| |

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ২য় দফা শীলাবৃষ্টি ও ঝড়-তুফানে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল

আপডেটঃ 10:43 pm | April 05, 2017

Ad

মো. আবু রায়হান, প্রতিনিধি:শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ২য় দফা শীলাবৃষ্টি ও ঝড়-তুফানে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি সাধিত হয়েছে। প্রতিনিয়ত হচ্ছে অসময়ের কাল বৈশাখীর ঝড় তুফান ও শীলাবৃষ্টি। এতে প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে বহু ফসলি জমি। পাশাপাশি ঘর-বাড়ি, গাছ-পালা, ফলের বাগান, সবজি ক্ষেতসহ বহু ফসলের ক্ষতি সাধন হচ্ছে।

প্রকাশ থাকে যে, প্রায় ১মাস যাবৎ পশ্চিম-উত্তর কোনা থেকে কাল বৈশাখীর ঝড় আর শীলাবৃষ্টি বয়ে আসে। আর সন্ধা হলেই কাল বৈশাখীর ঝড়ের সাথে শীলাবৃষ্টিসহ প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। ইতিমধ্যে প্রবল বর্ষণ ও শীলাবৃষ্টিতে বোরো ফসল তলিয়ে গেছে। আর যা বাকি আছে শীলের কারণে নষ্ট হয়ে যাবে।

জানা যায়, অত্র উপজেলার দাড়িয়ারপাড়, ধানশাইল, বাগেরভিটা, বাকাকুড়া, গান্ধিগাঁও, বনগাঁও, চতল, জিগাতলা, আহমদ নগর, বগাডুবিসহ আরও বহু এলাকার বহু জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি অতি বর্ষণের কারণে বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিলগুলি বাঁধ ভেঙ্গে পানি ফসলি জমিতে প্রবেশ করছে।
উল্লেখ্য, গত ৪দিন পূর্বে আকস্মিক কাল বৈশাখির ঝড় ও শালীবৃষ্টিতে শতাধিক ঘর-বাড়িসহ ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবাররা হলো, দুধনই গ্রামের পারুল মারাক, দুলিয়ানা সাংমা, পপি মারাক, প্রবীত মারাক, জিয়ামনি, গালিনা সাংমাসহ আরও বহু লোকজনের ঘর-বাড়ি।

এছাড়া ছোট গজনী এলাকার কল্পনা মারাক, তিতমনি বেওয়া, সুমিতা সাংমা, নবাতী মারাক। এতে ২টি এলাকার অর্ধশত ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয় ও আংশিক বাড়ি-ঘর, গাছ-পালাসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। উল্লেখ্য, অত্র উপজেলার সীমান্ত অঞ্চলের অধিকাংশ লোক আদিবাসী, কোচ হাজং, গারোসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের লোক বসবাস করে।

এসমস্ত পরিবারের অধিকাংশ লোক দরিদ্র, শ্রমিক, দিনমুজুর ও নি¤œ আয়ের ছিন্নমূল লোকজন। এদের বসত-ভিটা, গাছ-পালা ও ফসলি জমির ক্ষতি সাধন হওয়ায় অত্র পরিবারের লোকেরা হতাশ হয়ে পড়েছে। এব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ.জেড এম শরীফ হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারদের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। এটি জেলা প্রশাসনের নিকট পাঠানো হবে। পরবর্তীতে নিয়মানুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থ্যদের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ