| |

চিকিৎসা সেবায় বৃহত্তর ময়মনসিংহবাসীর আস্থারস্থলে পরিনত হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

আপডেটঃ 6:10 pm | June 25, 2019

Ad

ইব্রাহিম মুকুট॥ মানবিকতার প্রশ্নে অক্লান্ত শ্রম দিয়েই যাচ্ছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোঃ নাছির উদ্দীন আহমেদ। নানান প্রতিবন্ধকতা ও জটিলতা কাটিয়ে বদলে দিয়েছেন হাসপাতালের চিত্র। স্বাস্থ্য সেবায় সেরা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এই হাসপাতাল। তবুও বিভিন্ন সময় আক্ষেপ করে প্রাণের এ প্রতিষ্ঠান থেকে সরে যাওয়ার মতো কঠিন সিদ্ধান্তের কথা বলেন মহানুভব এ মানুষ। পরে অবশ্য মানবিকতা ও মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা ভাবনা করে ডুবে যান মহাকর্মযজ্ঞে। সত্যিই অন্যরকম মানবিক এক মানুষ তিনি। যার তুলনা তিনি নিজেই। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা কতটুকু মহানুভব হতে পারেন তার নজির ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান পরিবেশ ও পরিস্থিতি। পাল্টে দিয়েছেন এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা, ওষুধ, খাবার ও পরিবেশ। এসব কারণে ৩ বছর আড়াই মাসে তিনি মহানুভবতার সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছেন। নিজের ত্রুটি, ভালো লাগা এবং না লাগার বিষয় নিয়ে অকপটে কথা বলা এ মানুষটি ময়মনসিংহ বিভাগ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর কোটি মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন। নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা ও ব্যর্থতা নিয়ে অকপটে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। স্বাস্থ্য খাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার পুরোটাই বাস্তবায়ন হয়েছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ৩ বছর আড়াই মাসে অন্তত: ৩৫ লাখ মানুষকে চিকিৎসা এবং শতভাগ ওষুধ প্রদান করে মহানুভব মানুষে পরিণত হয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোঃ নাছির উদ্দীন আহমেদ। সরকারি চিকিৎসা সেবার আমূল পরিবর্তন করায় স্বাস্থ্য বিভাগে অনুকরনীয় ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি হাসপাতালগুলোর প্রধানরা এখন তার ব্যবস্থাপনাকে অনুসরণ করছেন। কম রেটে টেন্ডারে ভাল মানের ওষুধ, সার্জিক্যাল আইটেম, খাদ্য এবং অন্যান্য মালামাল কিনে টাকা সাশ্রয় করেও সুনাম অর্জন এবং তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন বিচক্ষণ এ সেনা কর্মকর্তা। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোঃ নাছির উদ্দীন আহমেদ একজন স্বাপ্নিক মানুষ। যখন যেখানে দায়িত্ব পালন করেছেন সেখানেই সেবার মানসিকতা ও নতুন নতুন কনসেপ্ট বাস্তবায়ন করে দৃশ্যপট বদলে দিয়েছেন। নিজের কর্ম, নেতৃত্ব ও সাহসিকতায় ৫৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকেও দেশের মানচিত্রে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সরকারি এ হাসপাতালে সেবার গল্প এখন রূপকথা নয় বাস্তব। এমনটিই প্রমাণ করেছেন তিনি। এ হাসপাতালের প্রতি ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলাসহ ১০ জেলার ৫ কোটি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরী করেছেন তিনি। বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোঃ নাছির উদ্দীন আহমেদ নিজের মানবিক জীবনদর্শন দিয়ে আন্দোলিত করেছেন ১০ জেলার লাখ লাখ মানুষকে। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। একটি চিহ্নিত চক্রের প্রপাগান্ডায় ক্ষণে ক্ষণেই গভীর বেদনা অন্তরে ধারণ করেন ঠিকই কিন্তু তিনিই যখন দেখেন কাঙ্খিত সেবা নিয়ে রোগীরা হাসি মুখে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাচ্ছেন তখন এ মানুষটির মুখেই ফুটে উঠে তৃপ্তির হাসি। একদিন না একদিন হাসপাতাল বিরোধী সুবিধালোভী চক্রটি অভিশপ্ত, ঘৃণিত ও পরাজিত হবেই। জয় হবে মানবতার জয়গান গাওয়া বিশাল হৃদয়ের এ মানুষটির। পরিচালকের বলিষ্ঠ ও গতিশীল নেতৃত্বে এ হাসপাতাল দেশের চিকিৎসা সেবায় মডেল এবং সেরায় পরিণত হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবায় সরকারের সফলতা এবং কোটি মানুষ নিশ্চিন্ত চিকিৎসা সেবা পেলেও প্রায়ই এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় একটি চিহ্নিত চক্র। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং পরিচালককে বেকায়দায় ফেলার জন্য এরা কলেজ ও হাসপাতালে বদলি করে আনে পছন্দের চিকিৎসকদের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নীতিমালা মানে না এই চক্র। পঞ্চম গ্রেডের স্থলে ষষ্ঠ গ্রেডের চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

ব্রেকিং নিউজঃ