| |

আওয়ামীলীগে উওরাধীকারের রাজনীতি নিয়ে শেখ হাসিনার ভাবনা

আপডেটঃ 10:43 pm | April 26, 2017

Ad

প্রদীপ ভৌমিক ॥ আগামীতে কয়েকটি সিটি কর্পোরেশন,পৌরসভা,ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের প্রস্ততি চলছে। এমনি সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রী, এমপি, কেন্দ্রিয় নেতা ও জেলা, উপজেলা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উওরাধীকারদের প্রার্থীতা সম্পর্কে  খোলামেলা কথা বলেছেন।

মন্ত্রী, এমপিরা ও নিকট আত্মীয়দের মনোনয়ন  প্রাপ্তির জন্য তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে তোরজোড় চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া দলের মন্ত্রী, এমপি ও জেলা উপজেলা পর্যায়ের পদস্থ নেতাদের কাউকে কাউকে তাদের সন্তান ও আত্মীয় স্বজনদের দলীয় রাজনীতিতে গুরত্বপূর্ণ পদে আনার জন্য প্রবনতা দেখা যাচ্ছে।

যা নিয়ে রাজনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রীয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে দলকে বেরিয়ে এসে আত্মীয়করন মুক্ত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নিজের মনোভাব তুলে ধরেছেন।

স্থানীয় সরকার সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে উওরাধীকারের নামে অযোগ্য অদক্ষ ও বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং অজনপ্রিয়দের রাজনীতিতে আনার ব্যাপারে অনাগ্রহ দেখিয়েছেন।

তিনি কেন্দ্র থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ে পরিক্ষীত,যোগ্য, দক্ষ ও সর্বজনপ্রিয় নেতৃত্বকে সংগঠনের পুরভাগে এবং জন প্রতিনিধি হিসেবে দেখার ইচ্ছা পোষন করেন। আওয়ামীলীগে উওরাধীকারের রাজনীতির মানষিকতা পরিহারের উপর গুরত্ব আরোপ করেন।

কয়েকদিন পূর্বে তা সরকারি বাসভবনে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এমনটি প্রকাশ করেছেন। সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী তার সন্তান সজিব ওয়াজেদ জয়ের প্রসঙ্গ টেনে উদাহারন দিয়ে বলেন, আওয়ামীলীগের জন্য অনেক কিছু করা সত্বেও এমনকি দলের জাতীয় কাউন্সিলে কাউন্সিলারদের সর্বসম্মত দাবির মুখেও তাকে আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটিতে নেওয়া হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী, কেন্দ্রিয় নেতা কিংবা এমপিদের নাম উল্লেখ না করে তাদের সন্তানদের দলীয় নির্বাচনে মনোনয়ন কিংবা রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এটা সঠিক নয় বলে মনে করেন।

তিনি মনে করেন,যোগ্যতা থাকলেও তাদের সন্তানদের রাজনীতিতে পুনর্বাসন করাটা ঠিক নয়। রাজনীতিতে দল ও সরকারের মধ্যে একব্যাক্তির একাধিক দায়িত্বপালন সঠিক নয় বলে তিনি মনে করেন।

একজনের একাধিক দায়িত্ব পালন করলে ব্যর্থতা ও মতার দম্ভ আসতে বাধ্য বলে প্রধানমন্ত্রী মনে করেন। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের মনোভাবে কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হয়েছে তৃণমুলের নেতা কর্মীরা এই ভেবে যে তাদের প্রিয় নেত্রী এতদিনে বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পেরেছেন।শেখ হাসিনার এই মনোভাব বাস্তবায়িত হলে দল ও সরকার লাভবান হবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ব্রেকিং নিউজঃ