| |

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পৌর আ’লীগের সভাপতির বিরুদ্ধে সংবাদ এর প্রতিবাদে সাংবাদ সম্মেলন

আপডেটঃ 1:13 pm | June 16, 2022

Ad

মো নাজমুল হুদা মানিক ॥ ইশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম বুলবুল ও ইশ্বরগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব এর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ১৪ জুন সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখত বক্তব্য পাঠ করেন ইশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম বুলবুল, ইশ্বরগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব। এ সময় ইশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্বা আবদুল জব্বার , উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্বা আব্দুস ছালাম, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এ কে এম হারুন অর রশিদ, সম্মানিত সদস্য এডভোকেট হাবিবুল্লাহ মিলন, রাজিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুিক্তযোদ্ধা হাতেম আলী মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ ফকির, মগটুলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্বা মীর হোসেন, উচাখিলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, সোহাগী ইউনিয়ন আওয়ামীরীগের সভাপতি আব্দুল মোতালেব ডিলার, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, তারুন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক এ কে এম মোস্তফা কামাল, সরিষা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার হাসান, ইশ্বরগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাশেম, সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম, মাইজবাগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, জাটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গনি খান, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শাফায়াত হোসেন ভুইয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মাসুদ হাসান তুর্ন, ইশ্বরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আবু হানিফা, আঠারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুবের আলম রুপক, রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী ফকির, মাইজবাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রবি সহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতি দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় ” বাবা শান্তি কমিটির সদস্য, ছেলেরা আওয়ামীলীগোর নেতা, শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। লিখিত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ সাংবাদটিকে মিথ্যা, ভানোয়াট, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্র মুলক বলে জানিয়েছেন। আসন্ন ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলকে সামনে রেখে এরকম উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনে ভুক্তভোগীদের চরমভাবে ব্যক্তিগত সামাজিক ও পারিবারিক ভাবেমান সম্মানের ক্ষতি হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত পত্রিকাটির এরকম মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের প্রতিবাদ জানান। এখানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ জনান, উপরোক্ত ব্যক্তিদের পরিবার স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীনতার সপক্ষের লোক’ ছিলেন এবং নৌকার প্রতীকে নির্বাচনে নৌকা কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন এবং নিজের অর্থ ব্যায় করেছেন। একই সাথে উপস্থিত সাংবাদিকদের তদন্তের মাধ্যমে সব তথ্য উদঘাটন করে তুলে ধরার বিনীত আবেদন জানান। লিখিত বক্তব্যে ঈশ্বরগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলহাজ্ব মো: হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় গত ১৩ জুন ২০২২ ইং তারিখ “ বাবা ছিলেন শান্তি কমিটির সদস্য, ছেলেরা আওয়ামী লীগের নেতা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। অপপ্রচারকারীরা সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করলে আমি সংবাদটি সম্পর্কে অবগত হই। শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়ে তা আদৌ সত্য নয়। সংবাদটি সম্পুর্ন মিথ্যা, তথ্য বিভ্রাট, তথ্য সন্ত্রাস, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মানহানিকর, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ষড়যন্ত্র মুলক। আমি ও আমার পরিবারকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিগন্য করার জন্য রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপির মদদপুষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের নাম ব্যবহার করে সংবাদ মাধ্যমকে কুরুচিপুর্ন সংবাদ প্রকাশে উৎসাহিত করেছে। সাংবাদিক যাচাই বাছাই না করেই পারিবারিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগের পরিবারকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় করার ঘৃন্য কাজে মদদ যোগিয়েছে। আমি প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত সত্যটি হলো আমি অভিজাত মুসলিম আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমার পিতা মরহুম আব্বাছ আলী মন্ডল একজন সমাজ সেবক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী ছিলেন। ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রাথর্েিক নির্বাচিত করার জন্য গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর রোশানলে পড়ে তিনি বাড়িঘর ছেড়ে পরিবার নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থানি করেন। পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতার জন্য বীরমুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সহযোগিতা করেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের পক্ষে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঈশ্বরগঞ্জ খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভা শেষে বড় চাচা তৎকালীন ঈশ্বরগঞ্জ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আমীর আলী মন্ডল সাহেবের আমন্ত্রনে আমার পিত্রালয়ে মধ্যান্থ ভোজে অংশ গ্রহন করেন। এ সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাথে উপস্থিত ছিলেন। আমি হাবিবুর রহমান হাবিব সভাপিত, ঈশ্বরগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগ, সদস্য, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, সদস্য, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগ, সাধারন সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ জেলা শাখা, ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা প্রশাসক, ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ৩ বারের নির্বাচিত মেয়র। রাজনীতি ও পৌরসভার নির্বাচন করতে গিয়ে রাজনৈতিক ভাবে বারবার ঘাত প্রতিঘাতে জর্জড়িত হ্য়েছি। জেনারেল জিয়াউর রহমানের সামরিক সরকারের সময় আমাদের বাসায় আগ্নেয়াস্ত্র রেখে আমাকে আসামী করা হয়। বিএনপি জামাত ১৯৯১/২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক ভাবে হয়রানীসহ ১৭টি মামলার আসামী করা হয়। মামলার মাধ্যমে আমাকে সাময়িক ভাবে মেয়র পদ হতে বরখাস্ত করা হয়। পুনরায় ২০০৪ সালে জোট সরকারের সময় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় মেয়র নির্বাচিত হই। আমার ছোট ভাই মতিউর রহমান মতি, ২০০৪ -২০১১ পর্যন্ত যুগ্ন আহবায়ক, ২০১৫-২০১৭ পর্যন্ত ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপি জামাত জোট সরকারের রাজনৈতিক হয়রানীর স্বীকার হয়ে ১৪টি মিথ্যা মামলার আসামী করা হয় এবং দীর্ঘদিন কারাভোগ করি। আমার অপর ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান মাহবুব ২০০৪ -২০০৬ পর্যন্ত সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১০-২০১৫ পর্যন্ত সভাপতি, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করে। বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। আমার ছোট বোন মাহমুদা বেগম ১৯৯৩-১৯৯৪ সালে ঈশ্বরগঞ্জ কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচনে ছাত্রলীগের মনোনীত ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন। আমার পরিবারের সকল সদস্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত কর্মী হিসাবে আওয়ামীলীগের কাজ করে আসছে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন কর্মী হিসাবে আমার উপর অর্পিত দলীয় সকল দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছি। সামনে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন। আমি যাতে গুরুত্বপুর্ন পদে আসতে না পারি সে জন্যই আমি ও আমার পরিবারকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থন্নেসী মহল, ব্যাক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে আমি ও আমার পরিবারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করার জন্য কু-চক্রি মহল ও জেনারেল জিয়াউর রহমানের অনুসারী হিসাবে পরিচিত নামধারী মুক্তিযোদ্ধা দৈনিক আমাদের কন্ঠ পত্রিকায় অসত্য ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যমুলক, মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অঅপপ্রচার চালাচ্ছে। আমাকে ও আমার পরিবারকে হেয় পতিপন্য করার জন্য যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিক সম্মেলনে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব মো: রফিকুল ইসলাম বুলবুল জানান, দৈনিক আমাদের কণ্ঠ পত্রিকায় ১৩ জুন ২০২২ ইং তারিখে “বাবা ছিলেন শান্তি কমিটির সদস্য-ছেলেরা আওয়ামী লীগের নেতা।” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্য প্রাণাদিত ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। প্রকাশিত সংবাদে আমার পিতাÑ মরহুম জাবেদ আলী বেপারী কে শান্তি কমিটির সদস্য হিসেবে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে তিনি শান্তি কমিটির সদস্য ছিলেন না। তিনি মহান মু্িক্তযোদ্ধাদের পক্ষে কাজ করেছেন। আমার পিতা মরহুম জাবেদ আলী বেপারী একজন সমাজসেবক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবীদ ছিলেন। ১৯৫৪ সন যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে উপজেলা সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করেন। আমার বাবা তৎকালীন সামরিক জাতীয় সরকারের রোশানলে পড়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেন। ১৯৭০ সনের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম. ইব্রাহিম সাহেবকে নৌকা প্রতীকের নির্বাচন করে এমপি নির্বাচিত করেন। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ঈশ্বরগঞ্জ থানা সংগ্রাম কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পালন ও স্বাধীনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৩ সনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নৌকা প্রতীকের পক্ষে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এবং নৌকার বিজয় নিশ্চিত করেন। আমার বড় ভাই মরহুম আবুল কাশেম একজন আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং ২য় বড় ভাই আলহাজ্ব মো: আব্দুল মতিন ১৯৬৮-১৯৭৬ ইং পর্যন্ত উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৭৭Ñ১৯৮৩ ইং পর্যন্ত ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, ১৯৮৩-২০০৩ ইং সনে তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, ২০০৩ হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত কোষাধ্যক্ষ পদে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্ব পালন ও বিভিন্ন সময় লড়াই সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। আমার পরিবারের সকল সদস্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম করে আসছেন। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে ১৯৯৭-২০০৩ পর্যন্ত ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য, ২০০৩Ñ২০১৫ ইং উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি, ২০১৫ হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে আসছি। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলাকে জননেত্রী শেখ হাসিনার শক্তিশালী ঘাঁটি হিসাবে পরিণত করার জন্য সর্বদা সচেষ্ট রয়েছি। আসন্ন উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে আমার সভাপতি প্রার্থীকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থন্নেসী মহল, ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে আমার নেতৃত্ব ও পরিবারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতকির্ত করার জন্য কু-চক্রি মহলটি ও জেনারেল জিয়াউর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত মুক্তিযোদ্ধা নামধারীরা “আমাদের কণ্ঠ পত্রিকায়” অসত্য ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রণোদিত, মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। সংবাদে আমি ও আমার পরিবারকে হেয় পতিপণ্য করা হয়েছে। আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

ব্রেকিং নিউজঃ