| |

ঝিনাইগাতীতে নদীর বাঁধে ভাঙন

আপডেটঃ 1:45 am | October 06, 2017

Ad

স্টাফ রিপোর্টার:  শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীর বাঁধের দু’টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক মুষলধারে বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের প্রবল স্রোতে এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়।

 

এদিকে রামেরকুড়া এলাকায় গত ৪ বছর আগের বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে সদর বাজারে পানি ঢোকে। এতে প্রায় ৩শতাধিক দোকানপাটের মালামাল ক্ষতিসহ আশপাশের অনেক ঘরবাড়ী প্লাবিত হয়। নতুন ভাঙন দেখা দেওয়ার ফলে নদীর তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামে বিপুল সংখ্যক মানুষ ভাঙনের ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পূর্ব পাশের বাঁধের দিঘীরপাড় পালপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর বাড়ী সংলগ্ন প্রায় ১৫০ফুট ও পশ্চিম পার্শ্বে দিঘীপাড় ফাযিল মাদ্রাসা সংলগ্ন প্রায় ২০০ফুট ভাঙনের দেখা দিয়েছে।

 

যেকোন সময় বাঁধ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে দিঘীরপাড় ফাযিল মাদ্রাসা ও বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলী জমি। প্লাবিত হতে পারে বিদ্যালয়, মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ, কমিউনিটি ক্লিনিক, কবরস্থানসহ কয়েক শতাধিক ঘরবাড়ী।

 

নদীর এ দু’টি বাঁধের উপর দিয়ে কয়েকটি গ্রামে বিপুল সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করে। বাঁধের বেশির ভাগ অংশ ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
দিঘীরপাড় গ্রামের মোহাম্মদ মোস্তফা জানান, মাদ্রাসা সংলগ্ন বাঁধে ভাঙনের ফলে তারা পাঁয়ে হেঁটে চলাচল করছে। সেই সঙ্গে নদীর বাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ীসহ ফসলি জমি প্লাবিত হওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন।

 
পালপাড়া গ্রামের মো. আলফ উদ্দিন জানান, নদীর এ বাঁধটি সংস্কার করা না হলে যেকোন সময় পানির ¯্রােতে বাঁধ ভেঙে আশপাশের কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হবে।
দিঘীরপাড় ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ খসরু জানান, বন্যার পানির তোড়ে যেকোন সময় বাঁধ ভেঙে মাদ্রাসা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

 

পাউবো’র জামালপুরের প্রকৌশলী নব কুমার চৌধুরী বলেন, বেড়িবাঁধ সংস্কারের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে জরুরী ভিত্তিত্বে কাজ শুরু করা হবে।

ব্রেকিং নিউজঃ