| |

সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পা হারিয়ে কাকলীর স্বপ্ন কি ভেঙ্গে যাবে?

আপডেটঃ 8:53 pm | August 03, 2016

Ad

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: হতদরিদ্র এই অবুজ শিশুটির স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই রয়ে গেল। ইচ্ছা ছিল লেখাপড়া করে সে একদিন বড় হয়ে সংসারের হাল ধরবে। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন ঘাতক ট্রাক আর পূরন হতে দিল না। শিশুটির বয়স যখন চার, হাঠাত একদিন বাড়ীর সামনে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাক চাপায় একটি পা ভেঙ্গে যায়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে ভেঙ্গে যাওয়া ঐ পা কেটে ফেলতে হয়। হতদরিদ্র এই মেয়েটির নাম কাকলী আক্তার বয়স ৮ বছর পিতা হযরত আলী, সংসারে বড় এক ভাই ও দুই বোন। বাবা হযরত আলী একজন দিন মজুর। তাও আবার দুই চোখ অন্ধ। ছোট থেকেই সংসারের হাল ধরতে হয় বড় ভাই হারুনের। সেও অন্যের জমিতে সারাদিন কাজ করে। আবার কোন সময় কাজ না করলে রান্না ঘরের চুলায় আগুনও জলে না। সারাদিন কাজ করে যে টাকা আয় করে তাও আবার সেই টাকা দিয়ে ঔষধ কিন্তে হয় বাবা ও বোনের জন্য। হতদরিদ্র কাকলীর বাড়ী ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কাহালগাও গ্রামে। সে কামারিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেনীতে পড়ে। প্রতিদিন কাকলী  নকল (কৃত্তিম) একটি পা দিয়ে হেটে স্কুলে যাওয়া আসা করে। খোজ নিয়ে জানা যায়, গত দুই বছর আগে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাক চাপায় কাকলী একটি পা হারায়। তখনই কাকলীর সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমাার হয়ে যায়। কাকলীর পরিবার অত্যন্ত গরীব মানুষ। তাই কোন রকমে নিজের কিছু অর্থ অন্যের সাহাজ্য নিয়ে হাসপাতাল থেকে একটি নকল (কৃত্তিম)  পা বানিয়ে কাকলীর পায়ে লাগিয়ে ছিল। সেটিও এখন বিকল হয়ে যাওয়ায় ঠিকমত চলতে পারে না। কাকলীর চোখে মুখে বড় হওয়ার স্বপ্ন তাই কৃত্রিম পা নিয়েই স্কুলে আসা যাওয়া করত। কিন্তু আজকে হটাত তার কৃত্রিম পা টি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় স্কুলে আসা যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। কারন কাকলীর হতদরিদ্র পরিবারের পে ১৫/২০ হাজার টাকা খরচ করে পা তৈরি করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। তাই বলে কি কাকুলীর স্বপ্ন ভঙ্গে যাবে? তাই কাকলীর পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যাক্তিদের কাছে সাহাজ্যেও আবেদন করেছেন। একটু মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন প্রতিবন্ধী কাকলীর স্বপ্ন আশা পুরন করুন। যোগাযোগ করুন কাকলীর পরিবারের সাথে এই নাম্বারে ০১৯২৯ ৪৬৯৯৭৮

ব্রেকিং নিউজঃ