| |

ময়মনসিংহ নগরীর৭,৮,৯নং ওয়ার্ডকে মডেল এলাকা গঠনে জিপ গাড়ী নিয়ে ঘুরছেন প্রিয়াংকা।

আপডেটঃ 6:11 pm | April 21, 2019

Ad

নবগঠিত ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নগরীর ব্যস্ততম প্রধান এলাকা ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনে কাউন্সিলর প্রার্থী নারী জাগরণ ও অধিকার বাস্তবায়নের অগ্নিকন্যা,অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠ, জনগণের আস্থাভাজন নারী নেত্রী তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা সাধারণ মানুষের কাছে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। জিপ গাড়ী প্রতীক নিয়ে প্রতিদিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট ও দোয়া চাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে নগরীর কালীবাড়ী,গাঙ্গিনারপাড়,বড় বাজার,ছোটবাজার,ষ্টেশন রোড,নতুন বাজারসহ গুরুতৃপুর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টের বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠকে প্রতিদিনই শত – শত নারী পুরুষদের নিয়ে জিপ গাড়ীর প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংগ্রামী নারী উদ্যোক্তা ও আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের সাহসী এই নারী নেত্রী । আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নগরীর ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডকে মডেল হিসাবে দেখার প্রত্যাশা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। তিন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের এই প্রত্যশা ও দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন পরিশ্রমী, উদ্যমী, তরুণ সমাজ সেবক ও সাধারণ অসহায় মানুষের আস্থাভাজন ব্যক্তি তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা। রাজপথের পরীক্ষিত সাহসী যুবমহিলালীগের তরুণ রাজনীতিবিদ এই নেত্র দলীয় কর্মকান্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সব সময় কাজ করে যাচ্ছেন। নবগঠিত সিটির নির্বাচন বিষয়ে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী প্রিয়াংকা চৌধুরী বলেন, জনকল্যাণমূলক কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। কোন প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়ন করতে মাঠে থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো। নগরীর ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক পরিছন্ন ও ডিজিটাল সিস্টেমের আওতায় এনে মডেল ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তোলা হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে। এই ওয়ার্ডগুলোকে প্রকৃত মডেল টাউন হিসেবে গড়ে তুলতে যা করণীয় তাই তিনি করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন । প্রথমে কোন বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন জানতে চাইলে এই নারী কাউন্সিলর বলেন, এবার আমার একটাই কাজ হচ্ছে আল্লাহর রহমতে সংরক্ষিত মহিলা আসনের ৩ টি ওয়ার্ডের ভোটাররা যদি আমাকে কাউন্সিলর হওয়ার সুযোগ দেয়, তাহলে পরিকল্পিতভাবে ৩ টি ওয়ার্ডকে সাজিয়ে নান্দনিক সিটির মডেল ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তোলবো। আর জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে জোরগলায় তিনি বলেন, অবাস্তব, কল্পনাবিলাসী ও আকাশ-কুসুম কোনো বিষয় এটা নয়। সকলের বসহযোগিতায় এটা বাস্তবায়ন করা অবশ্যই সম্ভব। তিনি আরও বলেন, আমি আমার ৩ টি ওয়ার্ডকে উন্নয়নের মূল স্রোতের সঙ্গে মেলাতে চাই। এই ৩ টি ওয়ার্ডের উন্নত ও অনুন্নত এলাকার মধ্যে বিদ্যমান যে বৈষম্য রয়েছে তা দূর করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রতি ও সমন্বিত উন্নয়নের উদ্যোগ নেবো। আমার আবেগ-ভালোবাসার প্রতিটি মানুষ সম্মান জানিয়ে ইতিমধ্যে যে সাড়া দিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞ। দলমত-নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের কাছে আমি জিপ গাড়ী মার্কায় ভোট, দোয়া চাই। তিনি বলেন, আসলে কোন কিছুই একা একজনের পক্ষে করা সম্ভব নয়। এখানেও আমি একা নই। আমার সাথে আছে আমার ৩ টি ওয়ার্ডের জনগণ। তাদের সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং আমার প্রতি তাদের বিশ্বাসের কারনে আমি এতদূর আসতে পেরেছি। তেমনি আমিও তাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি এবং ভবিষ্যতে মানব সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চাই। এতে যদি তাদের সামান্য উপকারও হয় তাহলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। আধুনিক পরিকল্পিত ওয়ার্ড গঠনের জন্য ওয়ার্ডবাসীর সাহায্য, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করে তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্যই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছি। আল্লাহপাকের অশেষ কৃপায় ও সকলের সহযোগিতায় নির্বাচিত হলে এই ওয়ার্ডের সকলের সম্মান এবং ঐতিহ্য রক্ষায় নির্লোভ কাজ করে যেতে চাই। হিন্দু-মুসলমানসহ বিভিন্ন ধর্মপ্রাণ মানুষের সহ অবস্থান ও বসবাস রয়েছে এই ৩ টি ওয়ার্ডে। তাই ঐতিহ্য রক্ষায় মিলে মিশে থাকার জন্য সুন্দর নান্দনিক পরিবেশ বজায় রাখতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

ব্রেকিং নিউজঃ