| |

যোগ্যতার মাপকাঠিতেই জুবের আলম কবীর রুপক আওয়ামীলীগের দলীয় নৌকা প্রতিক মনোনয়ন প্রত্যাশী

আপডেটঃ 7:17 pm | November 27, 2021

Ad

মো: নাজমুল হুদা মানিক ॥ বহু মিথ্যা মামলায় কারা নির্যাতিক সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা জুবের আলম কবীর রুপক ২০২০ সালের ২০ অক্টোবর উপনির্বাচনে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলার ৪নং আঠারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচিত হন। উপনির্বাচনের পর মাত্র ১ বছর দায়িত্ব পালনের পুনরায় মুরু হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। অল্প সময়ের জন্য চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও যোগ্যতা আর কর্মদক্ষায় জয় করেে নিয়েছেন এলাকাবাসীর মন। সামান্য সময়ের ব্যবধানে হয়েছে এলাকার অভুতপুর্ব উন্নয়ন। সুদীর্ঘকাল ধরে ব্যাবসায়িক ভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক জোন হিসাবে পরিচিত সফলতার দ্বারপ্রান্তে উপনীত আঠারবাড়ী ইউনিয়নের সাধারন মানুষের পাশাপাশি রুপক চেয়ারম্যান নিজেও চান আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় নৌকা প্রতিক দিয়ে তাকে পুরস্কৃত করা হউক। এলাকাবাসীর উন্নয়নের জন্যই রুপকের মত যোগ্য, ত্যাগী, সৎ ও নিষ্ঠাবান বলিষ্ঠ আওয়ামীলীগারকে নৌকা মার্কায় মনোনয়ন দেয়া প্রয়োজন। তিনি ২০০৯-২০১২ইং সনে আঠারবাড়ী ডিগ্রী কলেজের গভনিং বডির ২বার সদস্য ছিলেন। ২০১৫ সনে সহিলাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সনে তিনি মিতালী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ১৯৯৫ সনে আঠারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, ১৯৯৬ সনে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৯৭ সনে আঠারবাড়ী ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক, ১৯৯৮ সনে আঠারবাড়ী ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেন। ২০০২ সনে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য, ২০০৪ সনে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য, ২০০৯ সনে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে কাজ করেন। আঠারবাড়ী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ২০০৪ সনে সহিলাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন, ২০০৫ সনে কাতিয়ার হাওর জামে মসজিদের পুর্ন:নির্মান, ২০০৬ সনে সহিলাটি জামে মসজিদের পুর্ন:নির্মান, ২০১০ সনে চোরগাঁও জামে মসজিদের পুর্ন:নির্মান, ২০১১ সনে রায়পুর গ্রামে মন্দির নির্মান করেন। এ ছাড়া ৪নং আঠারবাড়ী ইউনিয়নের অন্তর্গত প্রায় প্রতিটি মসজিদ, মাদরাসা, মন্দির সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন। আঠারোবাড়ী ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের বাসিন্ধা পিতা মৃত জালাল আহমেদ ও মাতা নুরজাহান বেগমের পুত্র জুবের আলম কবীর রুপম ১৯৯৩ সনে বি.এন.পি জামাত জোট শাসনামলে ৪টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার শিকার হন। ১৯৯৫ সনে আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশ ও ছাত্রদল কর্মীর হামলায় আহত হন। তিনি ১৯৯৬ সনে অসহযোগ আন্দোলনের সময় একক নেতৃত্ব দিয়ে রাজপথ ও রেলপথ দীর্ঘদিন অবরোধ করে রাখার অপরাধে সন্ত্রাসী আইনে মিথ্যা মামলার শিকার হন। ২০০১ হতে ২০০৬ পর্যন্ত বি.এন.পি জামাত জোটের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ১৫টি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার শিকার হন। ২০০৪ সনে ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেট হামলার তীব্র প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশ কর্তৃক বাড়ীঘরে হামলা ও ভাংচুরের শিকার হন। ৩১ মার্চ ২০১৯ সনে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন ও নৌকা প্রতিককে বিজয়ী করতে ব্যাপক ভুমিকা পালন করায় ষড়যন্ত্র মুলক হত্যা মামলার শিকার ও ৬ মাস কারাবরন করেন। পারিবারিক ভাবেই তিনি আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। পিতা মরহুম জালাল আহমেদ ১৯৬৪ সনে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৬৯ সনে ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য, ১৯৭১ সনে স্থানীয় প্রশিক্ষন নিয়ে সদলবলে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। ১৯৭১ সন ২০০৩ সন আঠারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সন হতে ২০০৮ পর্যন্ত আঠারবাড়ী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০০৯ সন হতে মৃত্যু পর্যন্ত ঈশ^রগঞ্জ উপজেলা কৃষকলীগের সহসভাপতি ছিলেন। চেয়ারম্যান রুপকের ছোট ভাই মো: নুরে আলম কবীর দিপক ১৯৯৪ সনে আঠারবাড়ী এম.সি উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়ক ছিলেন। ১৯৯৬ সনে অসহযোগ আন্দোলনরত অবস্থায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ ৬মাস কারা বরন করেন। ১৯৯৮ সনে আঠরবাড়ী ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

ব্রেকিং নিউজঃ