| |

বৈশাখে ইলিশ কম খেতে বললেন পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেটঃ 9:30 pm | April 05, 2016

Ad

চলতি বছরের মার্চ মাসে এমনিতেই বেড়েছে সার্বিক মূল্যস্থীতির হার। বিশেষ করে চিনি ও গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। তার ওপর এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার আরও বাড়বে। পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে বাড়তি দামে ইলিশ মাছ কেনার কারণেই এ মাসে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ হারে বাড়বে মূল্যস্ফীতি।

এতে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হারে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। সেই জন্য বৈশাখে ইলিশ মাছ কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
এমনিতেই ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় মার্চ মাসে মূল্যস্থীতি হার বেড়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বিবিএস-এর দেয়া হালনাগাদ  তথ্যে দেখা গেছে মার্চ মাসে খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার আরও এক ধাপ বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ফেব্রুয়ারি মাসে যা ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

তবে বাড়ি ভাড়াসহ আসবাবপত্র, গৃহস্থালি, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের দাম কমেছে। যে কারণে ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ, মার্চে যা কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ(এনইসি) সভা শেষে এনইসি সম্মেলনে কক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল  বিবিএস-এর দেওয়া মার্চ  মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, চিনি ও গরুর মাংসের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। তবে এপ্রিল মাসে বৈশাখী ইলিশ মাছের দাম বাড়ার কারণে মূল্যস্ফীতির হার শূন্য দশমিক ১ শতাংশ হারে বাড়বে। তাই বৈশাখ মাসে ইলিশ মাছ কম খান।

তবে বিবিএস বলছে, মাছ, মাংস, সবজি, মসলা ও তামাক জাতীয় পণ্যের দাম বাড়ায়  খাদ্যে পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। বেড়েছে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হারও। ফেব্রুয়ারি মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ, মার্চ মাসে বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

ব্রেকিং নিউজঃ