| |

শিাব্যবস্থা জাতীয়করনের দাবীতে ময়মনসিংহে শিকদের প্রতীকী অনশন

আপডেটঃ 10:53 pm | April 26, 2017

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥  শিাব্যবস্থা জাতীয়করনের দাবীতে বাংলাদেশ শিক সমিতি ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে ২৬ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১টা হতে ময়মনসিংহের ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে শুরু হয়েছে প্রতীকী অনশন।

বাংলাদেশ শিক সমিতি ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি শামছুন্নাহার বেগম এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মো: চাঁন মিয়া এর পরিচালনায় শিকদের প্রতীকী আনশন বিকাল ৩টা পর্যন্ত পালিত হয়।

শিাব্যবস্থা জাতীয়করন করতে হবে, বিপ্তি ভাবে শিা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করন নয়, জাতীয় শিানীতি-২০১০ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, সরকারী শিক কর্মচারীদের ন্যায় এমপিওভুক্ত শিক কর্মচারীদের ৫% বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, বাংলা নববর্ষ ভাতা, বাড়ি ভাড়া, পুর্নাঙ্গ উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা দিতে হবে, জাতিসংঘের ইউনেস্কো ও আইএলও এর সুপারিশের আলোকে শিাখাতে জিডিপির ৬% বরাদ্দ রাখতে হবে।নন এমপিও শিা প্রতিষ্ঠান ও শিক কর্মচারীদের এমপিওভুক্ত করতে হবে।

অবসর গ্রহনের ৬মাসের মধ্যে অবসর সুবিধা ও কল্যান ট্রাস্টের টাকা প্রদান করতে হবে সহ শিকদের বিভিন্ন দাবীর প্রেেিত বাংলাদেশ শিক সমিতি ময়মনসিংহ জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মো: গোলাম হক এর উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিক সমিতি ময়মনসিংহ আঞ্চলিক শাখার সাধারন সম্পাদক দুকুল চন্দ্র দেব, ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মো: চাঁন মিয়া, সহ সভাপতি মো: আব্দুল মালেক, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মো: এমদাদ খান, বাংলাদেশ শিক সমিতি ময়মনসিংহ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি জাফর আহমেদ চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন, শিক নেতা মো: আনোয়ার কবীর, মো: আব্দুল মোতালিব, মো: মিজানুর রহমান, মো: এমদাদুল হক, মো: আব্দুল আজিজ, আব্দুল মজিদ তালুকদার, মো: ছায়েদুল হক, মো: আনোয়ার কবীর, মো: মজিবুর রহমান, মো: হাবিবুর রহমান, মো: আ: কুদ্দুস শাহীন, মো: আব্দুল মজিদ, মো: মাহবুবুল আলম লিটন, মো: দুলাল মিয়া মো: বাহার উদ্দিন বাহার (গফরগাঁও),)মো: সাইদুর রহমান (তারাকান্দা) প্রমুখ।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিা প্রতিষ্ঠান থেকে শত শত শিক প্রতীকী অনশনের অংশ গ্রহন করেছে। বক্তারা বলেন ২৬ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতকরা ৯২ ভাগ ছাত্র/ছাত্রীদের বর্তমান শিক্ষকরা পাঠদান দিচ্ছেন।

শিক্ষকদের দাবী দাওয়া ৫% এমপিভূক্ত শিক্ষক/কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি, বৈশাখী ভাতা, বাড়ী ভাড়া, পূর্ণাঙ্গ উৎসবভাতা ও চিকিৎসা ভাতা জাতিসংঘ ইউনস্কো ও আইএলও এর সুপারিশের আলোকে শিক্ষাখাতে জিডিপি ৬% বরাদ্দ রাখতে হবে এবং একজন শিক্ষক অবসর গ্রহন করলে ৬ মাসের মধ্যে অবসর সুবিদা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা প্রদান করতে হবে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেশ বিদেশে যে সুনাম কুড়িয়েছে এটি বাংলাদেশের জন্য গৌরবময় অধ্যায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষকদের দাবী-দাওয়া বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ ও সরকারী আমলাদের কারণে এটি বন্ধ হয়ে আছে।

কেন এই বৈষম্য ? জাতীর কাছে একটি প্রশ্ন রাখতে চাই এবং অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদের পদত্যাগ চাই। ২০১৯ সালে আওয়ামীলীগ সরকার নির্বাচন করবেন।

আগামীতে সরকার ক্ষমতায় আসতে চাইলে শিক্ষকদের দাবী মানা এবং আগামী বাজেটে শিক্ষকদের বেতন ভাতা সংসদে বিল পাস করে শিক্ষকদের দাবী প্রত্যাশা মানার আহবান জানান।

ব্রেকিং নিউজঃ