| |

ইশ^রগঞ্জের রাজিবপুর ইউনিয়নে শফিউল্লাহ উজ্জল নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী

আপডেটঃ 12:49 pm | November 11, 2021

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ ময়মনসিংহ জেলা ঈশ^রগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য শফিউল্লাহ (উজ্জল) চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের দলীয় নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক ত্রান ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ছিলেন। ইশ^রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। লেখাপড়া অবস্থায় তিনি নেত্রকোনা সরকারী বিশ^বিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। সাবেক সভাপতি ২১ নং চরপাড়া সরকারী প্রঅথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি। সাধারন সম্পাদক সম্পাদক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ চরপাড়া বাজার। সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ঢাকাস্থ ইশ^রগঞ্জ কল্যান সমিতি। সাবেক ছাত্র বিষয়ক ঢাকাস্থ ইশ^রগঞ্জ কল্যান সমিতি। তিনি বি.কম সম্মান হিসাব বিজ্ঞানে পাশ করেছেন। বর্তমানে তার বয়স ৪২ বছর। তিনি ব্যবসা করেন। জন্মস্থান রাজিবপুর ইউনিয়নের বৃদেবেস্থান গ্রামে। মিষ্টবাসী সদালাপী পরোপকারী চেয়ারম্যান প্রার্থী উজ্জল বেশ কয়েকবছর যাবৎ এলাকার মানুষের কল্যানে নিয়োজিত রয়েছেন। করোনা কালীন সময়ে তিনি এলাকায় আর্থিক ও ত্রান সহায়তা প্রদান করেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশকে উন্নত বিশে^র একটি উন্নত দেশে সমমানে উন্নীত করার লক্ষে সরকারী সম্পদের সুষ্ট বন্টন, ন্যায় শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত রাজিবপুর ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশী।
তার পিতার নাম আব্দুল মজিদ। মাতা সাহেরা খাতুন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও রাজিবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিউল্লাহ উজ্জলের পিতার পরিবারের সকলেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তাদের মধ্যে ৩ চাচা মৃত্যুবরন করেছেন। উজ্জলের পিতা সরকারী চাকুরীজীবি হিসাবে প্রধান করনিক ছিলেন। তিনি নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে অবসর গ্রহন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতির শ্রেষ্ট সন্তান বীরমুক্তিযোদ্ধাগনকে গোপনে ঔষদ, খাবার, বস্ত্র ও তথ্য দিয়ে প্রত্যক্ষ ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেন। তিনি বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য ও একনিষ্ট সমর্থক ছিলেন। পারিবারিক ভাবে শফিউল্লাহ উজ্জল এর ৮ ভাই ১ বোন আওয়ামীলীগের রাজনীতি সাথে উতপোৎভাবে জড়িত রয়েছে। বড় ভাই শহিদুল্লাহ কানন আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে সম্পৃক্ত । ২য় ভাই এডভোকেট হাবিবুল্লাহ মিলন ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবি সমিতির সদস্য ও জেলা জজকোর্টের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর। এডভোকেট মিলন ঈশ^রগঞ্জ বিশ^বিদ্যালয় কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক। সাবেক সভাপতি ইশ^রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ। সাবেক যুগ্ন আহবায়ক বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ইশ^রগঞ্জ উপজেলা শাখা। সম্মানিত সদস্য ইশ^রগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ। ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক ইশ^রগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ। ৩য় ভাই সাইফুল্লাহ লিটন আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ৪র্থ ভাই আহসান উল্লাহ খোকন বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের এস আই। ৫ম ভাই অলিউল্লাহ চঞ্চল রাজিবপুর আফতাব উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনোনীত ঈম্বরগঞ্জ বিশ^বিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাথে সংয়ক্রিয় ভাবে সম্পৃক্ত। ৬ষ্ট ভাই শরিফ উল্লাহ সচ্চল রাজিবপুর ইউনিয়নে স্বাস্থ্য সহকারী হিসাবে রাজিবপুর ইউনিয়নে কর্মরত আছেন। ৭ম ভাই আমান উল্লাহ সজল সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শাখা। একমাত্র বোন মরিয়ম আক্তার গৃহিনী। তিনিও আওয়ামীলীগের অনুসারী।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় উজ্জলের পরিবার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ১৯৯০ সনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও বিএনপি জামাত জোট সরকার বিরোধী আন্দোলনে তার বড় ভাই এডভোকেট হাবিবুল্লাহ মিলন হামলার শিকার হয়ে বারবার কারাবরন করেছেন। ১৯৯৯ সনে জামাত শিবিরের হামলায় তার ২ ভাই গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। জাতীয় ও স্থানীয় সরকার সকল নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০০১ সালে বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার পরিবারের উপর অনেকবার হামলা মামলা ও বাড়ীঘর ভাংচুর সহ মালামাল লুটপাটের শিকার হয়েছে।

ব্রেকিং নিউজঃ