| |

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণীয় করে রাখতে ময়মনসিংহ পৌরসভায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে ময়মনসিংহ বাসীর কাছে প্রসংশিত হচ্ছেন বর্তমান মেয়র ইকরামুল হক টিটু

আপডেটঃ 3:26 am | March 29, 2017

Ad

আলোকিত ডেক্স: মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণীয় করে রাখতে ময়মনসিংহ পৌরসভায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে ময়মনসিংহ বাসীর কাছে প্রসংশিত হচ্ছেন বর্তমান মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

৭১ স্বাধীনতাযুদ্ধের পর স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও অন্যান্য যারা পৌরসভার চ্যায়ারম্যান অথবা মেয়র হয়েছেন তারা কেও মুক্তিযোদ্ধাদের আগামী প্রজন্মের কাছে স্বরণীয় করে রাখার জন্য ময়মনসিংহ শহরে স্মৃতিসৌধ কিংবা স্থাপনা নির্মাণ করেনি। ব্যাতিক্রম শুধু বর্তমান মেয়র ইকরামুল হক টিটু।

পাটগুদামের র‌্যালি মোড়ে ময়মনসিংহ শহরের প্রবেশ পথে স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্টদের স্বরণে নির্মাণ করেছেন “বিজয়ের মোড়” নামক স্মৃতিস্তম্বটি। বড় কালিবাড়ী মন্দির প্রাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে পাক্ বাহিনী ও তার স্থানীয় দোসরদের হাতে নিহত স্থানীয় শহীদদের স্বরণে উন্মোচন করেছেন স্মৃতিফলক।

টাউনহল মোড়ে স্বাধীনবাংলা সরকারের মুক্তিযোদ্ধ চলাকালিন সময়ের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি যিনি ৭৫এ নরঘাতক পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাসী বিপদগামী সেনাদের হাতে জেলখানার ভিতরে শহীদ হয়েছিলেন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বরণে নির্মাণ করেছেন “সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর”। ময়মনসিংহে টাউনহল ময়দানে ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক শাসসুল হক স্বরণে নির্মাণ করেছেন “মরহুম শামসুল হক মঞ্চ”।

জয়নুল আবেদিন পৌর পার্কে ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা এড.মোস্তফা এম এ মতিন স্বরণে নির্মাণ করেছেন “মোস্তফা মতিন স্মৃতি পাঠাগার”। পৌরসভার সংলগ্ন রাস্তার মোড়ে এক সময়ে ময়মনসিংহের সংগ্রামী ছাএজনতা যেখানে অস্থায়ী শহীদমিনার নির্মাণ করে ২১শে ফেব্রুয়ারীতে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করত সেখানে নির্মাণ করেছেন আগামী প্রজন্মের কাছে অতীতের ইতিহাসকে তোলে ধরার জন্য “বিজয়ের মোড় ৫২-৭১”।

মুক্তিযোদ্ধ চলাকালে পাক হানাদার বাহীনি ও তার দোসর রাজাকার আলবদর শান্তিকমিটির সদস্যরা ময়মনসিংহের নারী পুরুষদের ধরে এনে পাশবিক নির্যাতন করে ছোটবাজারের ইসলামী ব্যাংকের নিচে চাপা পড়ে যাওয়া বধ্যভূমি কোপটিতে ফেলে দিত সেই কোপটির পার্শবর্তী রাস্তা ছোটবাজারকে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণে ছোটবাজারের নাম পরিবর্তন করে “মুক্তিযোদ্ধা স্বরণী” নামাকরন করেছেন।

সার্কিট হাউস মাঠ সংলগ্ন বধ্যভূমিটি যা আলোকিত ময়মনসিংহ পএিকায় একাধিক বার প্রকাশিত হয়েছে। সেই বধ্যভূমিকে পৌরসভার পক্ষ থেকে সংরক্ষন করার প্রতিশুতি ব্যাক্ত করেছেন।যার ফলে আগামী প্রজন্ম জানতে পারবে তাদের পূর্বস্বরীদের পাক বাহিনী এখানে এনে হত্যা করত। সেই শহীদদের স্মৃতিকে শ্রদ্ধাজানাতে পারবে আগামী প্রজন্ম।

মেয়র টিটু পৌরসভায় বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধাদের পৌরট্যাস্ক,পানির বিল মওকুফ করে দিয়েছেন পৌরসভার পক্ষ থেকে । কোন মুক্তিযোদ্ধা যদি দোতলা ভবন নির্মাণ করে তবে তাকে প্ল্যান পাশের কোন ফিস দিতে হবেনা। তিনি প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসে পৌরসভার পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধদের সন্মর্ধীত করেন এবং শ্রদ্ধাজানান স্বাধীনতা দিবসে।

এ প্রজন্মের মেয়র ইকরামুল হক টিটু মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বলে মুক্তিযোদ্ধাদের স্বরণীয় রাখতে তিনি এ কাজগুলো করে যাচ্ছেন এ জন্য ময়মনসিংহ বাসীর কাছে তিনি হয়েছেন প্রশংসিত।

ব্রেকিং নিউজঃ