| |

ত্রিশালে পানি নিস্কাশনের খালটি অবৈধভাবে বন্ধ করাই জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাচ্ছে ৫০ একর জমির ফসল

আপডেটঃ 11:59 pm | April 02, 2017

Ad

ফয়জুর রহমান ফরহাদ ॥ ত্রিশালে মঠবাড়ী ইউনিয়নের ফিসারী মালিকদের অব্যবস্থাপনায় খাল বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে চলতি বোরো আবাদের প্রায় ৫০ একর জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসি জানান, যার যেখানে ইচ্ছা সেখানে সে ফিসারী খনন করছে। পানি নিষ্কাশনের খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ফিসারীর পাড় তোলা হচ্ছে। যার ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে উপজেলার ১০নং মঠবাড়ী ইউনিয়নের ১ও ২নং ওয়ার্ড সহ, দুর্গাপুর, বাদামিয়া ও কোনাবাড়ী সহ কয়েকটি গ্রামের চলতি বোরো আবাদের প্রায় ৫০ একর জমির ফসল বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

হাজার হাজার টাকা খরচ করে ধানের শীষ বেরুনো ফসল নষ্ট হওয়ার আশংকায় দিশেহারা ওইসব এলাকার কৃষকরা। দ্রুত এ সমস্যার কোন সমাধান না হলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে কৃষকরা।

পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় বসতঘরে পানি উঠার উপক্রম হয়েছে। মঠবাড়ী ইউনিয়নের লাল মিয়া নূরুল আমীন, আশরাফ উদ্দিন, আব্দুস সাত্তার, মোকছেদ আলী ও আশরাফ আলী ফকির সহ স্থানীয়রা জানান, পানি নিষ্কাশনের খাল ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে ফিসারীর পাড় তুলেছে একই এলাকার জহিরুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে প্রশাসনিকভাবে দ্রুত কোন ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বো আমরা। গৃহিনী তাসলিমা খাতুন বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় আমাদের রান্নাঘর ও বসতঘরে পানি উঠে পড়ছে। একটু বৃষ্টি হলেই ঘর থেকে বের হওয়া যায় না। রান্নাবান্না, খাওয়া দাওয়া ও চলাফেরায় খুব কষ্ট হয়।

জহিরুল ইসলাম বলেন, আমার ফিসারী আর রাস্তার পাশে কোন হালটের জমি নেই। আমার জমিতে আমি ফিসারী করেছি। মঠবাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুস জানান, ফিসারী মালিকরা অপরিকল্পিতভাবে ফিসারীরপাড় বাধাঁয় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যা বিগত দিনে এমন সমস্যায় পড়তে হয়নি।

সমস্যা সমাধানে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিয়ে পানি নিস্কাশনের ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে ইউএনও আবু জাফর রিপন বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে ওই এলাকাগুলোতে পাঠানো হবে। কেউ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ