার নেই কোন ঘাট।
২৫ মার্চ ৮ প্রহর ব্যাপী তারকব্রক্ষ মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান শেষে ২৬ মার্চ মধুতৃঞ্চা ত্রয়োশী তিথিতে সাগরদীঘিতে বারুনী স্লানের  মাধ্যমে শেষ অনুষ্ঠান।

ব্রেকিং নিউজঃ