| |

গুদাম থেকে সয়াবিন উদ্ধার করে ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করলেন ইউএনও

আপডেটঃ 11:16 pm | May 02, 2022

Ad

এম এ মান্নান : ময়মনসিংহের ফুলপুরে গুদাম থেকে সয়াবিন উদ্ধার করে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে বিক্রি করলেন ইউএনও শীতেষ চন্দ্র সরকার। পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আসছিল। সাধারণ মানুষ বাজারে কোথাও তেল না পেয়ে হাহাকার করছিল। এ বিষয়ে ‘ফুলপুরে ঈদ বাজারে সয়াবিন ক্রাইসিস’ শিরোনামে একটি নিউজ পাবলিশ করা হয়। পরে ওই নিউজ ও বিভিন্ন ফেইসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর আজ সোমবার বিকালে সয়াবিন তেল ইস্যু নিয়ে বাজার মনিটরিংয়ে নামেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শীতেষ চন্দ্র সরকার। তিনি পৌরসভার আমুয়াকান্দা বাজারে অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন দোকানে লুকিয়ে রাখা সয়াবিন তেলের সন্ধান পান। এর আগে ফুলপুর বাসস্ট্যান্ডে নূর স্টোরের প্রোপ্রাইটর নূরুল ইসলাম বলছিলেন শুধু আমি না ফুলপুরের ৫টি তেল ডিলারের কারো নিকট তেল নেই। কিন্তু আজ অভিযানে সত্যতা মিলেনি তার কথার। ইউএনও অভিযান চালিয়ে তেল পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে কোন জরিমানা না করে অসাধু ব্যবসায়ীদের গুদাম থেকে উদ্ধার করা এসব তেল তাৎক্ষণিকভাবে ভোক্তাদের মাঝে বোতলের গায়ের রেট অনুযায়ী বিক্রি করে দেন। জানা যায়, প্রায় প্রতিটি দোকানীর গুদামেই সয়াবিন তেলের মজুদ ছিল। এরমধ্যে টিকে কোম্পানির ডিলার রহমান ব্রাদার্সের প্রোপ্রাইটর হাজী লুৎফর রহমানের গুদামে সবচেয়ে বেশি সয়াবিন মজুদ ছিল বলে জানান ইউএনও। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সয়াবিন তেলের সংকট নিয়ে যে খবর বেরিয়েছিল আমরা এর সত্যতা পেয়েছি এবং ব্যবসায়ীদের গুদামে লুকিয়ে রাখা সয়াবিন তেল উদ্ধার করে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে বোতলের গায়ের রেট অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রি করে দিয়েছি। এসময় চলমান সয়াবিন তেলের প্রাপ্তি ও দর নিয়ে যারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়। অভিযানের সময় ফুলপুর থানার এসআই তরিকুল ইসলাম, এএসআই আব্দুল হান্নান, এএসআই ফখরুল ইসলাম, কনস্টেবল মাসুদ প্রমুখ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও ইউএনও জানান।

ব্রেকিং নিউজঃ